সু চির শাস্তির নিন্দা জানাল জাতিসংঘ নিরাপত্তা পরিষদ

51
পরিষদ
Social Share

জাতিসংঘ এর নিরাপত্তা পরিষদ মিয়ানমারের ক্ষমতাচ্যুত গণতান্ত্রিক নেত্রী অং সান সু চি, সাবেক প্রেসিডেন্ট উইন মিন্ট এবং অন্যান্যদের সম্প্রতি দেশটির আদালতে সাজা দেওয়ার বিষয়ে ‘গভীর উদ্বেগ’ প্রকাশ করেছে।

২০২০ সালের নির্বাচনে সু চি’র ন্যাশনাল লীগ ফর ডেমোক্রেসি (এনএলডি) দল ক্ষমতায় ফিরে আসায় ভোট জালিয়াতির ভিত্তিহীন অভিযোগ আনা হয়। পহেলা ফেব্রুয়ারি একটি সামরিক অভ্যুত্থানে তাকে আটক করার পরে মিয়ানমারের একটি আদালত সোমবার সু চিকে ভিন্নমত উস্কে দেওয়া এবং কোভিড ১৯ নিয়ম লঙ্ঘনের জন্য দোষী সাব্যস্ত করে।

এরপর নাইপিডোর জাবুথিরি আদালত তাকে চার বছরের কারাদণ্ড দেয়। পরে তীব্র সমালোচনার পরে সামরিক বাহিনী সাজা কমিয়ে দুই বছর করে। একই সাথে সাবেক প্রেসিডেন্ট মিন্ট যিনি এনএলডি দলের মিত্র, তিনিও চার বছরের সাজা পেয়েছিলেন যা কমিয়ে দুই বছর করা হয়েছিল।

সাজা প্রদানের পর নিরাপত্তা পরিষদ রায়ের নিন্দা জানিয়ে একটি বিবৃতি প্রকাশ করে। একই সাথে দেশটিতে একটি গণতান্ত্রিক উত্তরণের আহ্বান জানায়। বিবৃতি অনুযায়ী, পরিষদের সদস্যরা ১ ফেব্রুয়ারি ২০২১ সাল থেকে নির্বিচারে আটক সকলের মুক্তির জন্য তাদের আহ্বান পুনর্ব্যক্ত করেছেন।

নিরাপত্তা পরিষদ মিয়ানমারে গণতান্ত্রিক প্রতিষ্ঠান ও প্রক্রিয়ার প্রতি তাদের চলমান সমর্থন প্রকাশ করেছে এবং ক্ষমতায় থাকা দলগুলোকে সহিংসতা এড়িয়ে, “স্বাধীনতা এবং আইনের শাসন বজায় রেখে, মিয়ানমারের জনগণের ইচ্ছা ও স্বার্থ অনুযায়ী গঠনমূলক সংলাপ ও বোঝাপড়ার মাধ্যমে , মানবাধিকার ও মৌলিক অধিকারকে সম্পূর্ণভাবে সম্মান করার নির্দেশ দিয়েছে।

২০২০ সালের নির্বাচনে সু চি’র ন্যাশনাল লীগ ফর ডেমোক্রেসি (এনএলডি) দল ক্ষমতায় ফিরে আসায় ভোট জালিয়াতির ভিত্তিহীন অভিযোগ আনা হয়। পহেলা ফেব্রুয়ারি একটি সামরিক অভ্যুত্থানে তাকে আটক করার পরে মিয়ানমারের একটি আদালত সোমবার সু চিকে ভিন্নমত উস্কে দেওয়া এবং কোভিড ১৯ নিয়ম লঙ্ঘনের জন্য দোষী সাব্যস্ত করে।

এরপর নাইপিডোর জাবুথিরি আদালত তাকে চার বছরের কারাদণ্ড দেয়। পরে তীব্র সমালোচনার পরে সামরিক বাহিনী সাজা কমিয়ে দুই বছর করে। একই সাথে সাবেক প্রেসিডেন্ট মিন্ট যিনি এনএলডি দলের মিত্র, তিনিও চার বছরের সাজা পেয়েছিলেন যা কমিয়ে দুই বছর করা হয়েছিল।

সাজা প্রদানের পর নিরাপত্তা পরিষদ রায়ের নিন্দা জানিয়ে একটি বিবৃতি প্রকাশ করে। একই সাথে দেশটিতে একটি গণতান্ত্রিক উত্তরণের আহ্বান জানায়। বিবৃতি অনুযায়ী, পরিষদের সদস্যরা ১ ফেব্রুয়ারি ২০২১ সাল থেকে নির্বিচারে আটক সকলের মুক্তির জন্য তাদের আহ্বান পুনর্ব্যক্ত করেছেন।

নিরাপত্তা পরিষদ মিয়ানমারে গণতান্ত্রিক প্রতিষ্ঠান ও প্রক্রিয়ার প্রতি তাদের চলমান সমর্থন প্রকাশ করেছে এবং ক্ষমতায় থাকা দলগুলোকে সহিংসতা এড়িয়ে, “স্বাধীনতা এবং আইনের শাসন বজায় রেখে, মিয়ানমারের জনগণের ইচ্ছা ও স্বার্থ অনুযায়ী গঠনমূলক সংলাপ ও বোঝাপড়ার মাধ্যমে , মানবাধিকার ও মৌলিক অধিকারকে সম্পূর্ণভাবে সম্মান করার নির্দেশ দিয়েছে।