জাতীয় মসজিদ বায়তুল মোকাররমে ঈদুল আজহা’র প্রধান জামাত অনুষ্ঠিত

35
Social Share

জাতীয় মসজিদ বায়তুল মোকাররমে পবিত্র ঈদুল আজহা’র প্রধান জামাত অনুষ্ঠিত হয়েছে।
আজ সকাল ৭টায় এই জামাত অনুষ্ঠিত হয়। এতে ইমামতি করেন বায়তুল মোকাররম জাতীয় মসজিদের সিনিয়র পেশ ইমাম হাফেজ মুফতি মাওলানা মো. মিজানুর রহমান। মুকাব্বির হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন বায়তুল মুকাররম মসজিদের মুয়াজ্জিন মো. আতাউর রহমান।
এরপর পর্যায়ক্রমে সকাল ৮টা, ৯টা, ১০টা এবং ১০টা ৪৫ মিনিটে অনুষ্ঠিত হয় শেষ ঈদ জামাত।
দ্বিতীয় জামাত সকাল ৮টায় অনুষ্ঠিত হয়। এ জামাতের ইমামতি করেন বায়তুল মোকাররমের পেশ ইমাম হাফেজ মুফতি মুহিব্বুল্লাহিল বাকী নদভী, মুকাব্বির ছিলেন হাফেজ ক্বারী কাজী মাসুদুর রহমান।
তৃতীয় জামাত সকাল ৯টায় অনুষ্ঠিত হয়। এতে ইমামতি করেন বায়তুল মোকাররমের পেশ ইমাম মাওলানা এহসানুল হক, মুকাব্বির ছিলেন হাফেজ ক্বারী হাবিবুর রহমান মেশকাত।
চতুর্থ জামাত অনুষ্ঠিত হয় সকাল ১০টায়। এ জামাতের ইমামতি করেন বায়তুল মোকাররমের পেশ ইমাম  মাওলানা মহিউদ্দিন কাসেম, মুকাব্বির ছিলেন ক্বারী মো. ইসহাক।
পঞ্চম ও সর্বশেষ জামাত সকাল ১০টা ৪৫ মিনিটে অনুষ্ঠিত হয়। এ জামাতের ইমামতি করেন ইসলামিক ফাউন্ডেশনের মুহাদ্দিস হাফেজ মাওলানা ওয়ালিয়ূর রহমান খান,  মুকাব্বির ছিলেন মো. শহীদুল্লাহ।
নামাজ শেষে খুতবা পাঠ করা হয়। এরপর অনুষ্ঠিত হয় দোয়া ও মোনাজাত। তবে করোনাভাইরাস পরিস্থিতিতে নির্দেশনা মেনে নিরাপদ শারীরিক দূরত্ব বজায় রাখেন মুসল্লিরা।
নামাজ শেষে মোনাজাতে দেশ ও জাতির মঙ্গল কামনা করা হয়। পাশাপাশি বৈশ্বিক করোনাভাইরাসে আক্রান্ত ও নিহতদের জন্য দোয়া করা হয়েছে। করোনা থেকে মুক্তির জন্য মুসল্লিরা আল্লাহর কাছে ফরিয়াদ জানান।
তবে ঈদের নামাজ শেষে চির পরিচিত দৃশ্য মুসল্লিদের হাত মেলানো ও কোলাকুলির দৃশ্য এবার চোখে পড়েনি। করোনার সংক্রমণ রোধকল্পে সরকারের স্বাস্থ্যবিধি মেনে এ থেকে বিরত থাকেন মুসল্লিরা।
করোনা মোকাবিলায় ও সংক্রমণ বিস্তার রোধকল্পে ঈদুল ফিতরের মতো এই ঈদে ও এবার হাইকোর্ট সংলগ্ন জাতীয় ঈদগাহে ঈদের প্রধান জামাত হয়নি। তবে জাতীয় মসজিদ বায়তুল মোকাররমে এবার ঈদের ৫টি জামাত অনুষ্ঠিত হয়।
প্রতিটি জামাতেই মাস্ক পরে স্বাস্থ্যবিধি মেনে ঈদের নামাজ আদায় করেন মুসল্লিরা। মুসল্লিদের উপস্থিতি সবথেকে বেশি ছিল প্রথম ও প্রধান জামাতে।
প্রথম ও প্রধান জামাতে অংশ নিতে রাজধানীর বিভিন্ন প্রান্ত থেকে সকাল সাড়ে ৬টার আগেই মুসল্লিরা ছুটে আসেন বায়তুল মোকাররম প্রাঙ্গণে। মুসল্লিদের উপস্থিতিতে কানায় কানায় পূর্ণ হয়ে যায় বায়তুল মোকাররম মসজিদের ভেতর।
এরপর একে একে অনুষ্ঠিত হয় বাকি চারটি জামাত। তবে প্রথম জামাতে মুসল্লিদের যেমন উপস্থিতি ছিল, পরে চারটি জামাতে উপস্থিতির হার ছিল তার থেকে কম।