খুলনা ‘ য় স্কুলছাত্রীকে আটকে রেখে ধর্ষণ, থানায় মামলা

120
খুলনা
Social Share

খুলনা ‘ র রূপসায় সপ্তম শ্রেণির এক ছাত্রীকে পরিত্যক্ত বরফ কলে আটকে রেখে রাতভর ধর্ষণের ঘটনা ঘটেছে। অসুস্থ অবস্থায় মেয়েটিকে উদ্ধার খুলনা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। সোমবার (১ নভেম্বর) এ ঘটনায় খুলনা থানায় মামলা হয়েছে। তবে অভিযুক্ত ধর্ষণকারী চয়নকে আটক করা সম্ভব হয়নি।

খুলনা সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা হাসান আল মামুন জানায়, স্কুলছাত্রীর মা বাদী হয়ে রূপসা মোড়ের গোলাম মোস্তফার ছেলে চয়নের বিরুদ্ধে ধর্ষণ মামলা করেন। পুলিশ তদন্তের স্বার্থে এর বাইরে কোন তথ্য দিতে নারাজ

মেয়েটির পরিবার জানায়, শনিবার সন্ধ্যায় ওই স্কুল ছাত্রী ও তার বড় বোন রূপসা মার্কেটে বাজার করতে যায়। সেখান থেকে ওই স্কুল ছাত্রীকে জোর করে তুলে নিয়ে যায় চয়ন ও তার সহযোগিরা। স্কুলে আসা-যাওয়ার পথে ওই ছাত্রীকে উত্যক্ত করতো বখাটে চয়ন।
রবিবার সকালে জানাজানি হয় যে, স্কুল ছাত্রীকে রূপসার একটি পরিত্যক্ত স্থানে নিয়ে শারীরিক ও যৌন নির্যাতন করা হয়েছে। এরপর স্কুল ছাত্রীর পরিবার তাকে খুলনা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে ভর্তি করেন। পরবর্তীতে ছাত্রীর জবানবন্দী অনুযায়ী তার মা বাদী হয়ে সদর থানায় ধর্ষণ মামলা করেন।

খুলনার রূপসায় সপ্তম শ্রেণির এক ছাত্রীকে পরিত্যক্ত বরফ কলে আটকে রেখে রাতভর ধর্ষণের ঘটনা ঘটেছে। অসুস্থ অবস্থায় মেয়েটিকে উদ্ধার খুলনা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। সোমবার (১ নভেম্বর) এ ঘটনায় খুলনা থানায় মামলা হয়েছে। তবে অভিযুক্ত ধর্ষণকারী চয়নকে আটক করা সম্ভব হয়নি।

খুলনা সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা হাসান আল মামুন জানায়, স্কুলছাত্রীর মা বাদী হয়ে রূপসা মোড়ের গোলাম মোস্তফার ছেলে চয়নের বিরুদ্ধে ধর্ষণ মামলা করেন। পুলিশ তদন্তের স্বার্থে এর বাইরে কোন তথ্য দিতে নারাজ।

মেয়েটির পরিবার জানায়, শনিবার সন্ধ্যায় ওই স্কুল ছাত্রী ও তার বড় বোন রূপসা মার্কেটে বাজার করতে যায়। সেখান থেকে ওই স্কুল ছাত্রীকে জোর করে তুলে নিয়ে যায় চয়ন ও তার সহযোগিরা। স্কুলে আসা-যাওয়ার পথে ওই ছাত্রীকে উত্যক্ত করতো বখাটে চয়ন।
রবিবার সকালে জানাজানি হয় যে, স্কুল ছাত্রীকে রূপসার একটি পরিত্যক্ত স্থানে নিয়ে শারীরিক ও যৌন নির্যাতন করা হয়েছে। এরপর স্কুল ছাত্রীর পরিবার তাকে খুলনা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে ভর্তি করেন। পরবর্তীতে ছাত্রীর জবানবন্দী অনুযায়ী তার মা বাদী হয়ে সদর থানায় ধর্ষণ মামলা করেন।