কাশ্মীরে গ্রেপ্তার পুলিশ কর্মকর্তা বাংলাদেশেও এসেছিলেন?

জঙ্গি গোষ্ঠীর সঙ্গে জড়িত থাকার সন্দেহে গ্রেপ্তার করা হয়েছে জম্মু ও কাশ্মীরের পুলিশ কর্মকর্তা দেবিন্দর সিংকে। এই ঘটনায় তদন্ত করছে ভারতের ন্যাশনাল ইনভেস্টিগেশন এজেন্সি (এনআইএ)। গত বৃহস্পতিবার কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের পক্ষ থেকে এনআইএনকে তদন্ত করার জন্য নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

ভারতের স্থানীয় সংবাদমাধ্যম সূত্রে জানা যায়, দুই কমান্ডার নাভিদ বাবু ও রাফি আহমেদ রাথারের সঙ্গে জাতীয় হাইওয়ে থেকে জম্মু যাওয়ার পথে দেবিন্দর সিংকে গ্রেপ্তার করা হয়। দেবিন্দর সিং জঙ্গি গোষ্ঠীর সঙ্গে জড়িত থাকার সন্দেহে অবৈধ কার্যকলাপ প্রতিরোধ আইনের আওতায় গ্রেপ্তার হন।

এদিকে, এনআইএ দেবিন্দর সিংয়ের বিরুদ্ধে অস্ত্র আইন এবং অবৈধ কার্যকলাপ প্রতিরোধ আইনের (ইউএপিএ) আওতায় পৃথক মামলা দায়ের করেছে। তাদের সূত্রগুলো বলছে, গত বছর তিন বার এই পুলিশ কর্মকর্তা বাংলাদেশে সফর করেছিলন। বাংলাদেশে তার মেয়ে পড়াশোনা করছে। তদন্তকারী কর্মকর্তারা এনিয়েও বিশদভাবে তদন্ত করছেন যে, তিনি আসলে কোন কাজে বাংলাদেশে এসেছিলেন। কার সঙ্গে দেখা করতে এবং কেন এতো কম সময়ের মধ্যে তিন বার বাংলাদেশ সফর করেন।

দেশটির এক পুলিশ কর্মকর্তা জানান, দেবিন্দর সিং ২০১৯ সালের মার্চ, মে ও জুলাই মাসে বাংলাদেশ সফর করেন। এনআইএ তার এই সফর নিয়ে তদন্ত করছে।

এনআইএ সন্দেহও করছে যে, পাকিস্তানেরর আন্তঃবাহিনী গোয়েন্দা সংস্থার (আইএসআই) এজেন্টদের সঙ্গে সাক্ষাত করে থাকতে পারেন ওই পুলিশ কর্মকর্তা। এটা নিয়েও তারা তদন্ত করছেন।

এক পুলিশ কর্মকর্তা জানান, বাংলাদেশ সফরের পর ওই পুলিশ কর্মকর্তার ব্যাংক অ্যাকাউন্ট থেকে কয়েকবার লেনদেন হয়েছে। ওই অর্থ কোথায় থেকে আসে? তিনি কি ভারতের বাইরে থেকে কোনো অর্থ পেয়েছেন? সব কয়েকটি প্রশ্নের উত্তর পাওয়া জরুরি। আর এই বিষয়টি নিয়ে এনআইএ তদন্ত করছে।