তসলিমা নাসরিন আবারও ফেসবুকে নিষিদ্ধ

65
তসলিমা নাসরিন
Social Share

তসলিমা নাসরিন – ভারতে বসবাসরত বাংলাদেশি লেখক তসলিমা নাসরিনকে আবারও নিষিদ্ধ করেছে ফেসবুক। এবার তাকে এক সপ্তাহের জন্য নিষিদ্ধ করা হয়েছে। গতকাল সোমবার টুইটারে দেওয়া এক টুইটে বিষয়টি জানিয়েছেন তিনি।

টুইটে তসলিমা বলেন, সত্য বলায় ফেসবুক আমাকে আবারও এক সপ্তাহের জন্য নিষিদ্ধ করেছে। তবে কবে থেকে ফেসবুকের নিষেধাজ্ঞার কবলে পড়েছিলেন সেবিষয়ে কিছু জানাননি তসলিমা নাসরিন। সোমবার সকাল ১০টা ৫১ মিনিটে অপর এক টুইট করেন বাংলাদেশি এই লেখক।

ওই টুইটে তিনি বলেন, ‘ইসলামপন্থীরা বাংলাদেশি হিন্দুদের বাড়িঘর এবং মন্দির ভাঙচুর করেছে। তারা বিশ্বাস করেন, হনুমানের কোলে কোরআন রেখেছেন হিন্দুরা। কিন্তু যখন জানা গেল যে হিন্দুরা নয়, ইকবাল হোসাইন এই কাজ করেছেন; তখন ইসলামপন্থীরা নীরব ছিলেন, ইকবালের বিরুদ্ধে তারা কিছু বলেননি। এটা লেখার জন্য ফেসবুক আমাকে নিষিদ্ধ করেছিল।’

এর আগে, চলতি বছরের ১৬ মার্চ ফেসবুক তাদের প্ল্যাটফর্মে তসলিমা নাসরিনকে ২৪ ঘণ্টার জন্য নিষিদ্ধ ঘোষণা করেছিল। ২০১৫ সালে তার অ্যাকাউন্ট ব্লক করে রেখেছিল সামাজিক যোগাযোগের মাধ্যমটি। এছাড়া বিভিন্ন সময়ে ফেসবুকের নীতি লঙ্ঘন করায় তার অনেক পোস্ট মুছে ফেলেছে ফেসবুক।

ভারতে বসবাসরত বাংলাদেশি লেখক তসলিমা নাসরিনকে আবারও নিষিদ্ধ করেছে ফেসবুক। এবার তাকে এক সপ্তাহের জন্য নিষিদ্ধ করা হয়েছে। গতকাল সোমবার টুইটারে দেওয়া এক টুইটে বিষয়টি জানিয়েছেন তিনি।

টুইটে তসলিমা বলেন, সত্য বলায় ফেসবুক আমাকে আবারও এক সপ্তাহের জন্য নিষিদ্ধ করেছে।

তবে কবে থেকে ফেসবুকের নিষেধাজ্ঞার কবলে পড়েছিলেন সেবিষয়ে কিছু জানাননি তসলিমা নাসরিন। সোমবার সকাল ১০টা ৫১ মিনিটে অপর এক টুইট করেন বাংলাদেশি এই লেখক।

ওই টুইটে তিনি বলেন, ‘ইসলামপন্থীরা বাংলাদেশি হিন্দুদের বাড়িঘর এবং মন্দির ভাঙচুর করেছে। তারা বিশ্বাস করেন, হনুমানের কোলে কোরআন রেখেছেন হিন্দুরা। কিন্তু যখন জানা গেল যে হিন্দুরা নয়, ইকবাল হোসাইন এই কাজ করেছেন; তখন ইসলামপন্থীরা নীরব ছিলেন, ইকবালের বিরুদ্ধে তারা কিছু বলেননি। এটা লেখার জন্য ফেসবুক আমাকে নিষিদ্ধ করেছিল।’

এর আগে, চলতি বছরের ১৬ মার্চ ফেসবুক তাদের প্ল্যাটফর্মে তসলিমা নাসরিনকে ২৪ ঘণ্টার জন্য নিষিদ্ধ ঘোষণা করেছিল। ২০১৫ সালে তার অ্যাকাউন্ট ব্লক করে রেখেছিল সামাজিক যোগাযোগের মাধ্যমটি। এছাড়া বিভিন্ন সময়ে ফেসবুকের নীতি লঙ্ঘন করায় তার অনেক পোস্ট মুছে ফেলেছে ফেসবুক।