ছাত্রলীগের অতীত ইতিহাস গর্ব ও অহংকারের: মির্জা আজম এমপি

Social Share

বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক ও সাবেক প্রতিমন্ত্রী মির্জা আজম এমপি বলেছেন, ছাত্রলীগের অতীত ইতিহাস হলো গর্ব ও অহংকারের ইতিহাস। জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের আহ্বানে সাড়া দিয়ে এই ছাত্রলীগ মহান স্বাধীনতা যুদ্ধে অনেক অবদান রেখেছিল। সেই গৌরবোজ্জ্বল ইতিহাসকে সমুন্নত রাখতে ছাত্রলীগকে জাতির পিতার আদর্শ অনুসরণ করতে হবে। দেশরত্ন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বে উন্নত দেশ গড়তে বাংলাদেশ ছাত্রলীগের প্রতিটি নেতাকর্মীকে অগ্রণী ভূমিকা রাখতে হবে।

তিনি আজ শনিবার বিকেলে জামালপুরের মাদারগঞ্জে স্থানীয় বালিজুড়ী এফ এম উচ্চ বিদ্যালয় মাঠে উপজেলা ছাত্রলীগের ত্রি-বার্ষিক সম্মেলনে প্রধান অতিথির বক্তব্যে এসব কথা বলেন।

মির্জা আজম বলেন, আওয়ামী লীগ সরকার ক্ষমতায় আসার পর থেকে শিক্ষাক্ষেত্রে ব্যাপক উন্নতি হয়েছে। প্রতিটি শিক্ষার্থীর জন্য শিক্ষায় সমান সুযোগ নিশ্চিত করেছে সরকার। শিক্ষাক্ষেত্রে শৃঙ্খলা ফিরিয়ে এনেছি আমরা। বছরের প্রথম দিনে শিক্ষার্থীদের মাঝে বিনামূল্যে ৩৫ কোটি বই বিতরণ করছে সরকার।

সম্মেলনে সম্মেলন বক্তার বক্তব্য রাখেন বাংলাদেশ ছাত্রলীগ ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় শাখার সভাপতি সনজিত চন্দ্র দাস এবং প্রধান বক্তার বক্তব্য রাখেন বাংলাদেশ ছাত্রলীগ ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় শাখার সাধারণ সম্পাদক সাদ্দাম হোসেন।

মাদারগঞ্জ উপজেলা ছাত্রলীগের সভাপতি মাসুদুর রহমান মাসুদের সভাপতিত্বে ও সাধারণ সম্পাদক নাজমুল ইসলাম লিখনের সঞ্চালনায় এতে বিশেষ অতিথির বক্তব্য রাখেন জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি আইনজীবী মুহাম্মদ বাকী বিল্লাহ, সাধারণ সম্পাদক  ফারুক আহাম্মেদ চৌধুরী, সহ-সভাপতি অধ্যাপক আশরাফ হোসেন তরফদার, সাংগঠনিক সম্পাদক আব্দুল্লাহ আল আমিন চাঁন, মাদারগঞ্জ উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি জীবন কৃষ্ণ সাহা ও সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুর রহমান বেলাল, মাদারগঞ্জ পৌরসভার মেয়র মির্জা গোলাম কিবরিয়া কবীর, জেলা ছাত্রলীগের সভাপতি নিহাদুল আলম নিহাদ ও সাধারণ সম্পাদক মাকসুদ বিন জালাল প্লাবন প্রমুখ।

সম্মেলনের দ্বিতীয় অধিবেশনে মাদারগঞ্জ উপজেলা ছাত্রলীগের নতুন কমিটির সভাপতি পদে মো. আব্দুল্লাহ ও সাধারণ সম্পাদক পদে মো. সুজন হাসানের নাম ঘোষণা করা হয়।