ঘুরে আসুন আড়িয়ালখাঁ নদীতীর শাহ্ মাদারের মাদারীপুর

73
Social Share

লিয়াকত হোসেন খান: পদ্মা, আড়িয়ালখাঁ ও কুমার নদীর পলিবিধৌত মাদারীপুর জেলা নানা স্মৃতি-বিস্মৃতি নিয়ে জড়িত। পঞ্চদশ শতাব্দীতে ভারত থেকে আগত সুফি সাধক হযরত বদরউদ্দিন শাহ মাদার (রহ.)-এর নামানুসারে এ জেলার নামকরণ হয় মাদারীপুর। মোট ৪টি উপজেলা নিয়ে এ জেলা গঠিত। উপজেলাগুলো হলো- মাদারীপুর সদর, শিবচর, রাজৈর আর কালকিনি।
এ জেলার আয়তন প্রায় ১,১৪৫ বর্গকিলোমিটার। ঢাকা হতে দৌলতদিয়া হয়ে মাদারীপুরের দূরত্ব ২২০ কি.মি.। প্রধান নদী পদ্মা, মেঘনা, আড়িয়ালখা, কুমার। মাদারীপুরের উত্তরে ফরিদপুর ও মুন্সিগঞ্জ জেলা, দক্ষিণে বরিশাল জেলা, পূর্বে শরীয়রপুর জেলা, পশ্চিমে গোপালগঞ্জ জেলা। জেলা শহর ৯টি ওয়ার্ড ও ৩৩টি মহল্লা নিয়ে গঠিত।
বাখেরগঞ্জ জেলার অধীনে মাদারীপুর মহকুমার সৃষ্টি ১৮৫৪ সালে। ১৮৭৩ সালে মহকুমাকে বাখেরগঞ্জ জেলা থেকে ফরিদপুর জেলায় অন্তর্ভুক্ত করা হয়। প্রাচীন নিদর্শনাদি ও প্রতœসম্পদ হলো- আওলিয়াপুর নীলকুঠি, আলগী কাজীবাড়ি মসজিদ, খালিয়ায় প্রাচীন রামমন্দির, সেনাপতি দীঘি, শাহ মাদারের দরগাহ।
অতীত কথা : ফরায়েজি আন্দোলন (১৭৮১ হতে ১৮৪০) জেলার গুরুত্বপূর্ণ ইতিহাস। এ আন্দোলন পরিচালনা করেন মাদারীপুর জেলার শিবচর উপজেলার বাহাদুরপুর গ্রামের হাজী শরীয়তউল্লাহ। হাজী শরীয়তউল্লাহ এ জেলার প্রবীণতম রাজনৈতিক ব্যক্তিত্ব, ধর্মপ্রচার, ধর্মসংস্কারক এবং সুফিসাধক। তিনি ঘোষণা দিয়েছিলেন : ‘জমিদার মহাজনদের কোন অধিকার নেই কৃষকদের শ্রমে নিজেদের ভাগ্য গড়ার’। তাঁর এই প্রচারের ফলে নির্যাতিত হিন্দু-মুসলিম দলে দলে বিদ্রোহের জন্য প্রস্তুতি নিতে থাকে। কিন্তু সংগ্রামের চরম মুহূর্তে হাজী শরীয়তউল্লাহ ১৮৩৯ সালে ইন্তেকাল করেন। পরে তাঁকে শামাইল গ্রামে দাফন করা হয়।
ফরায়েজি আন্দোলন থেকে শুরু করে ওহাবি আন্দোলন, সিপাহি বিদ্রোহ, সন্ত্রাবাসী আন্দোলন, বঙ্গভঙ্গ বিভাগ, খেলাফত আন্দোলন, কংগ্রেসী আন্দোলন তথা গান্ধীজির অসহযোগ আন্দোলনে মাদারীপুরবাসী উল্লেখযোগ্য ভূমিকা রেখেছে।
মাদারীপুর মিউনিসিপ্যালিটি গঠিত হয় ১৮৭৫ সালে। মাদারীপুর সদর হাসপাতাল বেশ প্রাচীন। এটি ১৮৬৯ সালে প্রতিষ্ঠা করা হয়। ১৯১৪ সালে মি. ডনোভান মাদারীপুর মহকুমার প্রশাসক ছিলেন। তাঁরই নামে ডনোভান বালিকা উচ্চ বিদ্যালয় প্রতিষ্ঠিত হয়েছিল।
যা যা দেখবেন : মাদারীপুর শহরে দেখবেন শাহ মাদারের দরগাহ। এটি শহরের একপ্রান্তে কুলপদ্মী এলাকায় অবস্থিত। শহরের পাশ থেকে বয়ে গেছে আড়িয়ালখাঁ নদী। পড়ন্ত বিকেলে এই নদীতীরে বেড়াতে পারেন। নাজিমউদ্দিন কলেজটিও দেখার মতো। এটি ১৯৪৮ সালে প্রতিষ্ঠিত হয়েছিল। মাদারীপুরের সুফিয়া মহিলা কলেজ, ডনোভান সরকারি উচ্চ বালিকা বিদ্যালয়, আহমেদিয়া আলিয়া মাদ্রাসা, স্বাধীনতা অঙ্গন, মাদারীপুর লেক, জেলা পরিষদ ভবন, পৌরসভা কার্যালয় ইত্যাদি ঘুরে দেখার মতো।
মাদারীপুর শহরের কেন্দ্রস্থলে ২০ একর ভূমিতে মাদারীপুর লেক তৈরি করা হয়েছে। এটি দেখার মতো। শহরের অন্যতম সৌন্দর্যও বটে। এই লেকের পাড়ে দেখবেন লেক ভিউ ক্লাব, উদয়ের পথে শিশু বিদ্যালয়, সার্কিট হাউস, মুক্তিযোদ্ধা মিলনায়তন, প্রকৌশলীর কার্যালয়, অফিস-আদালত, শিশুপার্ক আর স্বাধীনতা-অঙ্গন। উড়িয়া এবং বিহারী মাটিকাটা শ্রমিকদের দিয়ে এ লেক কাটা হয়।
মাদারীপুর সদর উপজেলার মধ্যে আরো দর্শনীয় স্থান আছে। যেমন- আলগী কাজীবাড়ী মসজিদ, আওলিয়াপুর নীলকুঠি। আলগী কাজীবাড়ী মসজিদ, অন্যতম প্রাচীন মসজিদ। এটি বাহাদুরপুর ইউনিয়নের আলগী গ্রামে অবস্থিত। এই মসজিদের প্রাচীন ভবনটি আগেই ধ্বংস হয়ে গেছে। নতুনভাবে আবার তৈরি করা হলেও পুরনো কিছু ইট এর সাক্ষ্য হিসেবে রয়ে গেছে। নতুন মসজিদের পাশে একটি দীঘিও দেখতে পাবেন।
ডানলপ সাহেবের নীলকুঠি : লোকে বলে ডানলপ সাহেবের নীলকুঠি। এ কুঠি ব্রিটিশ আমলে মাদারীপুর জেলার আউলিয়াপুরে কৃষকনির্যাতনের নীরব সাক্ষী। ডানলপ সাহেব ছিলেন নীলকর। নীলের ব্যবসা করে রাতারাত্রি কোটিপতি হওয়ার বাসনা নিয়ে তিনি এসেছিলেন এ এলাকায়। ১২ একর জমির ওপর তিনি স্থাপন করেন নীলকুঠি। তাও প্রায় দুশো বছর আগের কথা। এ নীলকুঠি আজ নিশ্চি‎‎‎হ্ন। স্মৃতি হিসেবে শুধু রয়েছে একটি উঁচু চুল্লি।
এ কুঠিটির অবস্থান ছিল মাদারীপুর জেলা শহর থেকে মাত্র ১০ কিলোমিটার পূর্বে সদর থানার দিলারচর ইউনিয়নের আউলিয়াপুরে। জনশ্রুতি হচ্ছে, বহুকাল আগে থেকেই গ্রামটি বিভিন্ন আউলিয়ার পদস্পর্শধন্য বলে এর নাম হয় আউলিয়াপুর। এ গ্রামেই রয়েছে খ্যাতিমান আউলিয়া হযরত শাহ সুফি খাজা ইউসুফ শাহ আহসানের দরগা শরিফ। অযতেœ-অবহেলায় দরগাটি আজ জরাজীর্ণ। দরদাটির অবস্থান নীলকুঠির পাশেই।
৫০ বছর আগেও কুঠি এলাকাটি ছিল ঘন জঙ্গলে আবৃত। বাস করত বাঘসহ নানা ধরনের সিংহ প্রাণী। এখন অবশ্য এখানে আর জঙ্গল নেই। কুঠির জমিও বিভিন্ন লোক বিভিন্নভাবে বেহাত করে নিয়েছে। রয়ে গেছে শুধু চুল্লিটি। স্থানীয়ভাবে জানা গেছে, বৃহত্তর ফরিদপুরের অংশ হিসেবে মাদারীপুরে নীল চাষ শুরু হয়। পলাশীর যুদ্ধের কিছুকাল পর থেকেই।
এলাকাটি ছিল নীলচাষের জন্য বিশেষ উপযোগী। তখন শুধু ডানলপ সাহেব নন, অনেক ইংরেজই এদিকে ভিড় জমিয়েছিল নীল চাষ করতে। বিলুপ্ত ডানলপ কুঠির পূর্বে ছিল রণখোলা, পশ্চিমে আউলিয়াপুর বাজার উত্তরে কালীতলা ও দক্ষিণে আউলিয়াপুর দরগা শরিফ। ১২ কক্ষ বিশিষ্ট ও কুঠির মাঝমাঝি অংশ রয়েছে চুল্লি, যেখানে নীল তৈরি করা হতো। চুল্লির পাশেই রয়েছে ৪০ ফুট উঁচু চিমনি।
নীল কুঠিয়াল ও তাদের দোসর জমিদার মহাজনদের অত্যাচারে এ অঞ্চলের কৃষকরা যখন জর্জরিত, ঠিক সেই মুহূর্তে খেলাফত আন্দোলনের নেতা হাজী শরীয়তউল্লাহ ও তাঁর পুত্র পীর মহসিনউদ্দীন দুদুমিয়া কুঠিয়ালদের বিরুদ্ধে প্রতিরোধ গড়ে তোলেন। এ নিয়ে নীল কুঠিয়ালদের সঙ্গে দুদুমিয়া বাহিনীল প্রচন্ড যুদ্ধ হয়। এ যুদ্ধে পরাজিত নীল কুঠিয়ালরা পালিয়ে যায়। আউলিয়াপুরের যে স্থানে এ যুদ্ধ সংঘটিত হয়েছিল সেই স্থানটি পরবর্তী সময় রণখোলা নামে পরিচিত লাভ করে। নীলকুঠি দেখতে গিয়ে পিকনিক স্পটও দেখা হবে।
কুলপদ্মী মাদারীপুর পৌরসভার মধ্যে অবস্থিত একটি উপশহর। এখানে একসময়ে পাট ব্যবসাকেন্দ্র ছিল। শাহ মাদারের দরগাহ এখানেই দেখবেন। এক সময়ে অগণিত বানরের বাস ছিল এখানে। জনবসতি গড়ে ওঠায় এখান থেকে বানরের বিলুপ্তি হয়ে যায়। বন নার্সারি দেখবেন এখানে।
চরমুগুরিয়া : চরমুগুরিয়া এলাকা মাদারীপুর পৌরসভার অধীনে। এখানে রিকশায় যেতে প্রায় ২৫ মিনিট সময় লাগে। একসময় এখানে স্টিমারঘাট ছিল। মেঘলা, লালি, কিউই, অস্ট্রিচ, শিউলি নামের বড় বড় স্টিমার এখান দিয়ে চলাচল করত। ‘প্রাচ্যের ডান্ডি’ হিসেবে চরমুগুরিয়ার খ্যাতিও ছিল। সেই ইতিহাস এখন বিলুপ্তির পথে। গরু-ছাগলের একটি হাট রয়েছে এখানে। এখানে গেলে বানর দেখতে পাবেন। ঘরের ছাদে ও গাছে গাছে বানর বসবাস করছে। দিন দিন এদের সংখ্যা কমে যাচ্ছে।
মাদারীপুর জেলার বৃহত্তম দীঘি দেখতে হলে টেকেরহাটে আসুন। টেকেরহাট ব্রিজের দৈর্ঘ্য ১২২ মিটার।
মাদারীপুরের মোস্তফাপুর ইউনিয়নের কুমারনদীর দক্ষিণতীর ঘেঁষে অবস্থিত পর্বতের বাগান। রাসবিহারী এই বাগনটি স্থাপন করেছিলেন। এখানে গিয়ে দেখবেন বিশাল বাগান। গাছপালা, পুকুর দীঘি রয়েছে এখানে। গাছে গাছে দেখবে অসংখ্য পাখি। এরা সৌন্দর্যকে করেছে অপরূপ। কখনো কখনো মনে হবে, পর্বতের বাগান যেন অপরূপ সৌন্দর্যের লীলাক্ষেত্র।
রাজৈর : মাদারীপুরের এই উপজেলায় গিয়ে দেখুন আমগ্রাম। এখানে রয়েছে পীর মাহতাবউদ্দীন শাহের বাড়ি। আমগ্রাম স্কুলটি প্রায় ১০০ বছর আগে নির্মিত হয়েছেÑ এটিও দেখার মতো। এই আমগ্রামে চাঁদমোহন চক্রবর্তীর মতো বিখ্যাত ব্যক্তির জন্ম হয়েছিল।
রাজৈরের খালিয়া গ্রামে দেখবেন রাজারাম মন্দির। এর সম্মুখভাগে রামায়ণ ও মহাভারতের দৃশ্যাবলি খচিত রয়েছে। রাজারাম মন্দির সপ্তদম শতাব্দীতে নির্মিত হয়েছিল। এক সময় প্রবল প্রতাপশালী জমিদারদের আবাসভূমি ছিল এই খালিয়ায়। প্রাচীন আমলের কয়েকটি দালান দেখবেন এখানে।
রাজৈরের বাজিতপুর গ্রামে গেলে দেখবেন জমিদার রাজকুমার মজুমদারের বাড়ি। সাধক প্রণবানন্দ মহারাজ বিনোদদাসের জন্ম এখানে। এই বাজিতপুরে একটি সেবাশ্রম রয়েছে। প্রণবানন্দ মাঠে প্রতিবছর মাঘী পূর্ণিমার মেলায় হাজার হাজার ভক্ত ভিড় জমায়।
বাজিতপুরের রাজকুমার এডওয়ার্ড হাইস্কুল আর ত্রিপুরা সুন্দরী চেরিট্যাবল ডিসপেন্সারি দুটি ঘুরে দেখুন। এর প্রথমটি ১৯০২ সালে এবং অপরটি ১৯০৭ সালে নির্মিত হয়েছিল। গোঁসাইবাড়ি দেখতে হলে পাইকপাড়া ইউনিয়নে আসুন। পাইকপাড়া হল চাঁদ গোস্বামীর (গোঁসাই) বাড়ি, বৈরাগী (বাউল) সম্প্রদায়েল পবিত্রভূমি। তাঁর মৃত্যুবার্ষিকীতে প্রতিবছর ১০ অগ্রহায়ন বাউলরা এখানে মিলিত হয়।
রাজৈর থানা শহর ঘুরে দেখার সময় দেখবেনÑ কুমার নীল, নীলকুঠি, কেজিএস পাইলট ইনস্টিটিউট। এক সময় রাজৈরে স্টিমারঘাট ছিল, এখন আর তা নেই। সময়ে এর সব পরিবর্তন হয়ে গেছে।
কালকিনি : এই উপজেলার খাতিয়াল গ্রামের মধ্যবর্তী স্থানে এক বিশাল দীঘি দেখবেন। ২৫০০ একর ভূমিতে এ দীঘির আয়তন। মোঘল সম্রাট জাহাঙ্গীরের আমলে সুবেদার ইসলাম খাাঁর নেতৃত্বে বিরাট একদল সৈন্য ঢাকা যাওয়ার পথে এখানে কিছুদিন অতিবাহিত করেন। পানীয় জলের অভাব মেটাতে সেনাবাহিনী কর্তৃক এ দীঘি খনন করা হয় বলেই এর নাম করা হয় ‘সেনাপতির দীঘি।’
ঔপন্যাসিক সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়ের জন্মস্থান কালকিনির কাজীবাকাই ইউনিয়নের মাইছপাড়া গ্রামে। তাই মাইছপাড়া গ্রাম দেখে আসুন। কালিগঞ্জ গ্রাম বেশিদূরে নয়। এখানে দেখবেন প্রখ্যাত হিন্দু জমিদার বৈকুণ্ঠ রায় চৌধুরীরর বাড়ি, কালিগঞ্জ হাইস্কুল। হাই স্কুলটি ১৯০৪ সালে স্থাপিত হয়।
শিবচর : শিবচর উপজেলায় গেলে দেখবেন ইতিহাসখ্যাত ফরায়েজি নেতা হাজি শরীয়তউল্লাহ এবং দুুদুমিয়ার স্মৃতিবিজড়িত জায়গা। শিবচরের বাহাদুরপুর গ্রামে এদের জন্ম। বাহাদুরপুর শরীয়তীয়া আলিয়া মাদ্রাসাটি ১৯৪০ সালে স্থাপিত হয়। এটিও ঘুরে দেখুন। এখানে বার্ষিক ওয়াজ মাহফিল অনুষ্ঠানে হাজার হাজার ধর্মপ্রাণ মুসলমানের আগমন ঘটে।
অন্যান্য তথ্য : মাদারীপুরের উল্লেখযোগ্য হাটবাজার হলÑ বরহামগঞ্জ বাজার, উৎরাইল হাট, মাতবরের হাট, মিয়ারহাট, কবিরাজপুর, রাজৈর, মোস্তফাপুর বাজার, মিঠাপুর বাজার। উল্লেখযোগ্য মেলা-চৈত্রসংক্রান্তি উপলক্ষে সেনদিয়া মেলা, মাঘী পূর্ণিমায় বাজিতপুর মেলা ও কদমবাড়ি গণেশ পাগলের মেরা। এখানের বিশিষ্ট ব্যক্তিত্ব হলেন স্বামী প্রণবানন্দ মহারাজ। প্রধান ফলফলাদি হল কাঁঠাল, আম, পেঁপে, নারিকেল ও কলা। বিলুপ্তপ্রায় ফসলাদি হলো- নীল, পান, তরমুজ।
মাদারীপুরের যেদিকে যাবেন সে দিকেই দেখবেন সবুজ ধানক্ষেত; কত ন গাছগাছালির। এ সবকিছু মাদারীপুরকে করেছে নয়নাভিরাম।
যেভাবে যাবেন : ঢাকা হতে মাদারীপুর যাওয়ার জন্য হানিফ কিংবা চন্দ্র পরিবহনকে বেছে নিতে পারেন। সময় লাগে ৫ ঘণ্টা।
যেখানে থাকবেন : রাত যাপন করার জন্য মাদারীপুর শহরে রয়েছে হোটেল সুমন, সৈকত, পলাশ প্রভৃতি।