ঢাবির হল শুধু পরীক্ষার্থীদের জন্য খুলছে ১৩ মার্চ

29
Social Share

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের স্নাতক চতুর্থ বর্ষ ও স্নাতকোত্তর শ্রেণীর পরীক্ষার্থীদের জন্য অগ্রাধিকার ভিত্তিতে হল খোলা হবে। ১৩ মার্চ হল খোলার পর ২৭ ও ২৮ মার্চ থেকে পরীক্ষা গ্রহণ করা যাবে।

আজ রবিবার ( ৩১ জানুয়ারি) বিশ্ববিদ্যালয়ের একাডেমিক কাউন্সিলের এক সভায় এ সিদ্ধান্ত গ্রহণ করা হয়েছে। বিশ্ববিদ্যালয়ের উপ-উপাচার্য (শিক্ষা) অধ্যাপক ড. এ এস এম মাকসুদ কামাল বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

বিশ্ববিদ্যালয়ের অনুষদের ডিন ও বিভাগগুলোর চেয়ারম্যানদের সাথে আলোচনা সাপেক্ষে হল প্রভোস্টরা শিক্ষার্থীদের তালিকা প্রকাশ করবে।

অধ্যাপক ড. এ এস এম মাকসুদ কামাল বলেন, ১৩ মার্চ থেকে অগ্রাধিকার ভিত্তিতে স্নাতক চতুর্থ বর্ষ ও স্নাতকোত্তরের আবাসিক পরীক্ষার্থীদের জন্য হল খোলার সিদ্ধান্ত হয়েছে। ডিন, বিভাগীয় চেয়ারম্যান ও ইনস্টিটিউটের পরিচালকদের সাথে আলোচনা করে অগ্রাধিকার ভিত্তিতে পরীক্ষার যে তারিখ নির্ধারণ করা হবে এবং যাদের জন্য নির্ধারণ করা হবে তারা শুধু হলে উঠতে পারবেন। তারা হলে ওঠার দুই সপ্তাহের মধ্যে তারা পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করতে পারবে। এরই মধ্যে স্ট্যান্ডার্ড প্রসিডিউর অনুযায়ী যেভাবে হলগুলোকে প্রস্তুত করা দরকার সেভাবে হলগুলোকে প্রস্তুত করা হবে। সে অনুযায়ী শিক্ষার্থীদের দিকনির্দেশনা প্রদান করা হবে। এর মধ্যে যাদের পরীক্ষার তারিখ ঘোষণা দেয়া হয়েছে তাদের পরীক্ষা চলমান থাকবে।’

পূর্ণাঙ্গ মাস্টার প্ল্যান প্রণয়ন করেছে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়

পরীক্ষা শেষে শিক্ষার্থীরা কি হলে অবস্থান করতে পারবে এমন প্রশ্নের জবাবে উপ-উপাচার্য জানান, এ বিষয়ে একাডেমিক কাউন্সিলে কথা হয়নি তবে প্রভোস্ট কমিটি সভায় আলোচনা হয়েছে। যেহেতু এটা কোভিড সময়কাল, শিক্ষার্থীদের জন্য অতিরিক্ত সতর্কতা প্রয়োজন। পরীক্ষা শেষে পরীক্ষার্থীরা যাতে হলে না থাকে সে বিষয়ে সুপারিশ করা হয়েছে।

ঢাবির হল খোলার বিষয়ে প্রশাসনের সাথে একমত ছাত্রদল

বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টর অধ্যাপক ড. এ কে এম গোলাম রাব্বানী বলেন, ‘বিভাগগুলোকে গাইডলাইন দেয়া হয়েছে, আগামী ৭ ফেব্রুয়ারির মধ্যে শিক্ষার্থীদের পরীক্ষার জন্য প্রস্তুত করবেন। স্বাস্থ্যবিধি মেনে বিভাগগুলোকে পরীক্ষার প্রস্তুতি নেয়ার জন্য বলা হয়েছে। ভর্তি পরীক্ষার বিষয়ে প্রক্টর বলেন, ভর্তির বিষয়ে ইতোমধ্যে দিক নির্দেশনা দেয়া হয়েছে। ভর্তির জন্য কাঠামোগত যেসব পরিবর্তন প্রয়োজন সেসব পরিবর্তন ইতোমধ্যে করা হয়েছে।

সরাসরি শিক্ষা কার্যক্রম শুরু হবে কিনা এমন প্রশ্নের জবাবে অধ্যাপক রাব্বানী বলেন, পরীক্ষার অভিজ্ঞতার ওপর নির্ভর করে সরাসরি শিক্ষা কার্যক্রমে যাওয়ার বিষয়ে আলোচনা হয়েছে। তবে এর আগ পর্যন্ত অনলাইন ক্লাস নেওয়ার যে সিদ্ধান্ত করোনাকালীন সময়ে নেয়া হয়েছে তা চলমান থাকবে।