ঘুরে আসুন নওয়াব ফয়জুন্নেসার কুমিল্লা

17
Social Share

লিয়াকত হোসেন খান: প্রাচীন ও ঐহিত্যমন্ডিত জেলা কুমিল্লার উৎপত্তি কমলাঙ্কনগর থেকে। নওয়াব ফয়জুন্নেসার কুমিল্লাও বলা হয়। গোমতী নদী বয়ে গেছে এই জেলার উপর দিয়ে। গোমতী করেছে সুজলা-সুফলা, শস্য-শ্যামলা। ঘুরে দেখার মতো এক সুন্দর জায়গা এই কুমিল্লা। ময়নামতি, লালমাই পাহাড়, শালবন বিহার এখানের অন্যতম আকর্ষণ। অষ্টম শতাব্দীতে নির্মিত শালবন বিহারের স্থাপত্যশিল্প আপনাকে বেশি আকৃষ্ট করবে।
কুমিল্লা শহর থেকে ৪ মাইল দূরে লালমাই ময়নামতি পাহাড়। এখানে সারাদিন কাটানোর মতো মনোরম পরিবেশ খুঁজে পাওয়া যাবে। এমন নৈসর্গিক দৃশ্য সহজে খুঁজে পাওয়া যায় না। সবুজে সুবজে আচ্ছন্ন এখানে গিয়ে দেখবেন নৈসর্গিক শোভা, কত-না প্রজাতির পাখি উড়ে বেড়াচ্ছে। যেদিকে তাকাবেন সেদিকটিই ভালো লাগবে। পাহাড়ের দক্ষিণদিকে চ-িমুড়া। এখানে দেখবেন একটি মন্দির। ৯০০ থেকে ১০০০ সালে চন্দ্রবংশীয় বৌদ্ধরাজাদের শাসনামলে মানিকচন্দ্র নামে এক রাজা ছিল। তার প্রধান রানী ছিল ময়নামতি। তার নামানুসারেই পরবর্তীতে পাহাড়ের নাম হয়েছে ‘ময়নামতি’।
ঢাকা থেকে কুমিল্লা যওয়ার জন্য সড়কপথে পরিবহন রয়েছে। মাত্র ২ ঘণ্টার মধ্যে কুমিল্লায় পৌঁছা যায়। ইচ্ছে করলে রেলপথে ট্রেনে যেতে পারেন। তবে সময় বেশি লাগবে। রাত্রি যাপন করার জন্য কুমিল্লায় আবাসিক হোটেলের অভাব নেই।
ময়নামতি, লালমাই পাহাড়ে কিংবা এর পাদদেশে কোটবাড়িতে বনভোজনও করা যায়। একদিনের এই বনভোজনে দেখা হয়ে যাবে বৌদ্ধসভ্যতার নিদর্শন। কয়েকজন মিলে এখানে যাওয়ায় বেশি আনন্দ আছে। বৌদ্ধসভ্যতার ঐতিহাসিক কেন্দ্র ময়নামতিতে জাদুঘর রয়েছে। এখানে আছে বৌদ্ধযুগের তৈরি গৌতমবুদ্ধের মূর্তি, মুদ্রা, বেলেপাথরের মূর্তি। শালবন বিহারে প্রাপ্ত সপ্তম ও অষ্টম শতাব্দীর মূর্তি, প্লেট, অলংকার, অস্ত্রশস্ত্র রয়েছে। বিহারের আশপাশে বেড়াতে আরো বেশি আনন্দ। বিহারের ধ্বংসাবশেষ ভিক্ষুদের কক্ষগুলো দেখে প্রাচীনযুগে ফিরে যাবেন। ময়নামতি দেখতে পুরো একদিন লেগে যাবে।
ময়নামতি, লালমাই পাহাড়েরর দক্ষিণাংশের পাহাড়-টিলা ঘেরা চন্ডিমুড়া। এ এক নির্জন প্রকৃতিতে অনন্য তীর্থস্থান। পাহাড়ের কোলে সুষমামন্ডিত চন্ডিমুড়া। মন্দির হিন্দুধর্মাবলম্বীদের মহাতীর্থস্থান হিসেবে সমাদৃত। এ মন্দিরে শ্রীশ্রী চন্ডিদেবীর বিগ্রহ প্রতিষ্ঠা করা হয়েছে। কথিত আছে, সপ্তম শতাব্দীতে মন্দিরটি প্রতিষ্ঠিত হয়। মহীয়সী রানী প্রভাবতী দেবী এ মন্দির প্রতিষ্ঠা করেন। তিনি আধ্যাত্মিক মননে বিশ্বাসী ও বিদুষী ছিলেন। রানী প্রভাতী দেবীর মাতা মায়াচন্ডির বিগ্রহ প্রতিষ্ঠা করে মায়ের আরাধনা করেছিলেন।
চন্ডিমুড়া মন্দিরে যাওয়ার পথে দেখবেন সবুজ-শ্যামল রূপ। নির্জন পথ দিয়ে এখানে আসার সময় চারিদিকের দৃশ্য দেখে শুধুই মুগ্ধ হবেন। ময়নামতিতে আছে অনুচ্চ ও সরু পাহাড়। দীর্ঘ ১২ মাইলের এই পাহাড় ৩ মাইল প্রশস্ত। উত্তরদিকে রানী ময়নামতি টিলা। দক্ষিণদিকের শেষ সীমায় চন্ডিমুড়া।
কুমিল্লা জেলায় আরও রয়েছে শালবন বিহার, কুটিলামুড়া, রূপবান মুড়া, ইটাখোলা মুড়া, আনন্দ রাজার প্রাসাদ, ভোজ রাজার প্রাসাদ, রামনগর মুঘল মঠ, হাসনাবাদ মঠ, শচীনদেব বর্মণের বাড়ি।
কুমিল্লায় ছড়িয়ে-ছিটিয়ে রয়েছে নওয়াব ফয়জুন্নেসার অসংখ্য কীর্তি। এখানে সবার মুখে নওয়াব ফয়জুন্নেসা নামটি ফেরে। কুমিল্লা শহরে তিনি ২টি বালিকা বিদ্যালয় স্থাপন করেন ১৮৭৩ সালে। এ দুটিও ঘুরে দেখুন। কুমিল্লা ভিক্টোরিয়া কলেজ এখন বিশ্ববিদ্যালয় কলেজ। এটির প্রতিষ্ঠালগ্নে সেই ১৮৯৯ সালে নওয়াব ফয়জুন্নেসা প্রচুর অর্থ সাহায্য দিয়েছিলেন।
ভিক্টোরিয়া বিশ্ববিদ্যালয় কলেজ ঘুরে দেখার পরে ধর্মসাগর দেখুন। বিশাল দীঘি ধর্মসারের তীরে বেড়ানোর সুন্দর পরিবেশ রয়েছে। নানান জাতের গাছ রয়েছে এখানে।
কুমিল্লা ক্যান্টনমেন্ট এলাকায় গেলে দেখবেন দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধে নিহত সৈনিকদের সমাধিসৌধ। এখানে প্রতিটি সমাধিসৌধের গায়ে রয়েছে পাথরের নামফলক। স্মৃতিসৌধের প্রতিটির উচ্চতা প্রায় একই সমান। ফুলগাছের সমারোহ এর সর্বত্র। সমাধিসৌধগুলো পরিচয় করিয়ে দেয়ার জন্য এখানে একজন গাইড পাবেন। তাঁর তত্ত্বাবধানে সমাধিসৌধগুলা দেখে নিন।
কুমিল্লা হয়ে হোমনা, দাউদকান্তি, দেবীদ্বার, ব্রা‏হ্মণপাড়া, বরুড়া, লাকসাম, চৌদ্দগ্রাম,, নাঙ্গলকোর্টের যেদিকে যাবেন সেদিকেই দেখবেন সবুজ ধানক্ষেত, পাখির কূজন, কতনা রকমের গাছগাছালি। একেক সময় প্রাকৃতিক সৌন্দর্যের মাঝে হারিয়ে যেতে ইচ্ছে হবে। এখানের নয়নলোভা পথঘাট দেখে যেদিকে দুচোখ যাবে সেদিকেই চলে যেতে মন চাইবে। কয়েকদিন বেড়িয়ে কুমিল্লা থেকে ফিরে আসতে মন চাইবে না।


লাকসাম : নওয়াব ফয়জুন্নেসার লাকসাম, ডাকাতিয়া নদীবিধৌত লাকসাম জনপদ কালে কালে ধন্য হয়েছে এবং শতবর্ষের প্রাচীন ইতিহাস এ জনপদে রয়েছে। এখানে দেখার মতো অসংখ্য কীর্তি ছড়িয়ে-ছিটিয়ে আছে, যেমনÑ পশ্চিমগাঁওর নওয়াববাড়ি, শরীফপুর কোতোয়াল মসজিদ, দিশাবন্ধের নবীসুর মসজিদ, গাইনের ডহরা মসজিদ, পশ্চিমগাঁওর কাজী মসজিদ, গাজীমুড়ার করিম হায়দার দরগাহ, উত্তরবাজার, জামে মসজিদ, জমিদার গোসাইবাড়ি, পশ্চিমগাঁও কারবালার দীঘি, ভেলুয়া সুন্দরীর দীঘি, নওয়াবাড়ি, দশ গম্বুজ মসজিদ প্রভৃতি।
কুমিল্লা শহর থেকে ২৯ কিলোমিটার দূরে লাকসাম। লাকসামের কৃতী সন্তান নওয়াব ফয়জুন্নেসার জন্ম ১৮৩৪ সালে খানবাহাদুর বাড়িতে। লেখিকাদের পথপ্রদর্শক ছিলেন ফয়জুন্নেসা। ফয়জুন্নেসার ‘রূপজালাল’ কাব্যগ্রন্থ তাঁর স্বামী গাজী চৌধুরীর নামে উৎসর্গ করেছেন। সতীন-যাতনা সইতে না পেরে তিনি কন্যা বদরুন্নেসাকে নিয়ে পশ্চিমগাঁওতে চলে আসেন। হোমনাবাদ পরগনার বিরাট জমিদারি পরিচালনা করতেন। তিনি ইসলামি কায়দায় বোরকা পরিধান করে পালকিতে করে প্রত্যেকের সুখ-দুঃখ দেখতে গ্রামে গ্রামে যেতেন। ১৯০৩ সালে নওয়াব ফয়জুন্নেসা মারা যান। তাঁর সমাধিসৌধ দশ গম্বুজ মসজিদের কাছে অবস্থিত।
শ্রীশ্রী রাধামাধব সেবাশ্রমটি দেখার মতো। এটি পৌর এলাকার নসরতপুর এলাকায়। জমিদার নওয়াব বাহাদুরেরা যে জমি দান করে গেছেন তার উপরে স্থাপিত হয়েছে এই সেবাশ্রম। শ্রী বৃন্দাবনচন্দ্র গোস্বামী ওরফে বাউল গোসাই খ্যাত গোসাইবাড়ির জন্য ভূমিদান। করেছিলেন নওয়াব ফয়জুন্নেসার পূর্বসূরিরা। জগন্নাথ দেশমন্দিরটি খুবই আকর্ষণীয়। পশ্চিমগাঁওতে রয়েছে নৃসিং মন্দির। লাকসাম জনপদে এটি সবচেয়ে প্রাচীন মন্দির। লাকসাম রেলওয়ে জংশন ১৮৯৩ সালে প্রতিষ্ঠিত হয়। এটিও ঘুরে দেখুন। এ ছাড়ও ঘুরে দেখার মতো আছে বরইগাঁও বৌদ্ধবিহার, আলীশ্বরের বৌদ্ধমন্দির, পীর শাহ শরীফ দরগাহ, পীর অলিউল্লা রাজাপুরীর মাজার।
কয়েকটি মসজিদ : কুমিল্লা শহরের গোমতী নদীর তীরে শাহ সুজা মসজিদ অবস্থিত। শাহ সুজার আমলে কুমিল্লার মোঘল ফৌজদার এই মসজিদটি তৈরি করেছিলেন। এর পূর্বদিকে একটি বারান্দা দেয়া হয়েছে।
লাকসাম উপজেলার বড় শরীফপুর গ্রামে একটি প্রাচীন দীঘি আছে। নাম নটেশ্বর দীঘি। এর পূর্বপাড়ে একটি প্রাচীন মসজিদ আছে। মোহাম্মদ হায়াত নামক একজন কোতোয়াল এ মসজিদ তৈরি করেছিলেন ১৭০৬ খ্রিস্টাব্দে। এটিকে কোতোয়াল মসজিদও বলা হয়।
কুমিল্লার সতেরো রতœমন্দির : কুমিল্লা শহর থেকে প্রায় ৩ মাইল দক্ষিণ-পূর্ব দিকে জগন্নাথপুরে একটি বিচিত্র ধরনের মন্দির আছে। এটি প্রায় ৬০ ফুট উঁচু। আঠারো শতকের প্রথমদিকে ত্রিপুরার মহারাজ দ্বিতীয রতœমানিক্য এই মন্দিরের ভিত্তি স্থাপন করেন। পরে এই মন্দিরের নির্মাণকাজ শেষ করেন মহারাজ কৃষ্ণমাণিক্য। মন্দিরটি সংস্কার না করার ফলে এটির বেশির ভাগ নষ্ট হয়ে গেছে।
বিভিন্ন তথ্য : কথিত আছে, কমলাঙ্কনগর থেকে কুমিল্লা নামের উৎপত্তি। ‘ত্রিপুরা সংবাদ’ নামক সংস্কৃত বই থেকে জানা যায়, কুমিল্লা নামক একজন মুসলমান সেনানায়কে নামানুসারে কুমিল্লার নামকরণ হয়। উপজেলা ১৩টি। এগুলো হলো- কুমিল্লা সদর, হোমনা, লাকসাম, মুরাগনগর, দেবীদ্বার, বরুড়া, দাউককান্তি, বুড়িচং, মেঘনা, চৌদ্দগ্রাম, নাঙ্গলকোর্ট, চান্দিনা ও ব্রাহ্মণপাড়া। এ জেলার আয়তন প্রায় ৩,০৮৫ বর্গকিলোমিটার।
কুমিল্লা জেলার কৃতী সন্তান হলেন- নওয়াব ফয়জুন্নেসা, অজিত কুমার গুহ, বুদ্ধদেব বসু, বসন্তকুমার মজুমদার ও খান বাহাদুর আবদুল করিম।
জেলাটি ত্রিভুজাকৃতির। দক্ষিণ দিক প্রশস্ত, উত্তর দিক সরু এবং মাথা খানিকটা ঝুঁকে পড়েছে। মেঘনা সমভূতি থেকে ত্রিপুরা পাহাড়ের পাদদেশ পর্যন্ত এর বিস্তৃতি। সমুদ্রতীর থেকে ত্রিপুরা পাহাড়ের পাদদেশের গড় উচ্চতা প্রায় ৫ ফুট আর মেঘনা মরুভূমির পশ্চিমভাগে গড় উচ্চতা প্রায় ৫ ফুট। জেলর ভেতর দিয়ে যে নদীগুলো রয়ে গেছে তাহলো- তিতাস, গোমতী, ডাকাতিয়া, ফেনী নদী আর মেঘনা নদী।
স্বাধীনতা সংগ্রামে কুমিল্লার সংগ্রামী ঐতিহ্য রয়েছে। ১৯০৫ সালের বঙ্গভঙ্গ আন্দোলন, সর্বভারতীয় আন্দোলন, তদানীন্তন ত্রিপুরা জেলার প্রথম রাজনৈতিক আন্দোলন এখন তো কিংবদন্তি হয়ে আছে। বঙ্গভঙ্গকে কেন্দ্র করে ঐতিহ্যবাহী টাউন হলে জনসভা অনুষ্ঠিত হয়। সে সময়ে যতীন রায়, মনীন্দ্র চক্রবর্তী, সুরেন্দ্র চক্রবর্তী, যোগেশ চক্রবর্তী, অমূল্য মুখার্জি প্রমুখ নেতা গোপনে বিপ্লবী দলে কাজ করতেন। কুমিল্লা জেলার উল্লেখযোগ্য জায়গা হলো- ফতেবাদ, ময়নামতি, উত্তর দুর্গাপুর, বিজয়পুর, বারপাড়া, বাগমারা, কাশিনগর, শোভাপুর, শ্রীপুর, মন্দিরহাট, বাংগোদা, ধলুয়া, গুণবতী, রায়কোট, রাধানগর, চান্দেরচর, ইলিয়টগঞ্জ, গুনাইঘর।
কুমিল্লায় শচীনদেব বর্মণের বাড়ি : বিখ্যত সুরকার ও কণ্ঠশিল্পী শচীন দেব বর্মণের স্মৃতিবিজড়িত বাসভবনটি কুমিল্লা শহরের চর্থা এলাকায় অবস্থিত। বর্তমানে পরিত্যক্ত, ভগ্নপ্রায় শচীনদেব বর্মণের বাড়িটি কারের নীরব সাক্ষী হয়ে দাঁড়িয়ে আছে। কবি কাজী নজরুল ইসলাম একবার শচীনদেব বর্মণের এ বাড়িতে অতিথি হয়ে এসেছিলেন। ত্রিপুরা রাজ্যের মহারাজা বীরচন্দ্র মাণিক্য বাহাদুরের সৎভাই মহারাজ নবদ্বীপ কুমার দেব বর্মণ বাহাদুরের বাড়ি ছিল এটি। কুমার দেব বর্মণ বাহাদুরের পুত্রই হলেন শীচনদেব বর্মণ। তিনি ভারত-বিভক্তির বহুপূর্বেই উপমহাদেশের সঙ্গীতজগতে গায়ক ও সুরের সৃষ্টিকর্তা হিসেবে প্রচুর খ্যাতি অর্জন করেছিলেন। কুমিল্লায় অবস্তি শচীনদেব বর্মণের এই বাড়িটি সংরক্ষণ করা গেলে সর্ববাংলার ইতিহাস, সংস্কৃতি, শিল্প ও সংগীতপ্রিয় বাঙালিদের কাছে দৃষ্টান্ত হয়ে থাকবে। ‘বাংলাদেশের ঢোল’, ‘বাঁশি শুনে’, ‘রঙ্গিলা’, ‘ঝিলমিল ঝিলের জলে’ প্রভৃতি গান তাঁকে স্মরণীয় করে রেখেছে।
যে পরিবহনে যাবেন : কুমিল্লায় যাওয়ার জন্য তৃষা, উইনার, পিপলস, আশা-এর যে-কোনো একটি পরিবহন বেছে নিতে পারেন। এসব পরিবহন ছাড়ে ঢাকার সায়েদাবাদ বাসস্ট্যান্ড থেকে।
কুমিল্লায় যেখানে থাকবেন : কুমিল্লায় রাত যাপন করার জন্য অনেক হোটেল রয়েছে। থাকার জন্য আধুনিক হোটেল হলোÑ নূরজাহান, আবেদীন, আশিক, মেরাজ, ময়নামতি
যা খাবেন : কুমিল্লার রসমাইর খ্যাতি দেশজোড়া। কুমিল্লা গিয়ে রসমালাই খেতে ভুলে যাবেন না কিন্তু।