দেশভাগে বিচ্ছিন্ন, ৭৪ বছর পর দুই ভাইয়ের দেখা

36
দেশভাগে
Social Share

দেশভাগে – ব্রিটিশ শাসন ভারতবর্ষ ভাগ করে হৃদয় পুড়িয়েছে কোটি কোটি মানুষের। বিচ্ছেদ হয়েছে এলাকায়, প্রতিবেশীতে, বন্ধুত্বে। এমনকি লাখ লাখ পরিবার তাদের প্রিয়মুখ থেকে আলাদা হয়েছে। মাঝে মাঝে সেই বিচ্ছেদ মেটে ভারত পাকিস্তান সীমান্তে। অনেকেই আসেন প্রিয়জনকে একপলক দেখে আসার জন্য। এবার সীমান্তে লেখা হলো এক নতুন ইতিহাস।

ভারতীয় গণমাধ্যম এনডিটিভির এক প্রতিবেদনে বলা হয়, ভারত পাকিস্তান ভাগ হওয়ার পর ৭৪ বছর বিচ্ছেদে থাকা দুই ভাই একে অপরকে ছুঁয়ে দেখলেন। জড়িয়ে ধরলেন। মশগুল হলেন ছোটবেলার গল্পে। তাদের নাম ভাই সিদ্দিক ও হাবিব।

১৯৪৭ থেকে ২০২১। দেশভাগের কাঁটা তারের বেড়ায় বিচ্ছিন্ন হয়েছেন ততদিনে বহু মানুষ। বিচ্ছিন্ন হয়েছে বহু ভাই। এমনই দুই ভাই সিদ্দিক ও হাবিবও। বর্তমানে সিদ্দিক পাকিস্তানের ফৈজলাবাদের বাসিন্দা। আর হাবিব থাকেন ভারতের পাঞ্জাবের ফুল্লানওয়ালে। 

জানা যায়, ৭৪ বছর পর দুই ভাই একে অপরকে জড়িয়ে ধরলেন কার্তারপুর করিডরে। ভারত-পাক সীমান্ত লাগোয়া পাকিস্তানের গুরু দরবার সাহিবে এই মিলন দৃশ্য ততক্ষণে আনন্দাশ্রু এনে দিয়েছে বহুজনের চোখে। 

জানা যায়, দেশভাগ যখন হয়েছিল, তখন সিদ্দিক খুবই ছোট ছিলেন। সে পাকিস্তানে বড় হতে থাকে। আর বাবার সঙ্গে ভারতের বুকে বেড়ে উঠতে থাকে বড় ভাই হাবিব। আবারও একবার ভাইয়ের সঙ্গে দেখা করে উচ্ছ্বসিত হাবিব ফিরে যান ছোটবেলার কথায়। প্রবীণ এই ভারতীয় প্রশংসা করেন এমন মিলনের নেপথ্যে থাকা উদ্যোগের।

ভাইকে জানান, এই করিডর দিয়েই ফের তারা দেখা করবেন। তারা ভারত ও পাকিস্তানের সরকারের উদ্যোগকে স্বাগত জানান। ভিসাহীনভাবে এই সাক্ষাতে পাকিস্তান সরকারের অনুমোদনকেও স্বাগত জানান হাবিব।

………………………………………………………………………………………………….

জানা যায়, ৭৪ বছর পর দুই ভাই একে অপরকে জড়িয়ে ধরলেন কার্তারপুর করিডরে। ভারত-পাক সীমান্ত লাগোয়া পাকিস্তানের গুরু দরবার সাহিবে এই মিলন দৃশ্য ততক্ষণে আনন্দাশ্রু এনে দিয়েছে বহুজনের চোখে। 

জানা যায়, দেশভাগে যখন হয়েছিল, তখন সিদ্দিক খুবই ছোট ছিলেন। সে পাকিস্তানে বড় হতে থাকে। আর বাবার সঙ্গে ভারতের বুকে বেড়ে উঠতে থাকে বড় ভাই হাবিব। আবারও একবার ভাইয়ের সঙ্গে দেখা করে উচ্ছ্বসিত হাবিব ফিরে যান ছোটবেলার কথায়। প্রবীণ এই ভারতীয় প্রশংসা করেন এমন মিলনের নেপথ্যে থাকা উদ্যোগের।

ভাইকে জানান, এই করিডর দিয়েই ফের তারা দেখা করবেন। তারা ভারত ও পাকিস্তানের সরকারের উদ্যোগকে স্বাগত জানান। ভিসাহীনভাবে এই সাক্ষাতে পাকিস্তান সরকারের অনুমোদনকেও স্বাগত জানান হাবিব।