ডিজিটাল নিরাপত্তা আইন অপপ্রয়োগ না করতে সরকার সচেষ্ট : ওবায়দুল কাদের

57
Social Share

‘ডিজিটাল বাংলাদেশের জন্য একদিকে ডিজিটাল নিরাপত্তা যেমন জরুরি, তেমনই এ আইনের অপপ্রয়োগ যাতে না হয়, সে বিষয়ে সরকার সচেষ্ট। সরকার মত প্রকাশের স্বাধীনতায় বিশ্বাসী।’

আজ রবিবার (২৮ ফেব্রুয়ারি) সকালে বাংলাদেশ রোড ট্রান্সপোর্ট অথরিটি (বিআরটিএ) আয়োজিত সেবা সপ্তাহের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে এসব কথা বলেন আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক এবং সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের। নিজের সরকারি বাসভবন থেকে ভিডিও কনফারেন্সের মাধ্যমে যুক্ত হন তিনি।

ওবায়দুল কাদের বলেন, ‘ডিজিটাল বাংলাদেশের জন্য একদিকে ডিজিটাল নিরাপত্তা যেমন জরুরি, তেমনই এ আইনের অপপ্রয়োগ যাতে না হয়, সে বিষয়ে সরকার সচেষ্ট। সরকার মত প্রকাশের স্বাধীনতায় বিশ্বাসী। স্বাধীনতা মানে এ নয় যে যার মতো যা খুশি বলার নিরঙ্কুশ বা একচেটিয়া অধিকার থাকবে। অন্যের মতামতকে সম্মান জানানোও স্বাধীন মতপ্রকাশের সীমানাভুক্ত। সরকার অত্যন্ত সতর্ক রয়েছে এ আইনের ব্যবহার নিয়ে। কোনো ব্যক্তি বা সংস্থা যাতে এ আইনের অপব্যবহার করতে না পারে সেদিকে লক্ষ্য রাখা জরুরি। মুশতাক আহমেদের দুঃখজনক মৃত্যুর ঘটনাটি তদন্তাধীন। এ ইস্যুতে একটি কুচক্রী মহল ঘোলা পানিতে মাছ শিকারের অপচেষ্টা করছে।’

কারাগারে লেখক মুশতাক আহমেদের মৃত্যুর বিষয়টি অত্যন্ত দুঃখজনক বলে মন্তব্য করেন ওবায়দুল কাদের। তিনি বলেন, ‘কারাগারে লেখক মুশতাক আহমেদের মৃত্যুর বিষয়টি অত্যন্ত দুঃখজনক। এ বিষয়ে ইতোমধ্যে তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়েছে। আশা করছি, তদন্তের মাধ্যমে লেখক মুশতাকের মৃত্যুর রহস্য উন্মোচিত হবে।’

আজ ড্রাইভিং লাইসেন্স দেওয়ার কার্যক্রম পুরোদমে শুরু হয়েছে। এর মধ্য দিয়ে দীর্ঘ অপেক্ষার অবসান হতে যাচ্ছে বলে জানান তিনি। আগামী কয়েকদিনের মধ্যে বিভাগীয় পর্যায়েও লাইসেন্স দেওয়ার কার্যক্রম শুরু হবে জানিয়ে তিনি বলেন, ‘লাইসেন্স সরবরাহকারী প্রতিষ্ঠানকে এ বিষয়ে সর্বোচ্চ পেশাদারিত্বের পরিচয় দিতে হবে।’

যানবাহনে ফিটনেস সনদ নেওয়ার ওপর গুরুত্ব আরোপ করেন ওবায়দুল কাদের। তিনি বলেন, ‘এক্ষেত্রে সরকার সেবা সহজিকরণ এবং  গ্রাহকদের সুবিধার্থে দেশের যে কোনো সার্কেল অফিস থেকে যানবাহনের ফিটনেস সনদ নেওয়ার সুযোগ করে দিয়েছে।’

বিআরটিএকে একটি সঠিক সেবামুখী প্রতিষ্ঠান হিসেবে গড়ে তোলার জন্য সংশ্লিষ্টদের নির্দেশ দিয়ে তিনি বলেন, ‘এ প্রতিষ্ঠানের সেবা পেতে এখনও গ্রাহক ভোগান্তি রয়েছে। তবে এ ভোগান্তি প্রযুক্তির ব্যবহারের কারণে কমে আসছে। ডিজিটাল সেবার আওতা বাড়ানো গেলে দুর্নীতি ও অনিয়ম অনেক কমে যাবে।’