‘দুই একজন নেগেটিভ মানুষ আপনার জীবন শেষ করে দিতে পারে’

45
Social Share

আমি সবসময়ই নিজের কাজ নিজে তদারকি করতে পছন্দ করি। এমনকি কোরবানির পশু কেনা, জবাই থেকে শুরু করে শেষ পর্যন্ত নিজেই তদারকি করি। আজ মাংস কাটাকাটি করার এক পর্যায়ে গরু এবং খাসির মগজ দুটি ভিন্ন সময়ে হাতে নিয়ে অনেকক্ষণ বসে ছিলাম। চিন্তা করে দেখুন মগজের বাহ্যিক গঠনগত দিক থেকে কতোটা মিল। এরপর মানুষের মগজের কথা মনে হলো। আমাদের সবাইকেই আল্লাহ একই রকম মগজ দিয়েছেন। কিন্তু ব্যবহার কতজন করতে পারছি। যারা নিজ বুদ্ধিতে চলেন তাদের কাছে পৃথিবীর বড় সমস্যাগুলোও কতো সহজ মনে হয়। এমনকি নিজে সমাধান করতে না পারলেও কোনো জ্ঞানী মানুষের পরামর্শ নেন। অপরদিকে, যারা নিজ বুদ্ধিতে চলতে পারে না স্বভাবতই তারা কিছু নেগেটিভ লোকজনে তাদের চারপাশটা ভরিয়ে ফেলে। এই নেগেটিভ লোকগুলোও না পারে নিজের ভালো করতে, না পারে এই বোকা লোকটাকে বিপদ থেকে উদ্ধার করতে।

নেগেটিভ লোকগুলো থেকে সাবধানে থাকবেন। এরা শুধুই অন্যের সমালোচনা আর নিজেদের বড় করায় ব্যস্ত থাকবে। মনে রাখবেন, যে বড় সে আপনা-আপনি বড়। সে কখনো আপনাকে ধরিয়ে দিবে না যে সে বড়। নিজের বুদ্ধি খরচে অনেক আলসেমি করলেও অন্তত আশেপাশের মানুষ বিবেচনায় বুদ্ধি খরচ করুন। বেশি না সত্যিকারের দুই একজন মানুষের যথাযথ ছত্রছায়ায় থাকতে পারলেই অন্তত অনেক ভুল জীবন থেকে দূর হয়ে যাবে। আবার নেগেটিভ দুই একজন মানুষও আপনার জীবন শেষ করে দিতে পারে।

আবার জ্ঞানী মানুষরাও যে একেবারে ভুল করেন না, তা নয়। তবে সেই ভুলে অন্তত নিজের ক্ষতি হলেও অন্যের ক্ষতি হয় না, তা অনেকটাই নিশ্চিত। তাই আপনার ক্ষতিও তার দ্বারা হবে না। অনেকে বলবেন, কোনো এক জ্ঞানী লোক দ্বারা তাদের ক্ষতি হয়েছিলো; তাদের বলছি “আপনার চেনা ওই লোকটি জ্ঞানী ছিলো না, চতুর ছিলো। যা আপনি ধরতে পারেননি।”

যাই হোক ইদের দিনে এতো ভারী ভারী কথার পর সবাইকে ব্যাকরণগত শুদ্ধ ইদ মোবারাক এবং প্রচলিত ঈদ মোবারক/মুবারক এর অনেক অনেক শুভেচ্ছা। বি: দ্র: নিজস্ব ধারণ ক্ষমতার বাহিরে গোশত খেয়ে কেউ হুশ হারাবেন না আশা রাখছি।

(ফেসবুক থেকে সংগৃহীত)