তালেবান : আবার জনসমক্ষে দেখা দিলেন সর্বোচ্চ নেতা হায়বাতুল্লাহ্ আখুনজাদা

74
তালেবান
Social Share

তালেবান আফগানিস্তান এ তালেবানের নিভৃতচারী নেতা হায়বাতুল্লাহ্ আখুনজাদা দক্ষিণাঞ্চলীয় শহর কান্দাহারে জনসমক্ষে বিরল এক ভাষণ দিয়েছেন। পাঁচ বছর আগে তালেবানের সর্বোচ্চ নেতা নির্বাচিত হওয়ার পর থেকে তাকে কখনই জনসমক্ষে দেখা যায়নি।

গত অগাস্ট মাসে তালেবান আফগানিস্তানের শাসন ক্ষমতা দখল করার পরও তিনি নজরের আড়ালেই থেকে যান। এর ফলে তালেবান সরকারে তার কী ভূমিকা হতে পারে তা নিয়ে জল্পনাকল্পনা শুরু হয়। এমনকি তিনি বেঁচে আছেন কিনা তা নিয়েও গুজব রটে।

মার্কিন ড্রোন হামলায় মুল্লাহ্ আখতার মনসুরের হত্যার পর ২০১৬ সালে পাকিস্তানের কোয়েটায় বিক্ষোভ।
মার্কিন ড্রোন হামলায় মুল্লাহ্ আখতার মনসুরের হত্যার পর ২০১৬ সালে পাকিস্তানের কোয়েটায় বিক্ষোভ।

বিবিসি সংবাদদাতারা জানাচ্ছেন, কান্দাহারের দারুল উলুম হিকমাহ্ মাদ্রাসায় শনিবার তিনি যে ভাষণ দিয়েছেন তার কোন ছবি বা ভিডিও পাওয়া যাচ্ছে না। তবে তার ১০-মিনিটের ভাষণের একটি অডিও তালেবানের সোশাল মিডিয়ায় ছড়িয়ে পড়েছে।

এই ভাষণে, তার ভাষায়, অবিশ্বাসীদের বিরুদ্ধে যারা ২০ বছর ধরে লড়াই করেছে তিনি তাদের জন্য আল্লাহ্‌’র কাছে দোয়া প্রার্থনা করেন।

দু’হাজার ষোল সালে তালেবানের তৎকালীন প্রধান মুল্লাহ্ আখতার মনসুর যুক্তরাষ্ট্রের একটি ড্রোন হামলায় নিহত হওয়ার পর হায়বাতুল্লাহ্ আখুনজাদা শীর্ষ নেতা নির্বাচিত হন। তার নির্বাচনটি আল কায়দা নেতা আইমান আল জোয়াহিরিরও সমর্থন লাভ করে।

তিনি মুল্লাহ্ আখুনজাদাকে ‘আমিরুল মুমিনিন’ (বিশ্বাসীদের নেতা) নামে ডাকেন।

ফরাসি বার্তা সংস্থা এএফপি জানাচ্ছে, আখতার মনসুরের হত্যার পর তালেবানের মধ্যে যে তিক্ত উপদলীয় কোন্দল শুরু হয় তখন সবার মধ্যে আপোষ মীমাংসার দায়িত্ব মি. আখুনজাদাকে দেয়া হয়।

বিবিসি সংবাদদাতারা জানাচ্ছেন, কান্দাহারের দারুল উলুম হিকমাহ্ মাদ্রাসায় শনিবার তিনি যে ভাষণ দিয়েছেন তার কোন ছবি বা ভিডিও পাওয়া যাচ্ছে না। তবে তার ১০-মিনিটের ভাষণের একটি অডিও তালেবানের সোশাল মিডিয়ায় ছড়িয়ে পড়েছে।

এই ভাষণে, তার ভাষায়, অবিশ্বাসীদের বিরুদ্ধে যারা ২০ বছর ধরে লড়াই করেছে তিনি তাদের জন্য আল্লাহ্‌’র কাছে দোয়া প্রার্থনা করেন।

দু’হাজার ষোল সালে তালেবানের তৎকালীন প্রধান মুল্লাহ্ আখতার মনসুর যুক্তরাষ্ট্রের একটি ড্রোন হামলায় নিহত হওয়ার পর হায়বাতুল্লাহ্ আখুনজাদা শীর্ষ নেতা নির্বাচিত হন। তার নির্বাচনটি আল কায়দা নেতা আইমান আল জোয়াহিরিরও সমর্থন লাভ করে। তিনি মুল্লাহ্ আখুনজাদাকে ‘আমিরুল মুমিনিন’ (বিশ্বাসীদের নেতা) নামে ডাকেন।

ফরাসি বার্তা সংস্থা এএফপি জানাচ্ছে, আখতার মনসুরের হত্যার পর তালেবানের মধ্যে যে তিক্ত উপদলীয় কোন্দল শুরু হয় তখন সবার মধ্যে আপোষ মীমাংসার দায়িত্ব মি. আখুনজাদাকে দেয়া হয়।