খালেদা জিয়ার জামিনের মেয়াদ বাড়ল আরো একবছর

Social Share

মুক্তিযোদ্ধাদের সংখ্যা নিয়ে বিতর্কের কারণে মানহানির অভিযোগে ঢাকা ও নড়াইলে করা পৃথক দুটি মামলায় খালেদা জিয়াকে হাইকোর্টের দেওয়া জামিনের মেয়াদ আরো একবছর বাড়ানো হয়েছে।

বিচারপতি মুহাম্মদ আবদুল হাফিজ ও বিচারপতি কাজী মো. ইজারুল হক আকন্দের হাইকোর্ট বেঞ্চ আজ মঙ্গলবার জামিনের মেয়াদ বাড়িয়ে আদেশ দিয়েছেন। আদালতে খালেদা জিয়ারপক্ষে আইনজীবী ছিলেন ব্যারিস্টার কায়সার কামাল, অ্যাডভোকেট মাকসুদ উল্লাহ ও গোলাম আক্তার জাকির।

হাইকোর্ট নড়াইলের মামলায় ২০১৮ সালের বছর ১৩ আগস্ট এবং ঢাকার মামলায় একইবছরের ১৪ আগস্ট খালেদা জিয়াকে ৬ মাসের জামিন দেন। এ জামিন স্থগিত করতে রাষ্ট্রপক্ষ আবেদন করলেও আপিল বিভাগ তা বহাল রাখেন। পরবর্তীতে জামিনের মেয়াদ শেষ হওয়ায় হাইকোর্ট গতবছর ৫ ফেব্রুয়ারি জামিনের মেয়াদ একবছর বাড়িয়ে দেন। এই মেয়াদ শেষ হওয়ার পেক্ষাপটে খালেদা জিয়ার আবেদনে আরো একবছর জামিন বাড়িয়ে আদেশ দিয়েছেন আদালত।

মুক্তিযোদ্ধাদের সংখ্যা নিয়ে ২০১৫ সালের ২১ ডিসেম্বর বিরুপ মন্তব্য করার অভিযোগে ওই বছরের ২৪ ডিসেম্বর খালেদা জিয়ার বিরুদ্ধে নড়াইলে মানহানির মামলা করা হয়। স্থানীয় এক মুক্তিযোদ্ধার সন্তান রায়হান ফারুকী ইমাম বাদী হয়ে মামলাটি করেন। ২০১৬ সালের ২৩ আগস্ট খালেদা জিয়াকে স্বশরীরে হাজির হওয়ার নির্দেশ দেন আদালত। নির্ধারিত সময়ে খালেদা জিয়া আদালতে হাজির না হওয়ায় তার বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করা হয়। এ মামলায় খালেদা জিয়ার জামিন আবেদন ২০১৮ সালের ৫ আগস্ট খারিজ করেন নড়াইল আদালত। এরপর হাইকোর্টে জামিনের আবেদন করা হলে আদালত ওই বছরের ১৩ আগস্ট খালেদা জিয়াকে ৬ মাসের জামিন দেন।

এ ছাড়া একই ঘটনায় ২০১৬ সালের ৫ জানুয়ারি এ বি সিদ্দিকীর করা মামলায় ঢাকা মহানগর ম্যাজিস্ট্রেট আদালত ২০১৮ সালের ৭ আগস্ট খালেদা জিয়ার জামিন আবেদন খারিজ করেন। এরপর খালেদা জিয়ার জামিন চেয়ে হাইকোর্টে আবেদন করা হলে ২০১৮ সালের ১৪ আগস্ট আদালত তাকে ৬ মাসের জামিন দেন।