তাইওয়ান সফরে যুক্তরাষ্ট্রের কর্মকর্তারা, চীনের সামরিক মহড়া

Social Share

যুক্তরাষ্ট্রের শীর্ষ কর্মকর্তারা তাইওয়ান সফরে এসেছেন। কিন্তু তাইওয়ান যে আসলে চীনেরই অংশ তা বোঝানো এবং নিজেদের সার্বভৌমত্ব অক্ষূণ্ন রাখার জন্য চীন তাইওয়ানের জলসীমায় সামরিক মহড়া চালাচ্ছে। তাইওয়ান নিয়ে ওয়াশিংটন ও বেইজিংয়ের মতানৈক্যের জেরে চীন এই পদক্ষেপ নিয়েছে।

শুক্রবার চীনা প্রতিরক্ষা মন্ত্রণারয়ের মুখপাত্র রেন গুকিয়াং বলেন, যুক্তরাষ্ট্র ও তাইওয়ান গোলযোগের পথে হাঁটছে। তিনি অবশ্য চলমান সফরে অংশ নেয়া যুক্তরাষ্ট্রের শীর্ষ কর্মকর্তার নাম উল্লেখ করেননি। খবর বিবিসির।

গত কয়েক দশকের মধ্যে কিথ ক্যাচই হলেন যুক্তরাষ্ট্রের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের গুরুত্বপূর্ণ কর্মকর্তা হিসেব তাইওয়ান সফরে রয়েছেন। সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে যুক্তরাষ্ট্রের এই কর্মকর্তা বলেন, তাইওয়ানকে ব্যবহার করে চীনকে সোজা রাখার একটা আশাবাদী চিন্তার অংশ হিসেবে তার এই সফর। তিনি বলেন, যারা আগুন নিয়ে খেলা করতে চাইবে, তাদের হাত পোড়া যেতেই পারে।

তাইওয়ানের জলসীমায় চীন কোন ধরনের সামরিক মহড়া চালাচ্ছে, তা নিয়ে বিশদ কিছু বলেননি পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র রেন গুকিয়াং। তবে মহড়ায় চীনা পিপল’স লিবারেশন আর্মির সম্পৃক্ততা রয়েছে। তবে জাতীয় সার্বভৌমত্ব ও নিরাপত্তা রক্ষায় এটাকে আইনগত ও কার্যকর পদক্ষেপ বরে বর্ণনা করেন তিনি।

এদিকে তাইওয়ানের ক্ষমতাসীনরা যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে সম্পর্ক গড়ে তুলে বেইজিংকে চাপে রাখার একটা সুযোগ হিসেবে দেখছে পুরো বিষয়টাকে। এর মাধ্যমে তারা স্বাধীন ও সার্বভৌম রাষ্ট্র হিসেবে আন্তর্জাতিক সমর্থন লাভের আশা করছে।

তাইওয়ানের ক্ষমতাসীন দল এবং তার সমর্থকরা যুক্তরাষ্ট্রকে ট্রাম্পের অধীনে এবং বেইজিংয়ের সাথে উত্তেজনা ওয়াশিংটনের সাথে ঘনিষ্ঠ সম্পর্কের দিকে এগিয়ে যাওয়ার এবং স্বাধীন দেশ হিসাবে তাইওয়ানের আনুষ্ঠানিক আন্তর্জাতিক স্বীকৃতি অর্জনের লক্ষ্যে কাজ করার একটি সুযোগ হিসাবে দেখছে বলে মনে করেন বিশ্লেষকরা।