নারী সম্পর্কিত সেরা কয়েকটি উক্তি

31
Social Share

নারী আজ স্বয়ংসিদ্ধা। তাঁরা এখন কারও উপরে নির্ভরশীল নয়। উল্টে তাঁদের উপরই দাঁড়িয়ে আছে পরিবার। আবার কখনও তাঁদের উপরেই নির্ভর করছে কোনও দেশের ভাগ্য বা কোম্পানির ভবিষ্যৎ।

বিশ্বে যা-কিছু মহান সৃষ্টি চির-কল্যাণকর,
অর্ধেক তার করিয়াছে নারী, অর্ধেক তার নর।
বিশ্বে যা-কিছু এল পাপ-তাপ বেদনা অশ্রুবারি,
অর্ধেক তার আনিয়াছে নর, অর্ধেক তার নারী।
যত কথা হইল কবিতা, শব্দ হইল গান।
নর দিল ক্ষুধা, নারী দিল সুধা…
প্রত্যেকটি মানুষের সফলতার
পেছনেই রয়েছে একজন নারীর
আত্মত্যাগের কাহিনী। যারা সবসময়
থেকে যান পর্দার পেছনেই।
তাই নারীর প্রতি সহানুভূতি নয়, সম্মান প্রদর্শন করুন। যে জাতি নারীদের সম্মান করতে পারে না, সে জাতির উন্নতি অসম্ভব।
শুধু আন্তর্জাতিক নারী দিবস উপলক্ষে একদিন নয়, বছরের ৩৬৫ দিনই নারীর প্রতি সম্মান প্রদর্শন করুন।
নারী না থাকলে- রাখী হতো না;
নারী না থাকলে- ভাই ফোঁটা হতো না;
নারী না থাকলে- পৃথিবীটা এত সুন্দর হতো না;
নারী না থাকলে- আমাদের জন্মটাই হতো না;
~ তোমরা না থাকলে সৃষ্টিটাই সম্ভব হতো না।

তাই নারীদের সম্মান জানাতে, তাঁদের যোগ্যতা ও মেধাকে কুর্নিশ জানাতে আমরা নিয়ে এসেছি নারী সম্পর্কিত বাছাই করা কিছু উক্তি:

১. এভাবে বসতে নেই, ওভাবে চলতে নেই, এটা বলতে নেই, ওটা করতে নেই! ব্যাস অনেক হয়েছে। এভাবে আর মেয়েদের দমিয়ে রাখা যায় না।

২. দেওয়ালে পিঠ ঠেকে গেলে তো বেড়ালও বাঘ হয়ে যায় আর আমরা তো মানুষ। যুগ যুগ ধরে অত্যাচার সহ্য করে এবার আমরাও ঘুরে দাঁড়িয়েছি।

৩. তোমার ডানায় আগুন, দীর্ঘ হোক তোমার উড়ান।

৪. এই পৃথিবী সুষ্ঠুভাবে মেয়েরাই চালাতে পারে।

৫. যারা মেয়েদের পায়ের তলায় থেতলে দেয় তাঁরা কেউ পুরুষ নয়। তারা মানুষও নয়।

৬. যে লক্ষ্মী আর স্বরস্বতির মতো শান্ত সে চণ্ডীর মতো আগুন হয়েও জ্বলতে পারে।

৭. ছেলেরা খালি মেয়েদের দোষ দেয়। অথচ বিপদে পড়লে কখনও মা আবার কখনও স্ত্রীর আঁচলের তোলায় লুকিয়ে পড়ে।

৮. একটা অসুরকে বধ করতে গিয়ে কিন্তু নাকানি চোবানি খাচ্ছিলেন দেবতারা। সেই তো একটা মেয়ে এসেই বাঁচাল।

৯. ছেলের জন্ম দিতে না পারলে নাকি মেয়েদের দোষ হয়। তাই যদি হয় তাহলে সেই মেরুদণ্ডহীন সমাজে আমি চাইনা কোনও প্রাণের জন্ম দিতে। কারণ আমার কাছে ছেলে মেয়ে দুজনেই সমান।

১০. আজকের দুনিয়ায় এমন কোনও কাজ নেই যা মেয়েরা পারে না।

১১. আমি যদি আত্মরক্ষার জন্য ক্যারাটে শিখি তাহলে তোমাকেও সহবত শিখতে হবে।

১২. আঠেরোয় পা দিলেই বিয়ের চিন্তা না করে বাবা মায়ের উচিত মেয়েদের যোগ্য করে তোলা।

১৩. তোমার শরীর নয়, যেদিন সবাই তোমার মন বুঝবে সেদিনই হবে যথার্থ নারী দিবস।

১৪. বিকশিত হোক তোমার মন।

১৫. নারী দিবস একদিনে পালন করা যায় না। সেটা সম্ভব নয়। কারণ সমুদ্রের জল একটা গ্লাসে রাখা যায়না।

১৬. আগে নিজের বাড়িতে নিজের মা ও বোনকে একজন মানুষ হওয়ার সম্মান দিন। তারপর বাইরে বেরিয়ে বাকি মেয়েদের দিকে তাঁকাবেন।

১৭. আমরা জানি ম্যাজিক। সেটার সন্ধান চাইলে আমাদের সম্মান দিতে হবে।

১৮. আমি বলতে চাইনা যে সামনের জন্মে আমি মেয়ে হতে চাইনা। বরং এটাই বলতে চাই যে যতবার জন্মাই যেন মেয়ে হয়ে জন্মাই।

১৯. মেয়েরা যখন শক্তিরূপা হয়ে ওঠে তখন পৃথিবীতে অনেক বড় পরিবর্তন আসে।

২০. এই পৃথিবী আমার বিষয়ে কী ভাবছে আমি জানিনা। আমি ভাবছি আমি সেরা আর সেটাই সত্যি।

২১. নারীবাদী হওয়া মানে মেয়েদের শক্তিশালী করা নয়, তাঁরা এমনিতেই শক্তিশালী।

২২. মেয়েদের শুধু অন্যের ভালো স্ত্রী হয়ে ওঠা শেখালে চলবে না। তাঁদেরকে সবার আগে যোগ্য করে তুলতে হবে।

২৩. বাঁধা এলে তার মুখোমুখি দাঁড়াবো। আমাদের মধ্যে আছে অনন্ত শক্তির আধার।

২৪. আমরা নিজেদেরও খুব ভালোবাসি!

২৫. আমি স্ত্রী-জাতির সেই সমস্ত প্রতিনিধিদের ধন্যবাদ জানাতে চাই যারা কোনো না কোনো ভাবে আমার জীবনকে সুন্দর করে তুলেছে বিভিন্ন সময়ে। সবাইকে অসংখ্য ধন্যবাদ।

২৬. আজকের দিনে কারও পক্ষে বলা সম্ভব নয় যে আমরা নারীরা পুরুষদের থেকে পিছিয়ে আছি, সব ক্ষেত্রে আমরা পুরুষদের টক্কর দেওয়ার ক্ষমতা রাখি। তাই আপামর নারীজাতিকে আমি জানাতে চাই যে নিজেকে কখনো দুর্বল ভেবো না, কারণ তুমি নারী শক্তির অংশ।

২৭. আমরা কন্যাসন্তান হিসাবে মিষ্টি, আমরা বোন হিসাবে যত্নবান, আমরা প্রেমিকা হিসাবে সুন্দরী, আমরা স্ত্রী হিসাবে প্রিয়তমা, আমরা মা হিসাবে পরম মমতাময়ী, আমরা শক্তির আধার, আমরা নারী!

২৮. জগতের যেখানেই যে জাতি নারীর অসম্মান করবে,সেই জাতিরই পতন নিশ্চিত। নারীদের সম্মান করো।

২৯. জীবন যদি রামধনু হয়, তবে তুমি হলে তার রঙের বাহার, জীবনে যদি নাম আঁধার, তুমি হয়ে ওঠো তার আশার আলো। আন্তর্জাতিক মহিলা দিবস এর অনেক অনেক শুভেচ্ছা।

৩০. সকল কথা শোনার অভিলাস। সব কিছু বুঝতে চাওয়ার ধৈর্য। পুরুষের অসময়ে তার শক্তি হয়ে ওঠা। সব কষ্ট মুখ বুজে সহ্য করা। এই আপাতভাবে ছোট কিন্তু জরুরি গুণগুলোই বাড়িয়ে দেয় নারীর সৌন্দর্য।

৩১. তাঁরা চায় মুক্ত আকাশ, তাঁরা চায় উড়তে। ডানার দাবি তাঁরা জানায় না কখনও, কারণ ইচ্ছেশক্তি তাঁদের রক্তে।

৩২. তিনি আমার বাবাকে খুব ভালোবাসেন। আমাদের যত্ন নেন। সংসার তাঁকে ছাড়া অচল হয়ে পড়ে। তিনিই আমার দেখা সবচেয়ে সবল নারী।

৩৩. তোমাদের সব স্বপ্ন সফল হোক, উচ্চাশা হোক পূরণ, তোমরা হয়ে অথ পাহাড় প্রমান উঁচু।

৩৪. নারীদের সম্মান করতে শেখো। কারণ তাঁদের ছাড়া আমাদের জীবন অসম্ভব হয়ে পড়তো।

৩৫. পৃথিবীর প্রাণ তুমি। তোমার থেকে সৃষ্ট আমি আজ তাই তোমারে প্রণাম করি।

৩৬. সারা পৃথিবীর মনের কথা এটা, সবাই তোমায় জানাতে চায় যে তুমি ছাড়া আমরা অস্তিত্বহীন। আমাদের শুভেচ্ছা নিও আজকের এই বিশেষ দিনে। কারণ আজকের দিনটা শুধু তোমাদের।

৩৭. সব সফল ও স্বাধীন মহিলাদের অতীতে একটি বাচ্চা মেয়ে আছে যে বারংবার পড়ে গিয়ে উঠে দাঁড়িয়েছে এবং বুঝতে শিখেছে যে কারো উপর নির্ভর করে বেঁচে থাকার নাম জীবন না।

৩৮. আমরা নারী, যে কোনও কাজ আমরাও পারি!

৩৯. মেয়েদের কারও কাছে কিছু প্রমাণ করার নেই। যদি আমাদের শক্তি এই দুনিয়া বুঝতে না পারে, তাহলে তাঁদের বদলের দরকার আছে। আমাদের নয়।

৪০. নারী শব্দটাই তো শক্তির সঙ্গে জড়িত। তাই আলাদা করে নিজেকে শক্তিশালী প্রমাণ করার দরকার নেই।

৪১. কখনও প্রেয়সী আবার কখনও চামুণ্ডা কালীও হয়ে উঠতে পারি আমরা। আমাদের অনেক রূপ।

৪২. সময় বিশেষে আমরাই হয়ে উঠি দশভুজা।

৪৩. আমরাই একমাত্র যারা প্রাণের সৃষ্টি করতে পারি। এর চেয়ে গর্বের আর কী আছে?

৪৪. আলাদা করে নারী দিবসের কোনও মাহাত্ম্য আমার কাছে নেই। আমি মনে করি বছরের সব কটা দিনই আমার।

৪৫. তোমার মতো নারী খুঁজে পাওয়া খুব মুশকিল। তুমি অনন্যা, তোমার জন্য রইল অনেক অনেক শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন।

৪৬. তুমি দারুণ, তুমি আলাদা, তুমি সুন্দর আর তাই তো তুমি নারী।

৪৭. তুমি নিজেও জাননা, তোমার মধ্যে কতটা ক্ষমতা লুকিয়ে আছে। সবাইকে নিজের আলোয় আলোকিত করেছো তুমি।

৪৮. নিজেকে এতটাই যোগ্য করে তোলো যে তোমাকে ভিড় অনুসরণ করতে না হয়, উল্টে ভিড় তোমায় অনুসরণ করুক।

৪৯. তোমার এতটাই ক্ষমতা আছে যে একবার হাসলেই এই পৃথিবী সুন্দর হয়ে যায়।

৫০. তুমি আগুন দিয়ে তৈরি অগ্নিকন্যা। রক্ষা করো সবাইকে, ভালোবাসায় ঘিরে রাখো।

৫১. সব সময় আনন্দে থাকো, কখনও কোনও অবস্থাতেই ভেঙে পড়ো না।

৫২. এই বিশ্বে যা যা সেরা জিনিস আছে, সব যেন তুমি পাও। এই কামনাই করি।

৫৩. এই পৃথিবীর সবচেয়ে সুন্দর ফুল আর সবচেয়ে বর্ণময় কবিতার চেয়েও আকর্ষণীয় তুমি।

৫৪. তুমি আমার ক্ষমতার উৎস, তুমি আমার ভালোবাসার অনন্ত নদী।

৫৫. একজন আদর্শ নারী হয়ে ওঠো। হয়ে ওঠো সবার অনুপ্রেরণা।

৫৬. মেয়েরা সব সময়ই কোমল হৃদয় হয়। তাঁরা ভালোবাসার মানুষকে সব সময় মনের গভীরে স্থান দেয়।

৫৭. নারী হল পরিবারের স্তম্ভ, তাঁর অনুপ্রেরণা ছাড়া কোনও কিছু সম্ভব নয়। তাই তাঁকে জানাই অনেক অনেক শুভেচ্ছা।

৫৮. নিজেকে সব সময় স্পেশ্যাল ভাববে, জানবে তুমি সবার চেয়ে এগিয়ে আছো।

৫৯. বিশ্বের নারী নেতারা নারীদের প্রতিনিধি নয়; তারা সবাই রুগ্ন পিতৃতন্ত্রের প্রিয় সেবাদাসী।

৬০. মেয়েমানুষের এরকম হয়, ওরকম হয়, সব রকম হয়, শুধু মনের মত হয় না।

৬১. একটি একা মেয়ে ইচ্ছে করলেই বাজার যেতে পারে, ডাক্তার এর সঙ্গে দেখা করে ওষুধ আনতে পারে। কিন্তু এসব করণীয় কাজ কেউ আন্তরিকতার সাথে করে দিলে একধরনের আরাম হয়। মনের আরাম।

৬২. ছেলেদের জন্য পৃথিবীতে সব চাইতে মূল্যবান হল মেয়েদের হাসি।

৬৩. যে গর্ভ তোমাকে ধারন করেছে সে গর্ভধারিণী মায়ের প্রতি কর্তব্য কর ও শ্রদ্ধা নিবেদন কর।

৬৪. মেয়েরা গণেশের মত, মা দূর্গার চারপাশে পাক দিয়ে যে জগত দেখে তাতেই তৃপ্তি আর পুরুষরা কার্তিকের মত সারা পৃথিবী ঘুরে আসে অথচ কি দেখে তা তারাই জানে না।

৬৫. নিম্ন মধ্যবিত্ত বা মধ্যবিত্ত পরিবার থেকে আসা মেয়েগুলো তাদের সব রকম কনজারভেটিভ ধারনা বুকে পুষে রেখে এমন ভাবভঙ্গী করে যেন পৃথিবীর সব ছেলেই তাদের দিকে হামলে পড়ছে।

৬৬. ভদ্র ছেলেদের জন্য মেয়েদের মনে কখনও প্রেম জাগে না। যা জাগে সেটা হল সহানুভূতি।

৬৭. মেয়েরা প্রথমবার যার প্রেমে পড়ে তাকে ঘৃনা করলেও ভুলে যেতে পারে না। পরিষ্কার জল কাগজে পড়লে দেখবেন শুকিয়ে যাওয়ার পড়েও দাগ রেখে যায়।

৬৮. নারীর বয়স তার দেহে পুরুষের বয়স তার মনে।

৬৯. স্ত্রীলোকদিগের উপর যেমন কঠিন শাসন, পুরুষের উপর তেমন কিছু নেই। কথায় কিছু হয় না, ভ্রষ্ট পুরুষের কোন সামাজিক দণ্ড নেই। একজন স্ত্রী সতীত্ব সম্বন্ধে কোন দোষ করিলে সে আর মুখ দেখাইতে পারে না। হয়তো আত্মীয় স্বজন তাকে বিষ প্রদান করেন, আর একজন পুরুষ প্রকাশ্যে সেই সব কাজ করিয়া রোশনাই করিয়া জুড়ি হাকাইয়া রাত্রিশেষে পত্নীকে চরণরেণু স্পর্শ করাইয়া আসেন, পত্নী পুলকিত হয়েন।

৭০. পুরুষের বুদ্ধি খড়গের মতো; শান বেশি না দিলেও কেবল ভারেই অনেক কাজ করতে পারে। মেয়েদের বুদ্ধি কলম-কাটা ছুরির মতো; যতই ধার দাওনা কেনো, তাতে বৃহৎ কাজ চলে না।

৭১. নিজেদের অধিকারের ব্যপারে সামান্য সচেতন হলে মেয়েরা নিশ্চয়ই বুঝতো যে জগতে যত নির্যাতন আছে মেয়েদের বিরূদ্ধে সবচেয়ে বড় নির্যাতন হল, মেয়েদেরকে সুন্দরী হওয়ার জন্য লেলিয়ে দেওয়া।

৭২. শুধু পরনারীর সঙ্গ নিয়ে সারা জীবন কাটানো যায় না।

৭৩. পুরুষ শেষ অবধি চায় না মেয়ের মধ্যে পুরুষের অনুকরণ যেমন মেয়ে চায় না মেয়েলি পুরুষ।

৭৪. একজন পুরুষ সর্বদা অর্থ উপার্জনের ধান্ধায় থাকে আর একজন মহিলা তার দেহগঠন নিয়ে ব্যস্ত থাকে।

৭৫. নারী দাসী বটে, কিন্তু সেই সঙ্গে নারী রাণীও বটে।

৭৬. মেয়েদের চরিত্রের মাধুর্য পাওয়া যায় কুমারী অবস্থায়।

৭৭. সাধারণত স্ত্রীজাতি কাঁচা আম, ঝাল লঙ্কা এবং কড়া স্বামীই ভালোবাসে। যে দুর্ভাগ্য পুরুষ নিজের স্ত্রীর ভালোবাসা হইতে বঞ্চিত সে – যে কুশ্রী অথবা নির্ধন তাহা নহে; সে নিতান্ত নিরীহ।

৭৮. যে পুরুষ অসংশয়ে অকুন্ঠিতভাবে নিজেকে প্রচার করিতে পারে সেই সমর্থ পুরুষ সহজেই নারীর দৃষ্টি আর্কষণ করিতে পারে।

৭৯. বধু তোমার গরবে গরবিনী নাম রুপসী তোমার রুপে হেন মনে হয় ও দুটি চরণ সদা নিয়ে রাখি বুকে।

৮০. যখন রাত আসে তখন ঘুম আসে যখন ঘুম আসে তখন স্বপ্ন আসে যখন স্বপ্ন আসে তখন তুমি আসো – যখন তুমি আসো তখন ঘুমও আসে না, স্বপ্নও আসে না।

৮১. কোন কালে একা হয়নিকো জয়ী, পূরুষের তরবারী; প্রেরনা দিয়েছে, শক্তি দিয়াছে, বিজয়ালক্ষী নারী।

৮২. একজন মেয়ে একজন পুরুষকে বিয়ে করে পুরুষটির চরিত্রের জন্য, তারপর সারা জীবন চেষ্টা করে সেই চরিত্রটি বদলাবার।

৮৩. আমাকে বিক্রির টাকা হক্কের টাকা আর আমার রোজগারের টাকা নোংরা টাকা।

৮৪. পৃথিবীর ইতিহাসে, কোনও অন্ধকার সমাজে যখনই কোনও নারী পুরুষতন্ত্রের বিরুদ্ধে রুখে উঠেছে, নিজের স্বাধীনতার কথা বলেছে, ভাঙতে চেয়েছে পরাধীনতার শেকল, তাকেই গালি দেওয়া হয়েছে পতিতা বলে।

৮৫. হে নারী, কেউ যদি তোমাকে ধর্ষণ করতে আসে, তুমিও তাকে ধর্ষণ করে দাও। পুরুষদের দেখিয়ে দাও, ধর্ষণ শুধু তারা নয়, তোমরাও পারো।

৮৬. নারীর হৃদয় সাপের, বুদ্ধি গাধার, রূপটা দেবীর, চোখটা ধাঁধার।

৮৭. চরিত্রহীনা নারী চরিত্রহীন পুরুষের জন্য, আর চরিত্রহীন পুরুষ চরিত্রহীনা নারীর জন্য। সৎ চরিত্রবতী নারী সৎ চরিত্রবান পুরুষের জন্য, আর সৎ চরিত্রবান পুরুষ সৎ চরিত্রবতী নারীর জন্য।

৮৮. রমনী এক রকম অনাবশ্যক ইচ্ছা বিবর্ণ ঝাঁঝাঁলো সম্প্রতি নারী শুধু কাচের ছায়া, অপ্রতিবিম্ব কাচ, শুধুমাত্র কাচ।

৮৯. তুমি আমাকে শিক্ষিত মা দাও, আমি তোমাকে শিক্ষিত জাতি দেব।

৯০. পুরুষতান্ত্রিক সভ্যতার শ্রেষ্ঠ শহীদের নাম মা।