জিয়ার প্রত্যক্ষ মদদে জাতীয় চার নেতাকে হত্যা করা হয়

জাতীয় সংসদের ডেপুটি স্পিকার মো. ফজলে রাব্বি মিয়া বলেছেন, ক্ষমতালিপ্সু জিয়াউর রহমানের প্রত্যক্ষ মদদে মুক্তিযুদ্ধের চেতনা ধ্বংস ও বাঙালি জাতিকে নেতৃত্ব শূন্য করতে বঙ্গবন্ধু ও তার পরিবার এবং ৩ নভেম্বর জাতীয় ৪ নেতাকে নৃশংসভাবে হত্যা করা হয়।

গাইবান্ধার ফুলছড়ি উপজেলা হেডকোয়ার্টার কালিরবাজারে উপজেলা পরিষদ সংলগ্ন বঙ্গবন্ধু ম্যুরাল চত্বরে আজ রবিবার দুপুরে জাতীয় ৪ নেতা স্মরণে জেল হত্যা দিবসের এক সমাবেশে প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্যকালে তিনি একথা বলেন।

সমাবেশে ফুলছড়ি উপজেলা আওয়ামী লীগের সহসভাপতি মো. আবদুল গফুর মণ্ডলের সভাপতিত্বে বক্তব্য রাখেন উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান জি এম সেলিম পারভেজ, উপজেলা নির্বাহী অফিসার আবু রায়হান দোলন সহ অন্যরা।

তিনি বলেন, বাংলাদেশের কাঙ্ক্ষিত উন্নয়নে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান যখন আত্মনিয়োগ করেছেন তখনই স্বাধীনতা বিরোধীরা দেশি-বিদেশি ষড়যন্ত্রকারীদের সহায়তায় এই কলংকজনক হত্যাকাণ্ড চালায়।

ডেপুটি স্পিকার বলেন, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বে স্বাধীনতা ও যুদ্ধাপরাধীদের যেমন বিচার হয়েছে, তেমনি বঙ্গবন্ধুর খুনি ও জেল হত্যাকারিদের বিচারের মাধ্যমে জাতি কলংকমুক্ত হবে। যেসব হত্যাকারী বিদেশে পালিয়েছে তাদের দেশে ফিরিয়ে নিয়ে এসে বিচারের আওতায় আনা হবে।

পরে তিনি সাঘাটা উপজেলা বঙ্গবন্ধু জেল হত্যা দিবসের আলোচনা সভায় যোগ দেন। সেখানে সাঘাটা উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি নাজমুল হুদা দুদুর সভাপতিত্বে অন্যদের মধ্যে বক্তব্য রাখেন উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান জাহাঙ্গীর কবির, উপজেলা নির্বাহী অফিসার মহিউদ্দিন জাহাঙ্গীর, মুক্তিযুদ্ধকালীন কমান্ডার শামছুল আলম, উপজেলা যুবলীগের সাধারণ সম্পাদক নাছিরুল আলম স্বপন জেলা, উপজেলা আওয়ামী লীগ, যুবলীগ, ছাত্রলীগ ও শ্রমিক লীগের নেতৃবৃন্দ।

আলোচনা সভার আগে ডেপুটি স্পিকারের নেতৃত্বে একটি শোক র‌্যালি সাঘাটা উপজেলা পরিষদ থেকে বের হয়ে বিভিন্ন সড়ক প্রদক্ষিণ করে। র‌্যালি শেষে উপজেলা চত্বরে বঙ্গবন্ধু ও জাতীয় চার নেতার প্রতিকৃতিতে পুস্পমাল্য অর্পণ করা হয়।