পাইলটের ভুলেই বিধ্বস্ত হয় বিপিন রাওয়াতের হেলিকপ্টার

125
পাইলটের
Social Share

পাইলটের ভুলেই সম্ভবত বিধ্বস্ত হয় ভারতের প্রতিরক্ষাপ্রধান বিপিন রাওয়াতের হেলিকপ্টার। সূত্রের বরাত দিয়ে গতকাল বুধবার এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানিয়েছে ভারতের সংবাদমাধ্যম এনডিটিভি।

গত ৮ ডিসেম্বর এমআই-১৭ভি৫ নামের সেই হেলিকপ্টারে জেনারেল রাওয়াত, তার স্ত্রী মধুলিকা ও ১২ জন সশস্ত্র বাহিনীর কর্মকর্তা ছিলেন। দুর্ঘটনায় ১৪ জন নিহত দেন। তামিলনাড়ুর সুলুর বিমানঘাঁটি থেকে হেলিকপ্টারটি ওয়েলিংটনের ডিফেন্স স্টাফ সার্ভিস কলেজে যাচ্ছিল। 

পাইলটের যে ভুলের বিষয়ে উল্লেখ করা হয়েছে, একে সিএফআইটি (কন্ট্রোল্ড ফ্লাইট ইনটু টেরেইন) বলা হয়ে থাকে। যখন কোনো উড়োজাহাজ উড্ডয়নের জন্য প্রস্তুত ও নিরাপদ থাকে এবং তা পাইলটের পূর্ণ নিয়ন্ত্রণে থাকে, তখন ভূখণ্ড, পানি বা কোনো কিছুর সঙ্গে ধাক্কা খেলে তা সিএফআইটি বলে উল্লেখ করা হয়ে থাকে।

 

ইন্টারন্যাশনাল এয়ার ট্রান্সপোর্ট অ্যাসোসিয়েশন সিএফআইটির ব্যাখ্যায় বলেছে, কোনো ধরনের নিয়ন্ত্রণ না হারিয়েই ভূখণ্ড, পানি বা কোনো কিছুর সঙ্গে ধাক্কা খায় উড়োজাহাজ।

যুক্তরাষ্ট্রের ফেডারেল এভিয়েশন অ্যাডমিনিস্ট্রেশন সিএফআইটির সংজ্ঞা দিতে গিয়ে বলেছে, সবকিছুর ওপর পাইলটের নিয়ন্ত্রণ থাকা সত্ত্বেও ভূখণ্ড, পাহাড়, পানি ও অন্য কোনো কিছুর সঙ্গে সংঘর্ষ।

সূত্র বলেছে, যখন ওই দুর্ঘটনা ঘটে তখন, আকাশ মেঘলা ছিল। বিপিন রাওয়াতকে যে হেলিকপ্টার বহন করেছিল, সেটি ভারতীয় বিমানবাহিনীর অন্যতম নির্ভরযোগ্য হেলিকপ্টার। শুধু সামরিক কর্মকর্তা নয়, দেশের রাষ্ট্রপতি ও প্রধানমন্ত্রী এমআই-১৭ভি৫ হেলিকপ্টার ব্যবহার করে থাকেন। রাশিয়া থেকে হেলিকপ্টারটি আমদানি করা হয়েছিল। তবে ভারতের জন্য এটি বিশেষভাবে নকশা করে তৈরি করা হয়ছিল। ২০১২ সালে ভারতের বিমানবাহিনীতে হেলিকপ্টারটি যুক্ত হয়। দেখতে এ হেলিকপ্টার পুরোনোর মতো মনে হলেও কাজে বেশ আধুনিক। এই হেলিকপ্টারে যে রাডার রয়েছে, তা দিয়ে চারপাশের ৬০০ কিলোমিটারে আবহাওয়া সম্পর্কে জানা যায়। এতে ব্যবহার করা হয় দুটি ইঞ্জিন।

…………………………………………………………………………………………

সূত্র বলেছে, যখন ওই দুর্ঘটনা ঘটে তখন, আকাশ মেঘলা ছিল। বিপিন রাওয়াতকে যে হেলিকপ্টার বহন করেছিল, সেটি ভারতীয় বিমানবাহিনীর অন্যতম নির্ভরযোগ্য হেলিকপ্টার। শুধু সামরিক কর্মকর্তা নয়, দেশের রাষ্ট্রপতি ও প্রধানমন্ত্রী এমআই-১৭ভি৫ হেলিকপ্টার ব্যবহার করে থাকেন। রাশিয়া থেকে হেলিকপ্টারটি আমদানি করা হয়েছিল। তবে ভারতের জন্য এটি বিশেষভাবে নকশা করে তৈরি করা হয়ছিল। ২০১২ সালে ভারতের বিমানবাহিনীতে হেলিকপ্টারটি যুক্ত হয়। দেখতে এ হেলিকপ্টার পুরোনোর মতো মনে হলেও কাজে বেশ আধুনিক। এই হেলিকপ্টারে যে রাডার রয়েছে, তা দিয়ে চারপাশের ৬০০ কিলোমিটারে আবহাওয়া সম্পর্কে জানা যায়। এতে ব্যবহার করা হয় দুটি ইঞ্জিন।