দীর্ঘদিন ধরে চলা সৌদি আরব কাতারের তিক্ত বিবাদের অবসান ঘটতে যাচ্ছে

6
Social Share

ডেস্ক রিপোর্ট: সৌদি আরব কাতারের সাথে তার স্থল ও সমুদ্র সীমান্ত আবার খুলে দিতে রাজি হয়েছে বলে কুয়েত সরকার জানিয়েছে। এর মধ্যে দিয়ে উপসাগরীয় এই দুটি দেশের মধ্যে দীর্ঘদিন ধরে চলা বিবাদের অবসান ঘটতে যাচ্ছে।

সৌদি আরবে উপসাগরীয় দেশগুলোর এক শীর্ষ সম্মেলন অনুষ্ঠিত হচ্ছে আগামীকাল, মঙ্গলবার। তার আগেই এই গুরুত্বপূর্ণ কূটনৈতিক সমঝোতা হয়েছে বলে জানা যাচ্ছে।

এই সম্মেলনে যোগ দিতে উপসাগরীয় দেশগুলোর নেতারা সৌদি আরবে পৌঁছেছেন।

এই সম্মেলনে কাতারের ওপর তিন বছর আগে জারি করা নিষেধাজ্ঞা সৌদি আরব প্রত্যাহার করে নেবে বলে আশা করা হচ্ছে।

আল-উলায় পৌঁছানোর পর কাতারের আমীর শেখ তামিম বিন হামাদ আল থানিকে স্বাগত জানিয়েছেন সৌদি যুবরাজ মোহাম্মদ বিন সালমান।

গতকাল (সোমবার) রাতে সৌদি আরব তার প্রতিবেশি দেশ কাতারের সাথে সীমান্ত পথ খুলে দিয়েছে এবং আমেরিকার একজন উর্ধ্বতন কর্মকর্তা বলেছেন দুই দেশের মধ্যে বিভেদ অবসানের লক্ষ্যে একটি চুক্তি স্বাক্ষরিত হবে।

কাতার সন্ত্রাসীদের মদত জোগাচ্ছে এই অভিযোগ তুলে সাড়ে তিন বছর আগে সৌদি আরব, সংযুক্ত আরব আমীরাত, বাহরাইন এবং মিশর কাতারের সাথে সম্পর্ক ছিন্ন করে।

কাতার তাদের অভিযোগ অস্বীকার করে এবং এই সঙ্কট শুরুর সময় এই দেশগুলো কাতারের কাছে যেসব দাবি জানিয়েছিল সেসব দাবিও কাতার প্রত্যাখান করেছিল। এই দাবিগুলোর মধ্যে ছিল ইরানের সাথে কূটনৈতিক সম্পর্ক সীমিত করা এবং দোহা ভিত্তিক আল জাজিরা নেটওয়ার্ক বন্ধ করে দেয়া।

সাম্প্রতিক কয়েক মাসে এই বিবাদ নিষ্পত্তির জন্য আমেরিকা সৌদি আরবের ওপর চাপ বৃদ্ধি করেছিল। তারা জোর দিয়ে আসছিল যে ইরানকে একঘরে করার জন্য উপসাগরীয় দেশগুলোর মধ্যে সংহতির প্রয়োজন।

কাতার খুবই ছোট একটি দেশ হলেও বেশ ধনী একটি উপসাগরীয় রাষ্ট্র। তারা জিহাদী কর্মকাণ্ডে মদত জোগানোর অভিযোগ প্রথম থেকেই অস্বীকার করেছে।

২০১৭ সালের জুন মাসে চারটি প্রতিবেশি দেশ যখন কাতারের উপর অর্থনৈতিক এবং কূটনৈতিক নিষেধাজ্ঞা দিয়েছিল কাতার সেটাকে “অবরোধ” হিসাবে বর্ণনা করে এসেছে এবং আমেরিকান সরকার এই সমস্যা সমাধানের জন্য সৌদি আরবের ওপর চাপ বাড়িয়েছে।