জমে উঠেছে ইউপি নির্বাচন : এক হেভিওয়েট প্রার্থীর সাথে লড়ছেন আরো দুই

1376
Social Share

নীলফামারী থেকে আসাদুজ্জামান সুৃমন-

উত্তরে কুয়াশার চাদর,তবুও নির্বাচনে সরগরম উত্তরের নীলফামারী।চায়ের কাপে চুমুক শেষ হতে না হতেই আরেক পেয়ালা চা চলে আসছে ভোটারদের মাঝে। এ যেন মেঘ না চাইতেই বৃষ্টি।জিততে আমাকে হবেই,এই যেন পণ করেছেন সকল প্রার্থী। কেউবা ঘুরছেন বাড়ি বাড়ি,কেউ যাচ্ছেন ক্ষেতে খামারে। উদ্যেশ্য কিন্ত একটাই।চাই ভোট। এই ভোট যেন সোনার হরিণ।যে গ্রামের দোকান বন্ধ হয়ে যায় রাত আট থেকে নয়টায় সেই বাজার যেন বন্ধ হওয়ার নাম নেই।এ যেন এক মহোৎসব। নীলফামারী জেলার জলঢাকা উপজেলায় ভোট হবে আগামী ২৮ নভেম্বর।

এই উপজেলার শিমুল বাড়ি ইউনিয়নের মোট ভোটার প্রায় ১৮ হাজার। এই ইউনিয়নে চেয়ারম্যান প্রার্থী মোট তিনজন।এর মধ্যে বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের মনোনীত প্রার্থী,ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সভাপতি মোঃহামিদুল ইসলাম লড়ছেন নৌকা প্রতীকে। যিনি গত তিন মেয়াদের চেয়ারম্যান। অত্যন্ত জনপ্রিয় এই হেভিওয়েট প্রার্থীর বিরুদ্ধে ভোট যুদ্ধে নেমেছেন মনিরুজ্জামান খাজা।তিনি লড়ছেন আনারস প্রতীকে। খাজার বাবা প্র‍য়াত মোমিনুর রহমানও ছিলেন এই ইউনিয়নের সাবেক চেয়ারম্যান। পারিবারিক পরিচয়ে তিনিও জয়ের ব্যাপারে শতভাগ আশাবাদী। এই দুই জনের সাথে পাঞ্জা লড়তে এক্কেবারে প্রস্তুত আরেক প্রার্থী বাবু তারাপদ রায়।তার কোন রাজনৈতিক পরিচয় না থাকলেও তিনিও কিন্ত জয়ের ব্যাপারে শতভাগ আশাবাদী। এর কারণ হিসেবে তিনি মনে করেন যে মোট ভোটারের প্রায় ৪০ শতাংশ ভোটার সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের। তিনি আশাবাদ ব্যক্ত করেন যে,এই ৪০ শতাংশ ভোটার তাকেই ভোট দেবেন।
বর্তমান চেয়ারম্যান, বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের ইউনিয়ন সভাপতি মোঃ হামিদুল ইসলাম মনে করেন যে বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের হাত ধরে দেশ যেভাবে এগিয়ে চলেছে তা অব্যাহত রাখতে সাধারণ জনগণ আবারও তাকে নির্বাচিত করে জাতির পিতার সোনার বাংলা বিনির্মানে কার্যকরী ভুমিকা রাখবে।মাইকিং, পোস্টারে সেজেছে গোটা নীলফামারী।
কথার লড়াইয়ে যেন মনে হচ্ছে কেহ কারো নাহি জিনে সমানে সমান।