নিষিদ্ধ হওয়ার পথে হাঁটছেন কোহলি?

বাংলাদেশের বিপক্ষে কাল আম্পায়ারের সঙ্গে বাজে ব্যবহার করেছেন ভারতের অধিনায়ক বিরাট কোহলি। এমন আচরণ ধরে রাখলে নিষিদ্ধ হতে পারেন এ তারকা ক্রিকেটার
কে না জানে মাঠে বেশ আক্রমণাত্মক থাকেন বিরাট কোহলি। ফিল্ডিংয়ের সময় এটাই তাঁর খেলার ধরন। কিন্তু সীমাও ছাড়িয়ে যান মাঝেমধ্যে। কাল যেমন ভারত-বাংলাদেশ ম্যাচে নিজেকে নিয়ে ভক্তদের বেশ শঙ্কার মধ্যেই ফেলেছেন কোহলি। ভারত সেমিফাইনালে মাঠে নামার আগে কোহলি–সমর্থকদের ভাবতে হচ্ছে, ফাইনালে ওঠার লড়াইয়ে তাঁকে পাওয়া যাবে তো!

বাংলাদেশের ইনিংসে তখন ১২তম ওভার। সৌম্য সরকারের বিপক্ষে লেগ বিফোরের আবেদন করেন মোহাম্মদ শামি। মাঠের আম্পায়ার মার্ক এরাসমাস তা বাতিল করে দিলেও রিভিউ নেন কোহলি। টিভি আম্পায়ার আলিম দার ‘আল্ট্রা এজ’ ভিডিওতে দেখেন বল ইনসাইড এজ (ব্যাটের কানায় লেগেছিল) হয়েছিল। এ কারণে মাঠের আম্পায়ারের সিদ্ধান্তই বহাল রাখেন টিভি আম্পায়ার। আর তাই ‘বল ট্র্যাকিং’ দেখার প্রয়োজন হয়নি। কারণ, তার আগেই সিদ্ধান্তে পৌঁছানো গেছে।

কিন্তু কোহলি এ সিদ্ধান্তে সন্তুষ্ট হতে পারেননি। তিনি মাঠের আম্পায়ারদের দিকে বেশ ক্রোধ নিয়েই ছুটে যান, যা দেখতে বেশ দৃষ্টিকটু লেগেছে। আম্পায়ারদের সঙ্গে কয়েক মুহূর্ত বাগ্‌বিতণ্ডায় জড়িয়েছেন ভারতের এ অধিনায়ক। টিভির ধারাভাষ্যকারেরা তখন আলোচনা করছিলেন, কেন বল ট্র্যাকিং দেখানো হলো না মাঠের আম্পায়ারদের কাছে তার ব্যাখ্যা চাইতে পারেন কোহলি। কিন্তু তখন কোহলির আচরণ ছিল জাতীয় দলের অধিনায়ক হিসেবে বেশ দৃষ্টিকটু। ভারতের পরের ম্যাচেও কোহলি এমন আচরণ ধরে রাখলে নিষিদ্ধ হওয়ার শঙ্কা সত্যি হতেও পারে।

বিশ্বকাপে এর আগে ভারত-আফগানিস্তান ম্যাচেও আম্পায়ারদের সঙ্গে বাজে ব্যবহার করে ম্যাচ ফির ২৫ শতাংশ অর্থ জরিমানা গুনেছেন কোহলি। সে ম্যাচে ১টি ডিমেরিট পয়েন্টও পান তিনি। গত বছর জানুয়ারিতে দক্ষিণ আফ্রিকার টেস্টেও ১টি ডিমেরিট পয়েন্ট পেয়েছিলেন ভারতীয় অধিনায়ক। অর্থাৎ তাঁর ডিমেরিট পয়েন্ট এখন ২। দুই বছরের মধ্যে একজন ক্রিকেটার ন্যূনতম ৪টি ডিমেরিট পয়েন্ট পেলে তা সাসপেনশন (নিষেধাজ্ঞা) পয়েন্টে রূপান্তরিত হয় এবং সেই ক্রিকেটার নিষেধাজ্ঞায় পড়েন। গ্রুপ পর্বে ভারতের এখনো একটি ম্যাচ বাকি আছে। শনিবার শ্রীলঙ্কার মুখোমুখি হবে ভারত।