ট্রাম্পকে পরমাণু দিয়েই জবাব দিতে চান কিম

কিম জং উন
Social Share

যুক্তরাষ্ট্রের পক্ষ থেকে যে পরমাণু হুমকি দেয়া হয়েছে, তার জবাব দিতে এখন একটিমাত্র উপায়ই বাকি আছে। আর তা হলো পরমাণু অস্ত্রের বিপক্ষে পরমাণুর ব্যবহার। এমনটিই মনে করছে দেশটি। দেশটি বলছে, আমেরিকার পক্ষ থেকে পরমাণু হুমকি শূন্যের কোঠায় নামিয়ে আনার লক্ষ্যে উত্তর কোরিয়া সরকার সংলাপ অথবা আন্তর্জাতিক আইনের আওতায় ব্যাপক তৎপরতা চালিয়েছে, কিন্তু সে সব প্রচেষ্টা ব্যর্থ হয়েছে। “কাজেই এখন আর একটিমাত্র উপায় বাকি রয়েছে এবং তা হচ্ছে পরমাণু অস্ত্র দিয়ে পরমাণু অস্ত্রের জবাব দেয়া।”

উত্তর কোরিয়া দাবি করেছে, দেশটি আমেরিকার ‘বিদ্বেষী নীতির জবাব দেয়ার জন্য নিজের পরমাণু অস্ত্র ব্যবহারের প্রস্তুতি নিচ্ছে। উত্তর কোরিয়ার পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় শুক্রবার একটি প্রতিবেদন প্রকাশ করে বলেছে, ‘পরমাণু অস্ত্র দিয়ে পরমাণু অস্ত্রের জবাব’ দেয়া ছাড়া দেশটির আর কোনো উপায় নেই।

২০১৭ সালে পরমাণু অস্ত্রের ডামি পরিদর্শন করছেন কিম জং উন

কোরীয় যুদ্ধ শুরুর ৭০তম বার্ষিকী উপলক্ষে উত্তর কোরিয়ার রাষ্ট্র নিয়ন্ত্রিত বার্তা সংস্থা কেসিএনএ প্রতিবেদনটি প্রকাশ করেছে। এতে আরো বলা হয়, আমেরিকার পরমাণু অস্ত্রের হুমকি যতদিন থাকবে ততদিন পিয়ংইয়ং তার সামরিক শক্তি বৃদ্ধি করে যাবে।

মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের প্রশাসন বিগত বছরগুলোতে উত্তর কোরিয়ার কিম জং-উন সরকারকে তার পরমাণু অস্ত্র কর্মসূচি থেকে বিরত রাখার জন্য পিয়ংইয়ংয়ের সঙ্গে কয়েক দফা বৈঠক করেছে। কিন্তু এ ব্যাপারে কোনো চুক্তি করতে ব্যর্থ হয়েছে ট্রাম্প প্রশাসন। উত্তর কোরিয়া সম্প্রতি স্বল্প-পাল্লার ক্ষেপণাস্ত্র দিয়ে দুই কোরিয়ার মধ্যে যোগাযোগ রক্ষাকারী লিয়াজোঁ অফিস গুঁড়িয়ে দিয়েছে। এর ফলে দুই কোরিয়ার মধ্যে যোগাযোগের সব পথ বন্ধ হয়ে গেছে।