চিনকে প্রবল চাপে ফেলে দলাই লামাকে ‘স্বাগত’ জানাল তাইওয়ান

Social Share

তাইপে: আগ্রাসী মনোভাবের জন্য বিশ্বের বিভিন্ন দেশ চিনের বিরুদ্ধে একজোট হচ্ছে। লাদাখ ইস্যুতে বলা চলে গোটা বিশ্বই ভারতকে সমর্থন করেছেন। কার্যত কোনঠাসা হয়ে পিছু হাটতে বাধ্য হয়েছে চিন। এই পরিস্থিতিতে চিনের সঙ্গে সংঘাত আরও বাড়িয়ে বৌদ্ধ ধর্মগুরু দলাই লামাকে স্বাগত জানাল তাইওয়ান৷

সোমবার তাইওয়ানের বিদেশমন্ত্রকের তরফে এই ঘোষণা করা হয়৷ স্বভাবতই তাইওয়ানের এই সিদ্ধান্তে বেজার ক্ষুব্ধ হয়েছে চিন৷ উল্লেখ্য, ‘ওয়ান চায়না’ নীতির অন্তর্গত তাইওয়ানকে নিজেদের অংশ বলে দাবি করে এসেছে চিন। এই পরিস্থিতিতে তিব্বতি ধর্মগুরু দলাই লামাকে আমন্ত্রণ জানিয়ে তাইওয়ান সাফ বুঝিয়ে দিল যে চিনা হুমকির সামনে মাথা নত করবে না তাঁরা।

প্রসঙ্গত, ১৯৫০ সালে তিব্বত দখল করে নেয় চিন। চিনা হানাদার বাহিনীর হাত থেকে বাঁচতে ১৯৫৯ সালে তিব্বত থেকে দলবল-সহ পালিয়ে ভারতে আশ্রয় নেন দলাই লামা। এদিন তাইওয়ানের বিদেশমন্ত্রকের মুখপাত্র জোয়ানে ওউ বলেন, দলাই লামা তাইওয়ানে আসার ইচ্ছে প্রকাশ করলে পদক্ষেপ নেওয়া হবে৷

শেষবার ২০০৯ সালে তাইওয়ান সফরে যান দলাই লামা৷ রবিবার নিজের ৮৫ তম জন্মদিনে তাইওয়ানে তাঁর সমর্থকদের উদ্দেশে বলেন, তিনি আবারও তাইওয়ানে যেতে ইচ্ছুক৷ এর পরই দলাই লামাকে আমন্ত্রণ জানালো তাইওয়ান প্রশাসন৷

জোয়ানে ওউ বলেন, পারস্পরিক সম্মান এবং সম্মতির ভিত্তিতে বৌদ্ধ ধর্মের প্রচারের জন্য তাঁরা দলাই লামাকে তাইওয়ানে স্বাগত জানাচ্ছে তাঁরা৷ পাশাপাশি, তাইওয়ানকে একটি স্বাধীন রাষ্ট্র হিসেবেই দাবি করেন তিনি৷ তাঁর দাবি, গণপ্রজাতান্ত্রিক চিন নামে তাঁদের দেশের নাম নথিভুক্ত রয়েছে৷

সম্প্রতি হংকংয়ের বাসিন্দাদের সরকারি ভাবে তাদের দেশে গিয়ে থাকার জন্য প্রস্তাব দিয়েছে তাইওয়ান৷ চিন হংকংয়ের বিরুদ্ধে নতুন আইন পাস করার পরই এই প্রস্তাব দিয়েছে তাইওয়ান৷ যার ফলে ক্রমশ তাইওয়ান-চিনের সম্পর্ক আরও খারাপ হয়েছে৷