নারায়ণগঞ্জে ভবনধসে আটকেপড়া শিশু উদ্ধারে অভিযান চলছে

নারায়ণগঞ্জের বাবুরাইল এলাকায় একটি চারতলা ভবন ধসে আটকেপড়া শিশু উদ্ধারে অভিযান চলছে। এ ঘটনায় এক শিশু নিহত হয়েছে।

ভবনধসে আটকে পড়া ইফতেখার আহমেদ ওয়াজেদ নামে ১২ বছর বয়সী শিশুটিকে উদ্ধারে অভিযান চালানো হচ্ছে। দমকল বাহিনী বলছে, শিশুটি এখনো বেঁচে আছে না কি নেই, সেটা এখনো স্পষ্ট নয়। ভবনটির ঠিক কোন জায়গাটিতে শিশুটি রয়েছে সেটা নিশ্চিত হতে পারেনি তারা। তবে শিশুটিকে উদ্ধারের আপ্রান চেষ্টা করা হচ্ছে এবং রবিবার সন্ধ্যা থেকে শুরু হওয়া এই উদ্ধার অভিযানএখনো অব্যহত আছে।

গতকাল বৃহস্পতিবার বিকেলের এ ঘটনায় আহত হয়েছে তিনজন। নিহত শিশুর নাম সোয়েব (১২) আর নিখোঁজ রয়েছে ওয়াজেদ (১২)। নিহত সোয়েব ও নিখোঁজ ওয়াজেদ সম্পর্কে খালাতো ভাই এবং স্থানীয় সানরাইজ কিন্ডারগার্টেনের ষষ্ঠ শ্রেণির শিক্ষার্থী। ঘটনার সময় তারা ভবনটির নিচতলায় আরবি পড়তে গিয়েছিল। নিহত সোয়েব বাবুরাইলের মৃত শাহাবুদ্দিনের ছেলে আর ওয়াজেদ একই এলাকার বাবুল মিয়ার ছেলে।

গতকাল রবিবার বিকেলে নগরের বাবুরাইলের শেষ মাথায় কেউট্টার বাড়ি (বড় বাড়ি) এলাকায় এইচএম ম্যানশন নামের ওই বাড়িটি পাশের খালের ওপর কাত হয়ে ধসে পড়ে। এ সময় অল্পের জন্য রক্ষা পেয়েছে সামনে থাকা একটি টিনশেড বাড়ি। ধসে পড়া বাড়িটির মালিক তিন ভাই-বোন। তাঁদের মধ্যে আজাহার হোসেন মালয়েশিয়াপ্রবাসী। বাড়িতে তাঁর দুই বোন দ্বিতীয় ও তৃতীয় তলায় বসবাস করেন। স্থানীয়রা জানায়, বাড়িটি মূলত খালের ওপর তৈরি এবং এর পাইলিং ঠিকমতো হয়নি। বিষয়টি স্থানীয়রা মালিকদের জানিয়েছিল। এদিকে দুর্ঘটনার খবর পেয়ে ফায়ার সার্ভিসের বেশ কয়েকটি দল উদ্ধার অভিযান শুরু করে। সরেজমিনে গিয়ে দেখা গেছে, বাড়ির তিনতলার ওপর চারতলার ছাদ দেওয়া, প্রতিটি ফ্লোরে একটি করে ফ্ল্যাট। বাড়িটির নিচতলা সীমান্ত নামে একজনের কাছে ভাড়া দেওয়া। ঘটনার সময় দ্বিতীয় ও তৃতীয় তলায় থাকা মালিক দুই বোনের পরিবার একটি বিয়ের অনুষ্ঠানে ছিল। এ কারণে দুর্ঘটনা থেকে বেঁচে যায় অনেকে।

নারায়ণগঞ্জ ফায়ার সার্ভিস অ্যান্ড সিভিল ডিফেন্সের উপসহকারী পরিচালক আবদুল্লাহ আল আরেফিন বলেন, ‘খবর পেয়ে ঢাকা ও নারায়ণগঞ্জের চারটি টিম উদ্ধারকাজে অংশ নেয়।