টনি ব্লেয়ারের নাইট উপাধি কেড়ে নিতে উত্তাল ব্রিটেন

87
টনি ব্লেয়ারের
Social Share

গত সপ্তাহে ব্রিটেনের সাবেক প্রধানমন্ত্রী টনি ব্লেয়ারের নাইট উপাধি দেওয়া হয়। এরপর থেকেই ক্ষুব্ধ দেশটির নাগরিকরা। তারা টনি ব্লেয়ারের উপাধি কেড়ে নিতে রানি এলিজাবেথের কাছে আবেদন করেছেন। ওই আবেদনে এখন পর্যন্ত সাত লাখ মানুষ স্বাক্ষর করেছেন।  

বিষয়টি নিয়ে ব্রিটিশ সমাজে গভীর নেতিবাচক প্রতিক্রিয়া সৃষ্টি হয়েছে এবং তা প্রতি মুহূর্তেই বাড়ছে।  

আবেদনে যারা সই করেছেন তারা বলছেন, মিথ্যা তথ্যের ভিত্তিতে ২০০৩ সালে ইরাকে যে আগ্রাসন চালানো হয়, তার জন্য টনি ব্লেয়ারের বিচার হওয়া উচিত। সাবেক মার্কিন প্রেসিডেন্ট জর্জ বুশের পাশাপাশি টনি ব্লেয়ারও সমানভাবে দায়ী।  

তারা আরও বলছেন, টনি ব্লেয়ার হচ্ছেন বিশ্বের সবচেয়ে অপছন্দনীয় রাজনৈতিক ব্যক্তিত্বদের একজন।  

অন্যদিকে ইরাক থেকে যুদ্ধফেরত ব্রিটিশ সেনারাও টনি ব্লেয়ারের নাইট উপাধি নিয়ে কথা বলেছেন। তাদের বক্তব্য, অনেক বেশি পরীক্ষা নিরীক্ষা করে নাইট উপাধি দেওয়া উচিত।

…………………………………………………………………………………………

গত সপ্তাহে ব্রিটেনের সাবেক প্রধানমন্ত্রী টনি ব্লেয়ারকে নাইট উপাধি দেওয়া হয়। এরপর থেকেই ক্ষুব্ধ দেশটির নাগরিকরা। তারা টনি ব্লেয়ারের উপাধি কেড়ে নিতে রানি এলিজাবেথের কাছে আবেদন করেছেন। ওই আবেদনে এখন পর্যন্ত সাত লাখ মানুষ স্বাক্ষর করেছেন।  

বিষয়টি নিয়ে ব্রিটিশ সমাজে গভীর নেতিবাচক প্রতিক্রিয়া সৃষ্টি হয়েছে এবং তা প্রতি মুহূর্তেই বাড়ছে।  

আবেদনে যারা সই করেছেন তারা বলছেন, মিথ্যা তথ্যের ভিত্তিতে ২০০৩ সালে ইরাকে যে আগ্রাসন চালানো হয়, তার জন্য টনি ব্লেয়ারের বিচার হওয়া উচিত। সাবেক মার্কিন প্রেসিডেন্ট জর্জ বুশের পাশাপাশি টনি ব্লেয়ারও সমানভাবে দায়ী।  

তারা আরও বলছেন, টনি ব্লেয়ার হচ্ছেন বিশ্বের সবচেয়ে অপছন্দনীয় রাজনৈতিক ব্যক্তিত্বদের একজন।  

অন্যদিকে ইরাক থেকে যুদ্ধফেরত ব্রিটিশ সেনারাও টনি ব্লেয়ারের নাইট উপাধি নিয়ে কথা বলেছেন। তাদের বক্তব্য, অনেক বেশি পরীক্ষা নিরীক্ষা করে নাইট উপাধি দেওয়া উচিত।

গত সপ্তাহে ব্রিটেনের সাবেক প্রধানমন্ত্রী টনি ব্লেয়ারকে নাইট উপাধি দেওয়া হয়। এরপর থেকেই ক্ষুব্ধ দেশটির নাগরিকরা। তারা টনি ব্লেয়ারের উপাধি কেড়ে নিতে রানি এলিজাবেথের কাছে আবেদন করেছেন। ওই আবেদনে এখন পর্যন্ত সাত লাখ মানুষ স্বাক্ষর করেছেন।  

বিষয়টি নিয়ে ব্রিটিশ সমাজে গভীর নেতিবাচক প্রতিক্রিয়া সৃষ্টি হয়েছে এবং তা প্রতি মুহূর্তেই বাড়ছে।  

আবেদনে যারা সই করেছেন তারা বলছেন, মিথ্যা তথ্যের ভিত্তিতে ২০০৩ সালে ইরাকে যে আগ্রাসন চালানো হয়, তার জন্য টনি ব্লেয়ারের বিচার হওয়া উচিত। সাবেক মার্কিন প্রেসিডেন্ট জর্জ বুশের পাশাপাশি টনি ব্লেয়ারও সমানভাবে দায়ী।  

তারা আরও বলছেন, টনি ব্লেয়ার হচ্ছেন বিশ্বের সবচেয়ে অপছন্দনীয় রাজনৈতিক ব্যক্তিত্বদের একজন।  

অন্যদিকে ইরাক থেকে যুদ্ধফেরত ব্রিটিশ সেনারাও টনি ব্লেয়ারের নাইট উপাধি নিয়ে কথা বলেছেন। তাদের বক্তব্য, অনেক বেশি পরীক্ষা নিরীক্ষা করে নাইট উপাধি দেওয়া উচিত।