দহন ও বিজয়ের যৌথ শক্তি অপরাজেয়

3
Social Share

আমি দাম দিয়ে কিনেছি বাংলা কারোর দানে পাওয়া নয়।

১৪ ও ১৬ ডিসেম্বরকে সামনে রেখে খ্যাতিমান গীতিকার ও সুরকার আবদুল লতিফ কর্তৃক রচিত গানের দুটি লাইন উদ্ধৃতির মাধ্যমে আজকের লেখাটি শুরু করাই অত্যন্ত প্রাসঙ্গিক ও উপযুক্ত বলে আমার কাছে মনে হয়েছে। ১৬ ডিসেম্বর বিজয় দিবস। অসীম দিগন্তহীন ও অফুরান্ত আনন্দ-উচ্ছ্বাসের সঙ্গে ১৪ ডিসেম্বরে বুদ্ধিজীবীদের হত্যার ঘটনা ওতপ্রোতভাবে জড়িত, যার বেদনাও একই রকম সীমাহীন। বিজয় আমাদের শ্রেষ্ঠ অনুপ্রেরণার জায়গা এবং অনন্তকালের জন্য সাহস ও শক্তির উৎসস্থল। পাকিস্তান দখলদার বাহিনীর সুদূরপ্রসারী পরিকল্পনার অংশ হিসেবে বাংলার মাটি থেকে উৎপত্তি হওয়া আলবদর, রাজাকার কর্তৃক একাত্তরের ১৪ ডিসেম্বর বাংলাদেশের শ্রেষ্ঠ মানুষগুলোকে হত্যা করার মধ্য দিয়ে জন্ম নেওয়া বেদনা ও তার দহনে উৎপত্তি হওয়া চেতনাও কিন্তু একইভাবে অফুরান্ত শক্তির উৎসস্থল। এটা অনেকেই বুঝতে ভুল করেন। শুধু বিজয় অথবা শুধু দহনের আলাদা আলাদা যে শক্তি, তার চেয়ে দুইয়ের মিশ্রিত শক্তির দৈর্ঘ্য, প্রস্থ, উচ্চতা এবং ব্যস ব্যাসার্ধ অনেক অনেক বড় ও বিস্তৃত। একাত্তরে পাকিস্তানি মূর্খরা স্বতঃসিদ্ধ এই সত্যকে উপলব্ধি করতে ব্যর্থ হয়েছে বিধায় তার করুণ পরিণতি তাদের ভোগ করতে হয়েছে। কিন্তু অনুতাপের বিষয় হলো, বাংলার মাটিতে জন্ম নেওয়া জামায়াত, মুসলিম লীগসহ তাদের ঔরসজাত আলবদর, রাজাকাররা তখনো যেমন বুঝতে পারেনি, এত বছরে এখনো তারা সেটি উপলব্ধি করতে পারছে না। এদেশীয় এই কুলাঙ্গাররা বাংলার মাটির সব ঐশ্বর্যে লালিত পালিত হয়ে বাংলার স্বাধীনতা ও মানুষের মুক্তির বিরুদ্ধে একাত্তরে যেমন পাকিস্তানিদের সঙ্গে একত্রিত হয়ে ঔদ্ধত্যের সব সীমা লঙ্ঘন করেছে, তেমনি এখনো করার চেষ্টা করছে। তা না হলে স্বাধীনতার সুবর্ণজয়ন্তীর দ্বারপ্রান্তে দাঁড়িয়ে বাংলাদেশের স্বাধীনতার এক নম্বর ও শ্রেষ্ঠ প্রতীক বঙ্গবন্ধুর ভাস্কর্য নিয়ে ঔদ্ধত্যপূর্ণ আচরণ করত না। জামায়াত, হেফাজত, খেলাফত মজলিসসহ সব ধর্মান্ধ উগ্রবাদী গোষ্ঠী এবং ১৯৭৫ সালের পর তাদের  পুনর্জন্মদাতা সামরিক শাসক ও তার বর্তমান উত্তরসূরিদের ঠিকুজির তালাশ নিলে দেখা যাবে এরা সবাই কোনো না কোনোভাবে সত্তর-একাত্তরে পাকিস্তানি সেনাবাহিনীর সহযোগী ও সমর্থক ছিল। এরা সাতচল্লিশের চেতনায় বিশ্বাস করে, একাত্তরের চেতনায় নয়। পাকিস্তানের শোচনীয় পরাজয়ের কারণ থেকে তারা সামান্য শিক্ষাও নেয়নি। ধর্মীয় উন্মাদনা ছড়িয়ে, ধর্মের নামে মানুষ হত্যা করে কোনোকালেই পৃথিবীতে কিছু অর্জন করা সম্ভব হয়নি। পাকিস্তানি শাসক গোষ্ঠী কত বড় আহম্মক ছিল সেটা বোঝা যায় যখন তারা একাত্তরের ২৫ মার্চ রাতে লিখিত আদেশের মাধ্যমে বেসামরিক এলাকায় আক্রমণ এবং বেসামরিক মানুষকে সুনির্দিষ্টভাবে টার্গেট করে হত্যাযজ্ঞ চালায়, যা আন্তর্জাতিক আইনের চরম লঙ্ঘন। পৃথিবীর বহু জায়গায় গণহত্যা হয়েছে, কিন্তু কেউ সেটা লিখিত আদেশ দ্বারা করেনি। গোঁয়ারতুমি আর আহম্মকিপনার বিরল উদাহরণ সৃষ্টি করেছে পাকিস্তানিরা। একাত্তরে পাকিস্তানের সেনাবাহিনী প্রধান জেনারেল হামিদ খানকে প্রেসিডেন্ট ইয়াহিয়া বলেছিলেন, বড় করে একটা ভেঙচি দিলেই বাঙালিরা সব গর্তের মধ্যে ঢুকে যাবে। এ কারণেই শিল্পী কামরুল হাসান এঁকেছিলেন সেই বিখ্যাত দানবের চিত্র, যার নিচে ক্যাপশন ছিল- এই জানোয়ারকে হত্যা করুন। কামরুল হাসান আজ বেঁচে থাকলে হয়তো বঙ্গবন্ধুর ভাস্কর্য ভাঙার হুকুম ও উসকানিদাতাদের নিয়ে সেরকম আরেকটি ছবি আঁকতেন। বঙ্গবন্ধুর ভাস্কর্য ভাঙা মানে বাংলাদেশকে ভাঙা, রাষ্ট্রদ্রোহের সর্বোচ্চ অপরাধ। সাম্প্রতিক কিছু চাঞ্চল্যকর মামলার রায় যেমন দুই-তিন মাসের মধ্যে হয়েছে, তেমনি কুষ্টিয়ায় বঙ্গবন্ধুর ভাস্কর্য ভাঙার অপরাধে ধৃত দুুর্বৃত্তদের বিরুদ্ধে মামলাও যেন সেরকম স্বল্প সময়ে সম্পন্ন এবং সর্বোচ্চ শাস্তি নিশ্চিত হয়, সেটাই বাংলাদেশের মানুষ দেখতে চায়। ধর্মান্ধ দুর্বৃত্তরা ক্ষমা বা অনুকম্পার ভাষা বোঝে না। বিশ্বব্যাপী যেখানেই রাষ্ট্রপক্ষ এদের ক্ষমা ও অনুকম্পা দেখিয়েছে, সেখানেই তারা আরও বেপরোয়া হয়েছে। বাংলাদেশসহ বিশ্বের সব উগ্রবাদী জিহাদিদের জন্মদাতা ১৯২৮ সালে গঠিত মিসরের ব্রাদারহুডের ইতিহাস সে কথাই বলে। ১৯৪৮ সালের ডিসেম্বরে ব্রাদারহুডের প্রতিষ্ঠাতা হাসান বান্নার অনুসারীদের হাতে কায়রোর প্রধান পুলিশ কর্মকর্তা নিহত হন। বাদশা ফারুক ব্রাদারহুডকে নিষিদ্ধ এবং তার বহু সদস্যকে জেলে ঢোকান। কিন্তু এক ধরনের আপসের পথ খোলা রাখতে বাদশা ফারুক হাসান বান্নাকে সে সময় গ্রেফতার করা থেকে বিরত থাকেন। কিন্তু কয়েক দিনের মাথায় হাসান বান্নার হুকুমে উগ্রবাদীরা মিসরের প্রধানমন্ত্রী নুরশী পাশাকে হত্যা করে। ১৯৪৯ সালের ১২ ফেব্রুয়ারি পুলিশের গোপন সংস্থার গুলিতে হাসান বান্না নিহত হন। ১৯৫২ সালের ২৩ জুলাই সামরিক অভ্যুত্থানে মিসরের বাদশা ফারুক ক্ষমতাচ্যুত হন। জেনারেল নাজিবের পরে জামাল আবদেল নাসের ক্ষমতায় এলে ব্রাদারহুডের পরবর্তী নেতা সাঈদ কুতুব প্রথমদিকে নাসেরকে সমর্থন দেন। কিন্তু অল্পদিনের মাথায় সাঈদ কুতুবের নেতৃত্বে ব্রাদারহুডের চরম উগ্রবাদী কর্মকান্ড শুরু হয়। সাঈদ কুতুব গ্রেফতার হন। বিচারে তার ১৫ বছরের জেল হয়। কিন্তু ১৯৬৪ সালে ইরাকি প্রেসিডেন্ট আবদুস ছালাম আরিফের অনুরোধে নাসের সাঈদ কুতুবকে মুক্তি দেন। মুক্ত হওয়ার পরপরই নাসেরকে হত্যা করার ষড়যন্ত্রের সঙ্গে জড়িত থাকার অভিযোগে আবার গ্রেফতার হন সাঈদ কুতুব। সুতরাং দুই সহযোগীসহ ১৯৬৬ সালে সাঈদ কুতুবকে ফাঁসির কাষ্ঠে ঝুলতে হয়। নাসেরের মৃত্যুর পর আনোয়ার সাদাত ক্ষমতায় এসে ব্রাদারহুডের সঙ্গে আপসের পথ গ্রহণ করেন। এতদিন বন্দী থাকা ব্রাদারহুডের প্রায় সব সদস্যকে মুক্ত করে দেন। কিন্তু ১৯৮১ সালে ব্রাদারহুডের এক সদস্যের গুলিতে নিহত হন আনোয়ার সাদাত। সুতরাং ইতিহাস সাক্ষী দেয়, ধর্মান্ধ উগ্রবাদী গোষ্ঠী আপস, ক্ষমা ও অনুকম্পার মূল্য বোঝে না। বাংলাদেশে আজ তারা ভাস্কর্যকে মূর্তি আখ্যা দিয়ে বলছে, শতকরা ৯০ ভাগ মুসলমানের দেশে ভাস্কর্য, তাদের ভাষায় মূর্তি থাকবে না। ৯৮ ভাগ মুসলমানের দেশ ইরান, ইরাকে তাহলে হুবহু একই রকম ভাস্কর্য আছে কী করে। আসলে পাকিস্তানের গোয়েন্দা সংস্থা আইএসআইয়ের এজেন্ডা বাস্তবায়নের জন্য তারা নিজেদের মতো করে ধর্মের ব্যাখ্যা দিচ্ছে। ২০০১ সালে এদের জানি দোস্ত তালেবান বাহিনী আফগানিস্তানে হাজার বছরের পুরনো বুদ্ধের ভাস্কর্য ভেঙে ফেললে সে বছর ৩০-৩১ অক্টোবর কাতারের রাজধানী দোহাতে কনফারেন্স অব উলেমা অন ইসলাম অ্যান্ড কালচারাল হেরিটেজ শীর্ষক সম্মেলন হয়। তাতে আরব লীগ, ওআইসিসহ বিশ্বের সব দেশ থেকে শীর্ষ আলেমরা যোগ দেন। বাংলাদেশের মানুষকে আমি অনুরোধ করব সেই সম্মেলনের প্রসিডিং যেন একবার পড়ে দেখেন, তাহলে এদেশীয় ধর্মান্ধদের সব মুখোশ উন্মোচন হয়ে যাবে। ওআইসি, আরব লীগসহ অংশগ্রহণকারী সব শীর্ষ আলেম ভাস্কর্যের পক্ষে মতামত দিয়েছেন। পবিত্র কোরআনের ৩৪তম সুরার নাম সাবা। এই সুরার ১৩তম আয়াতের অর্থ তারা সোলায়মানের (আ.) ইচ্ছানুযায়ী দুর্গ, ভাস্কর্য নির্মাণ করত।

এখানে শুধু প্রাসঙ্গিক অংশের অর্থ উল্লেখ করা হলো। সৌদি আরবের মদিনা থেকে প্রকাশিত বাংলা অর্থ সংবলিত পবিত্র কোরআনের ১১০৩ পৃষ্ঠায় উল্লিখিত সুরার ১৩তম আয়াতের অর্থ এরকমই লেখা আছে। সুতরাং ভাস্কর্যকে মূর্তি আখ্যা দিয়ে তারা যে বক্তব্য দিচ্ছে তা সম্পূর্ণ মনগড়া, ভিত্তিহীন, যুক্তিহীন। এদের উদ্দেশ্য ভিন্ন। জন্মশতবার্ষিকীতে বঙ্গবন্ধুকে অপমান করার জন্য পাকিস্তানি গোয়েন্দা সংস্থার নীলনকশা অনুসারে তারা উন্মাদনায় মেতে উঠেছে। বঙ্গবন্ধুর ওপর পাকিস্তানিরা ক্ষিপ্ত হয়ে আছে সেই একাত্তর থেকে। ১৯৭৫ সালে বঙ্গবন্ধুকে হত্যার পিছনে মূল ভূমিকা তো পাকিস্তানই রেখেছে। এ কারণে দেখা যায় পঁচাত্তরের হত্যাকান্ডের প্রধান সুবিধাভোগী প্রথম সামরিক শাসক পাকিস্তানের লক্ষ্যকে বাস্তবায়নের জন্য মৃত মুজিবের ওপর সীমাহীন মিথ্যাচার আর প্রপাগান্ডার মাধ্যমে আঘাতের পর আঘাত করেছে। কিন্তু এখন তারা দেখতে পারছে সব অপচেষ্টা ব্যর্থ হয়েছে। মৃত মুজিব শতগুণে শক্তিশালী হয়ে সারা বাংলাদেশে বিরাজমান তো আছেই, অধিকন্তু বিশ্বব্যাপী ছড়িয়ে পড়ছে মুজিবের শক্তি। প্রায় শতকরা ৯৮ ভাগ মুসলমানের দেশ তুরস্ক। তারা বঙ্গবন্ধুর ভাস্কর্য নির্মাণ করবে সেখানে। সুতরাং বাংলাদেশি উগ্রবাদীরা যা বলছে তার সঙ্গে ধর্ম ও ইসলামের কোনো সম্পর্ক নেই। তারা কোনো যুক্তি দিতে পারছে না। তাই এটা এখন দিনের মতো পরিষ্কার, তারা বাংলাদেশের খেয়ে পরে একাত্তরের মতোই পাকিস্তানি এজেন্ডা বাস্তবায়নের অপচেষ্টা করছে। কিন্তু একাত্তরে তারা সফল হয়নি, আর ভবিষ্যতেও কোনো দিন সফল হবে না। একাত্তরে এরা পাকিস্তানকে আল্লাহর ঘর বলেছিল। অথচ দুনিয়ার সব মানুষ জানে পৃথিবীতে আল্লাহর ঘর একটাই আছে, সৌদি আরবের মক্কাতে। ধর্মের নামে ভন্ডামি, নারীর অবমাননা ও গণহত্যা চালায়, কী রাজনৈতিক, কী সশস্ত্র যুদ্ধ, কোনোটায়ই জয়লাভ করা যায় না, এটা যেমন একাত্তরে বাংলাদেশে প্রমাণিত হয়েছে, তেমনি মানব সভ্যতার ইতিহাসেও এটি প্রমাণিত স্বতঃসিদ্ধ। পৃথিবীতে সর্বাপেক্ষা বৃহৎ সংখ্যক মানুষের অনুসারী খ্রিস্টান ধর্মের ধর্মগুরুরা রাজনৈতিক ও রাষ্ট্র ক্ষমতাকে কুক্ষিগত রাখতে ধর্মের অপব্যাখ্যা ও ভ সেক্টর উদ্ভবের ফলে ষোড়শ ও সপ্তদশ শতকে প্রায় ১১৯ বছর যাবৎ ধর্মীয় সেক্টারিয়ান সশস্ত্র যুদ্ধে ইউরোপ বিরান ভূমিতে পরিণত হয়। ধ্বংসস্তূপের দ্বারপ্রান্তে পৌঁছে সব পক্ষের শুভ বুদ্ধির উদয় হয়। ১৬৪৮ সালে বিশ্বখ্যাত ওয়েস্ট ফেলিয়া শান্তি চুক্তির মাধ্যমে তারা রাষ্ট্র ও রাজনীতি থেকে ধর্মকে সম্পূর্ণ আলাদা করে নেয়। শুরু হয় ধর্মনিরপেক্ষ রাষ্ট্র ব্যবস্থার পথযাত্রা। তাতে খ্রিস্টান ধর্মের কোনো ক্ষতি হয়নি, বরং উদার, গণতান্ত্রিক নীতির ফলে ইউরোপ পৃথিবীর শ্রেষ্ঠ জাতিতে পরিণত হয় এবং এক দীর্ঘ সময় ধরে তারা সারা বিশ্বকে শাসন করে। অনুসৃত রাষ্ট্রীয় আদর্শের কারণেই বাংলাদেশের চেয়ে সব দিক থেকে পাকিস্তান এখন অনেক পিছনে পড়ে গেছে। তারপরও বাংলাদেশি ধর্মান্ধদের হুঁশ হয় না। একাত্তরের ২৫ মার্চ থেকে বাংলাদেশে পাকিস্তান সেনাবাহিনী হত্যাযজ্ঞ চালাতে থাকে, যার চরম বহির্প্রকাশ ঘটে ১৪ ডিসেম্বর বুদ্ধিজীবী হত্যার মধ্য দিয়ে।

পাকিস্তানিরা ভেবেছিল বুদ্ধিজীবীহীন বাংলাদেশ একটা পঙ্গু রাষ্ট্র হিসেবে স্বাধীনতা লাভ করলেও টিকে থাকতে পারবে না এবং এদেশীয় বিশ্বাসঘাতকদের সহযোগিতায় তারা পুনরায় এটাকে পাকিস্তান বানাতে পারবে। ১৯৭৫ সালের পর দীর্ঘ সময় ধরে সেই চেষ্টা হয়েছে। কিন্তু তারা সফল হয়নি। তবে এই চেষ্টা তারা অব্যাহত রাখবে। কিন্তু বিগত সময়ের মতো আগামীতেও তারা সফল হবে না। রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর বলেছেন, বেদনার দহনে মানুষের জীবন পুণ্যময় হয়। পুণ্যময় প্রাণের শক্তি অপরাজেয়, যা বাংলাদেশের মানুষের মধ্যে রয়েছে। সুতরাং বিজয়ের প্রেরণা, আর দহনের পুণ্যময়তার সম্মিলিত শক্তিকে কেউ পরাজিত করতে পারবে না। সবাইকে বিজয়ের মাসের শুভেচ্ছা।

 

মেজর জেনারেল এ কে মোহাম্মাদ আলী শিকদার পিএসসি (অব.)

লেখক : রাজনৈতিক ও নিরাপত্তা বিশ্লেষক।

[email protected]