ওমিক্রনে ভারতের ‘ঝুঁকিপূর্ণ’ দেশের তালিকায় বাংলাদেশ

62
ঝুঁকিপূর্ণ
Social Share

নতুন এই নির্দেশিকায় বাংলাদেশকে ঝুঁকিপূর্ণ দেশের তালিকাভুক্ত করেছে ভারত। এর ফলে তালিকাভুক্ত দেশগুলোর যাত্রীদের ভারতে প্রবেশের ক্ষেত্রে নিজ খরচে আরটি-পিসিআর পরীক্ষাসহ অতিরিক্ত ব্যবস্থা অনুসরণ করতে হবে।

করোনাভাইরাসের নতুন ভ্যারিয়েন্ট ওমিক্রনের সংক্রমণ বৃদ্ধি পাওয়ায় আন্তর্জাতিক বিমানযাত্রীদের জন্য সংশোধিত নির্দেশিকা জারি করেছে ভারতের কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়। ১ ডিসেম্বর রাত ১২টা থেকে এই নির্দেশিকা কার্যকরী হবে।

সোমবার ভারতীয় স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের হালনাগাদ করা ঝুঁকিপূর্ণ দেশের তালিকায় থাকা বাকি দেশগুলো হলো-যুক্তরাজ্য, দক্ষিণ আফ্রিকা, ব্রাজিল, বতসোয়ানা, চীন, মরিশাস, নিউজিল্যান্ড, জিম্বাবুয়ে, সিঙ্গাপুর, হংকং ও ইসরায়েলসহ ইউরোপের দেশগুলো।

নির্দেশিকা অনুযায়ী, ওমিক্রন সংক্রমণের নিরিখে ‘ঝুঁকিতে থাকা দেশগুলি’ থেকে ভারতে যাওয়া যাত্রীদের বিমানবন্দরে নামার সঙ্গে সঙ্গে বাধ্যতামূলক কোভিড পরীক্ষা করাতে হবে। এই পরীক্ষায় কারও পজিটিভ ধরা পড়লে তাকে কোয়ারেন্টিনে যেতে হবে। তার নিয়ম অনুযায়ী চিকিৎসা চলবে। নমুনায় জিনের সজ্জারীতিও পরীক্ষা করে দেখা হবে। বিমান ওঠার ৭২ ঘণ্টা আগে কোভিড পরীক্ষা করালেও, ভারতে নামার পরও পরীক্ষা করা হবে।

যে যাত্রীদের পরীক্ষার ফল নেগেটিভ হবে তাদেরও সাত দিন কোয়ারেন্টিনে থাকতে হবে। আট দিনের মাথায় তাদের ফের কোভিড পরীক্ষা করানো হবে। ঝুঁকির বাইরের দেশগুলি থেকে বিমানে আসা যাত্রীদের পাঁচ শতাংশকে টেস্ট করানো হবে।

ওমিক্রন নিয়ে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা উদ্বেগ প্রকাশ করার পরই ভারতের কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় আন্তর্জাতিক বিমানযাত্রীদের জন্য এই নির্দেশিকা জারি করে।

নির্দেশিকা অনুযায়ী, ওমিক্রন সংক্রমণের নিরিখে ‘ঝুঁকিতে থাকা দেশগুলি’ থেকে ভারতে যাওয়া যাত্রীদের বিমানবন্দরে নামার সঙ্গে সঙ্গে বাধ্যতামূলক কোভিড পরীক্ষা করাতে হবে। এই পরীক্ষায় কারও পজিটিভ ধরা পড়লে তাকে কোয়ারেন্টিনে যেতে হবে। তার নিয়ম অনুযায়ী চিকিৎসা চলবে। নমুনায় জিনের সজ্জারীতিও পরীক্ষা করে দেখা হবে। বিমান ওঠার ৭২ ঘণ্টা আগে কোভিড পরীক্ষা করালেও, ভারতে নামার পরও পরীক্ষা করা হবে।

যে যাত্রীদের পরীক্ষার ফল নেগেটিভ হবে তাদেরও সাত দিন কোয়ারেন্টিনে থাকতে হবে। আট দিনের মাথায় তাদের ফের কোভিড পরীক্ষা করানো হবে। ঝুঁকির বাইরের দেশগুলি থেকে বিমানে আসা যাত্রীদের পাঁচ শতাংশকে টেস্ট করানো হবে।

ওমিক্রন নিয়ে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা উদ্বেগ প্রকাশ করার পরই ভারতের কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় আন্তর্জাতিক বিমানযাত্রীদের জন্য এই নির্দেশিকা জারি করে।