কাশ্মীর ইস্যুতে এই প্রথম ভারতের বিপক্ষে মার্কিন পদক্ষেপ

দুই মাস আগে জম্মু ও কাশ্মীরের বিশেষ মর্যাদা বাতিল করে ভারতীয় কর্তৃপক্ষ। এরপর এই প্রথম এ বিষয়ে ভারতের বিপক্ষে পদক্ষেপ নিয়েছে যুক্তরাষ্ট্র। যুক্তরাষ্ট্রের সিনেটররা কাশ্মীরে মানবিক সঙ্কট অবসান ও যোগাযোগ ব্যবস্থা পূণর্বহাল চেয়ে প্রথম কোন পদক্ষেপ নিয়েছেন।

কংগ্রেসের প্রতিনিধি দলের সদস্য হিসেবে সম্প্রতি ভারত সফর করা সিনেটর ক্রিস ভান হোলেন এই আবেদনের প্রস্তাব করেন। প্রস্তাবটিতে কাশ্মীর পরিস্থিতি ছাড়াও ভারত-যুক্তরাষ্ট্র দ্বিপক্ষীয় সম্পর্ক, বাণিজ্য সম্পর্ক ও প্রতিরক্ষা সরঞ্জাম বিক্রির বিষয় রয়েছে।

জম্মু ও কাশ্মীর বিষয়ে মার্কিন পররাষ্ট্র বিষয়ক সিনেট কমিটি তাদের এক রিপোর্টে  এই আবেদন জানিয়েছে। ২০২০ সালের পররাষ্ট্রনীতি বিষয়ক আইন প্রণয়নের ঠিক আগ মুহূর্তে এই রিপোর্টটি উঠল সিনেটে।

কাশ্মীর ইস্যুতে এটিই যুক্তরাষ্ট্রের এমপিদের প্রথম কোন পদক্ষেপ।

প্রস্তাবটি সিনেটে দাখিল করেছেন প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পের ঘনিষ্ঠজন হিসেবে পরিচিত সিনিয়র রিপাবলিকান সিনেটর লিন্ডসে গ্রাহাম।

লিন্ডসে গ্রাহাম বলেন, কমিটি কাশ্মীরের চলমান মানবিক সঙ্কট নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেছে এবং ভারত সরকারের প্রতি আহ্বান জানিয়েছে দ্রুত সেখানকার টেলিফোন ও ইন্টারনেট সুবিধা চালু করার। এছাড়া কারফিউসহ অঞ্চলটি অচল করে রাখতে যেসব ব্যবস্থা নেয়া হয়েছে সেগুলোও তুলে নিতে বলা হয়েছে।  সেই রিপোর্টে গ্রেপ্তারকৃতদের মুক্তির দাবিও রয়েছে।

জানা গেছে, সেপ্টেম্বরের ২৬ তারিখ ভারতীয় প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি যখন যুক্তরাষ্ট্রে অবস্থান করছিলেন, তখনই রিপোর্টটি দাখিল করা হয়। রিপোর্টে কাশ্মীরের পরিস্থিতি নিয়ে ব্যাপক উদ্বেগ প্রকাশ করা হয়েছে।

সিনেটর ভান হোলেন বলেছেন, আমি আমার এই উদ্বেগগুলো প্রধানমন্ত্রী মোদিকে ব্যক্তিগতভাবে বলতে চেয়েছিলাম। কিন্তু আমি তার সাথে সাক্ষাৎ করতে পারিনি।