পরিকল্পিতভাবে বিদ্যুৎ খাতের উন্নয়ন হচ্ছে : বিদ্যুৎ প্রতিমন্ত্রী

Social Share

বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ প্রতিমন্ত্রী নসরুল হামিদ বলেছেন, মহাপরিকল্পনায় প্রদর্শিত পন্থায় পরিকল্পিতভাবে বিদ্যুৎ খাতের উন্নয়ন করা হচ্ছে। পাওয়ার সিস্টেম মাস্টার প্লাান-২০১০ পর্যালোচনা করে পাওয়ার সিস্টেম মাস্টার প্লান-২০১৬ প্রণয়ন করা হয়েছে। জ্বালানি মিক্স, উৎপাদন, সঞ্চালন ও বিতরণ ব্যবস্থা আরো যুগোপযোগী করা হয়েছে। দেশে বিদ্যুতের কোনো ওভার ক্যাপাসিটি নেই।

প্রতিমন্ত্রী আজ সেন্টার ফর পলিসি ডায়ালগ (সিপিডি) আয়োজিত ভিডিও কনফারেন্সের মাধ্যমে “কোভিড-১৯ ও বাজেট ২০২০-২১ পর্যালোচনাঃ বিদ্যুৎ খাতে বণ্টনের অগ্রাধিকার এবং বিকল্প প্রস্তাবনা” শীর্ষক ভার্চুয়াল সংলাপে এসব কথা বলেন।

প্রতিমন্ত্রী বলেন, সরকার নবায়নযোগ্য জ্বালানির বিস্তারে সহযোগিতা করছে। ৫৮ লক্ষ সোলার হোম সিস্টেম সংযোজন করা হয়েছে। মিনিগ্রিডের মাধ্যমেও সংযোজন দেয়া হচ্ছে। নেট মিটারিং সিস্টেম প্রচলন করা হয়েছে। কারণ ১০০ মেগাওয়াটের একটি সোলার বিদ্যুৎ কেন্দ্র করতে প্রায় ৩৫০ একর অকৃষি জমি লাগে যা বাংলাদেশে পাওয়া খুবই দুষ্কর।

নসরুল হামিদ বলেন, বিদ্যুৎ বিভাগ নিরবচ্ছিন্ন বিদ্যুৎ সরবরাহ, যৌক্তিক ও সহনীয় মূল্যে বিদ্যুৎ, দক্ষতা ও স্বচ্ছতার ওপর গুরুত্ব দিয়ে কাজ করছে। প্রযুক্তির ব্যবহার যত বাড়ানো যাবে স্বচ্ছতাও তত বাড়বে। তাই সকল স্তরে প্রযুক্তির ব্যবহার বাড়ানোর উদ্যোগ অব্যাহত রয়েছে। বিল সম্পর্কিত কিছু অভিযোগ রয়েছে যা যথাযথভাবে সমাধান করা হবে।

এ সময় তিনি ইলেকট্রিক ভিহেক্যাল ব্যবহার বৃদ্ধির ওপর গুরুত্ব দিয়ে বলেন, জ্বালানি হিসেবে তেল ইঞ্জিনের চেয়ে ইলেকট্রিক ইঞ্জিনের দক্ষতা অনেক বেশি। তাই ইলেকট্রিক ভিহেক্যাল ব্যবহার করা লাভজনক।

প্যানেল আলোচক হিসেবে পাওয়ার সেলের মহাপরিচালক মোহাম্মদ হোসেন, জ্বালানি বিশেষজ্ঞ অধ্যাপক ম তামিম, সাবেক বিদ্যুৎ সচিব ড. মোঃ ফওজুল কবির খান, স্রেডার সাবেক সদস্য সিদ্দিক যোবায়ের ও বাংলাদেশ ইনডিপেন্ডেন্ট পাওয়ার প্রডিউসার এসোসিয়েশনের প্রেসিডেন্ট ইমরান করীম বক্তব্য রাখেন।

সিপিডি’র নির্বাহী পরিচালক ড. ফাহমিদা খাতুনের সঞ্চালনায় অধ্যাপক রেহমান সোবহানের সভাপতিত্বে মূল প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন সংস্থাটির গবেষণা পরিচালক খন্দকার গোলাম মোয়াজ্জেম।