করোনা সংক্রমণের রেড জোন ঢাকা ও রাঙামাটি

36
রেড
Social Share

করোনাভাইরাস সংক্রমণের ঝুঁকি বিবেচনায় ঢাকা ও রাঙামাটি জেলাকে রেড জোন বা অধিক ঝুঁকিপূর্ণ হিসেবে চিহ্নিত করেছে স্বাস্থ্য অধিদপ্তর।

বুধবার (১২ জানুয়ারি) স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের করোনা ড্যাশবোর্ড ওয়েবসাইট থেকে এ তথ্য জানা গেছে

এতে বলা হয়, রেড জোনে থাকা ঢাকা ও রাঙামাটি জেলায় করোনা সংক্রমণের হার ১০ শতাংশ থেকে ১৯ শতাংশ। আর মধ্যম পর্যায়ের (হলুদ জোন) ঝুঁকিতে রয়েছে রাজশাহী, রংপুর, নাটোর, লালমনিরহাট, দিনাজপুর এবং যশোর। এসব জেলায় সংক্রমণের হার ৫ থেকে ৯ শতাংশ।

অপরদিকে আর সংক্রমণের গ্রিন জোন বা কম ঝুঁকিতে আছে অবশিষ্ট ৫৪ জেলা। এ ছাড়া পঞ্চগড় ও বান্দরবান জেলায় নমুনা পরীক্ষার হার খুবই কম হয়েছে বলে জানায় স্বাস্থ্য অধিদপ্তর।  

বাংলাদেশের করোনাভাইরাস সংক্রমণ পরিস্থিতি বিবেচনায় বিভিন্ন এলাকা লাল, হলুদ ও সবুজ- এই তিন ভাগে ভাগ করা থাকে স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের ওয়েবসাইটে।

এদিকে রেড জোন বা উচ্চ ঝুঁকিতে থাকা মানেই রেড অ্যালার্ট জারি নয় বলে জানিয়েছেন স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র তথ্য কর্মকর্তা মাইদুল ইসলাম প্রধান।

গত কয়েক দিন ধরেই দেশে করোনা সংক্রমণ বাড়ছে। এরই মধ্যে সরকার আগামীকাল বৃহস্পতিবার (১৩ জানুয়ারি) থেকে দেশে করোনা প্রতিরোধে ১১ দফা বিধি-নিষেধ জারি করেছে।

করোনা সংক্রমণজনিত বিধি-নিষেধ জারির পরের দিনই দেশে ২৪ ঘণ্টায় ২ হাজার ৪৫৮ জনের শরীরে ভাইরাসটির উপস্থিতি শনাক্তের কথা জানানো হয়। পরীক্ষার বিবেচনায় শনাক্তের হার এ সময় বেড়ে ৯ শতাংশের কাছাকাছি পৌঁছেছে।

……………………………………………………………………………………………

অপরদিকে আর সংক্রমণের গ্রিন জোন বা কম ঝুঁকিতে আছে অবশিষ্ট ৫৪ জেলা। এ ছাড়া পঞ্চগড় ও বান্দরবান জেলায় নমুনা পরীক্ষার হার খুবই কম হয়েছে বলে জানায় স্বাস্থ্য অধিদপ্তর।  

বাংলাদেশের করোনাভাইরাস সংক্রমণ পরিস্থিতি বিবেচনায় বিভিন্ন এলাকা লাল, হলুদ ও সবুজ- এই তিন ভাগে ভাগ করা থাকে স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের ওয়েবসাইটে।

এদিকে রেড জোন বা উচ্চ ঝুঁকিতে থাকা মানেই রেড অ্যালার্ট জারি নয় বলে জানিয়েছেন স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র তথ্য কর্মকর্তা মাইদুল ইসলাম প্রধান।

গত কয়েক দিন ধরেই দেশে করোনা সংক্রমণ বাড়ছে। এরই মধ্যে সরকার আগামীকাল বৃহস্পতিবার (১৩ জানুয়ারি) থেকে দেশে করোনা প্রতিরোধে ১১ দফা বিধি-নিষেধ জারি করেছে

করোনা সংক্রমণজনিত বিধি-নিষেধ জারির পরের দিনই দেশে ২৪ ঘণ্টায় ২ হাজার ৪৫৮ জনের শরীরে ভাইরাসটির উপস্থিতি শনাক্তের কথা জানানো হয়। পরীক্ষার বিবেচনায় শনাক্তের হার এ সময় বেড়ে ৯ শতাংশের কাছাকাছি পৌঁছেছে।