করোনা পরিস্থিতি মোকাবেলায় সম্মুখযোদ্ধার ভূমিকায় কাজ করছেন এমপিরা

Social Share

করোনা সংকট মোকাবিলায় সম্মুখযোদ্ধার ভূমিকায় চিকিৎসক, পুলিশ প্রশাসন, সিভিল প্রশাসন, গণমাধ্যমকর্মীদের পাশাপাশি সংসদ সদস্যরাও গুরুত্বপূর্ণ কাজ করে যাচ্ছেন। নিজ নির্বাচনি এলাকার অসহায় মানুষদের করোনামুক্ত এবং জীবনযাত্রা স্বাভাবিক রাখতে কাজ করছেন এমপিরা। ভিনিউজ সেসব সাংসদ ও জনপ্রতিদের উদ্যাগে স্বাগত জানিয়ে নিয়মিত প্রতিবেদন প্রকাশ  করেছে। প্রতিবেদনটি সমন্বয় করেছে তানজিনা হাসান মৌ–+

ভাইরাসটির সংক্রমণ রোধে প্রথম থেকেই নিজ নির্বাচনি এলাকায় কঠোর পরিশ্রম করছেন তারা। ঝুঁকি নিয়ে ব্যক্তিগত উদ্যোগে অসহায়, শ্রমজীবী, দরিদ্র এবং নিম্নবিত্তদের বাড়ি বাড়ি ত্রাণ সামগ্রী পৌঁছে দিয়েছেন
বেগম মন্নুজান সুফিয়ান, খুলনা-৩ (খালিশপুর, দৌলতপুর, খানজাহান আলি থানা) : বেগম মন্নুজান সুফিয়ান খুলনা-৩ আসনের সংসদ সদস্য এবং সরকারের শ্রম ও কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন। গত মার্চ মাস থেকেই করোনা প্রতিরোধে সামাজিক সচেতনতা তৈরির কাজ শুরু হয়। করোনা সংকটকালীন সময়ে গামেন্টর্সসহ সব ধরণের কারাখানায় কর্মরত শ্রমিক শ্রেনীর বিশাল জনগোষ্ঠীকে ভাইরাস মুক্ত রাখতে নিরলসভাবে কাজ করছেন। ব্যক্তিগতভাবে কারাখানা মালিকদের এবং সংগঠনের নেতাদের সঙ্গে কথা বলে শ্রমিকদের সুরক্ষা নিশ্চিত করেছেন। সংসদ সদস্য বেগম মন্নুজান সুফিয়ান জানান, নিজ নির্বাচনি এলাকার প্রতিটি ইউনিয়নের করোনা প্রতিরোধ সামগ্রী এবং অসহায়দের মধ্যে খাদ্যদ্রব্য বিতরণ করেছেন। এছাড়াও সরকারি ত্রান সহায়তার সুষ্ঠু বন্টনে ছিলেন তৎপর।
আব্দুস সালাম মুর্শেদী, খুলনা – ৪ (দিঘলিয়া, রুপসা ও তেরখাদা) : খুলনা- ৪ এর সংসদ সদস্য আওয়ামী লীগের আব্দুস সালাম মুর্শেদী। করোনা সংকটের শুরু থেকেই সংক্রমণ এবং বিস্তার রোধে সামাজিক দূরত্ব বজায় রাখার পাশাপাশি সর্বসাধারণের মধ্যে সচেতনতা সৃষ্টির লক্ষ্যে সব উপজেলায় কাজ করে যাচ্ছেন এ সংসদ সদস্য। করোনায় সাহায্যের কথা উল্লেখ করে তিনি বলেন, আঞ্জুমান মফিদুল ইসলামকে একটা এম্ব্যুলেন্স দেয়া হয়েছে। খুলনা হাসপাতালে অক্সিজেন সিলিন্ডার দেয়া হয়েছে। তিনি আরও বলেন, করোনা শনাক্তের শুরুর দিকে যে সকল পরিবার সরকারি সহায়তা পায়নি এমন ১০ হাজার পরিবারকে খাদ্য সহায়তা প্রদান করা হয়েছে। তিন উপজেলায় ‘সালাম মুর্শেদী সংঘ’ গঠন করা হয়েছে। এর কাজ হলো- করোনায় আক্রান্তদের বাড়ি বাড়ি গিয়ে খোঁজ নেয়া। কারো ওষুধ লাগলে তার ব্যবস্থা করা আবার খাবার প্রয়োজন হলে ওই পরিবারকে খাবার পৌঁছে দেয়া। এছাড়াও করোনায় মৃতদের দাফন-কাফনেরও ব্যবস্থা করে আসছে এ সংগঠন। গেলো রোজার ঈদে অসহায় মানুষদের সাহায্য করার কথা জানান এ সংসদ সদস্য। তিন উপজেলার হাসপাতাল ও পুলিশদের মাঝে সাড়ে তিনশ পিপিই, হ্যান্ড স্যানিটাইজার বিতরণ করেন। ঘুর্ণিঝড় আমফানে ক্ষতিগ্রস্থ পরিবারের মাঝেও তিনি সাহায্য-সহযোগিতা করেছেন। এছাড়াও তিন উপজেলায় সুপেয় পানির ব্যবস্থা করেছেন।
ইকবাল হোসেন সবুজ, গাজীপুর-৩ (শ্রীপুর -গাজীপুর)   
     
করোনা পরিস্থিতে লকডাউন ঘোযণার পর থেকেই তিনি নিজ নির্বাচনী এলাকার মানুষের পাশে  থাকছেন। এ পর্যন্ত ৩০ হাজার পরিবারকে চাল, ডাল, লবন সহ প্রয়োজনীয় খাদ্য সামগ্রী পৌছে দিয়েছেন। কখনো নিজেই বয়ে নিয়ে খাদ্য সামগ্রী শ্রমজীবী অসহায় মানুষের কাছে পৌছে দিয়েছেন। গাজীপুরের গার্মেন্টস শ্রমিকদের নেতন ভাতা ও স্বাস্থ্য সেবা নিশ্চিত করতে মালিক ও শ্রমিক নেতাদের সাথে বৈঠক করছেন।
গাজীপুর প্রশাসনকে করছেন নানা ভাবে সহযোগিতা। করছেন ধান কাটায় কৃষককে সহযোগিতা। তিনি শ্রীপুরে করোনা থেকে সুস্থ হয়ে ওঠা ১৮ জনকে অনুষ্ঠানের মাধ্যমে উপহার সামগ্রী তুলে দেন।
তিনি ভিনিউজ’কে বলেন,  আমি করোনা সৃস্ট পরিস্থিতির কারণে শ্রীপুরে কাউকে না খেয়ে থাকতে দেবো না। সকল সমস্যায় থাকা পরিবারকে খাদ্য সামগ্রী পৌছে দেওয়ার চেষ্টা করছি। মাননীয় প্রধানমন্ত্রী জননেত্রী শেখ হাসিনার   নির্দেশে আমি গাজীপুরের মানুষের পাশে আছি। আগামীতেও থাকবো।
আক্তারুজ্জামান বাবু, খুলনা-৬ (কয়রা ও পাইকগাছা): মার্চের শুরু থেকেই করোনা সংক্রমণ দেখা দিলে প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশে কাজ করে যাচ্ছেন খুলনা-৬ এর সংসদ সদস্য আওয়ামী লীগের আক্তারুজ্জামান বাবু। তিনি বলেন, আমার নিজস্ব উদ্যোগে ১২ হাজার পাকেট খাদ্য সামগ্রী অসহায়দের মাঝে বিতরণ করেছি। এছাড়াও তার পৃষ্ঠপোষকতায় আরও ১৫ হাজার পরিবারের মাঝে খাদ্য বিতরণ করা হয়েছে বলে জানান এ সংসদ সদস্য। আমফানে ক্ষতিগ্রস্থ প্রায় ৪০ হাজার পরিবারকে সরকারি ত্রাণ দেয়ার কথা তিনি জানান। এছাড়াও বর্তমানে কয়রা ও পাইকগাছা এলাকায় যারা করোনা পজিটিভ শনাক্ত হচ্ছেন তাদেরকে বাসায় আইসোলেশনে রেখে খাবারের ব্যবস্থা করা হচ্ছে বলে জানান আক্তারুজ্জামান বাবু।
হাসানুল হক ইনু, কুষ্টিয়া-২  (ভেড়ামারা ও মিরপুর): বৈশ্বিক মহামারি করোনা ভাইরাসে আক্রান্তদের বাড়ি বাড়ি গিয়ে চিকিৎসা সেবা নিশ্চিত করেছেন কুষ্টিয়া-২ আসনের সংসদ সদস্য জাসদের হাসানুল হক ইনু। করোনা কালীন এ দুর্যোগ সময়ে অসহায়দের সহযোগিতার কথা উল্লেখ করে তিনি বলেন, কয়েক হাজার পরিবারকে চাল, ডাল, তেল দিয়ে সাহায্য করা হয়েছে। ইনু বলেন, ভেড়ামারা ও মিরপুর উপজেলায় নন-এমপিও শিক্ষকদের সহযোগিতা করা হয়েছে। সিএনজি ও অটোরিকশা চালকদের সাহায্যের কথা উল্লেখ করে তিনি। এছাড়াও সরাকরি ত্রাণ তৎপরতার কথাও জানান ইনু। বর্তমানে তার দুই উপজেলা গ্রীন জোনের মধ্যে আছে বলে জানিয়েছেন।
স্বপন ভট্টচার্য, যশোর – ৫ ( মনিরামপুর): করোনা ভাইরাস মোকাবিলায় জাতীয় পর্যায়ে এবং নিজ নির্বাচনি এলাকায় সমানতালে কাজ করছেন স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় (এলজিআরডি) মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী ও যশোর-৫ আসনের সংসদ সদস্য স্বপন ভট্টচার্য। রাষ্ট্রের গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্বে থাকা সত্বেও নির্বাচনি এলাকার মানুষকে করোনা ভাইরাসের সংক্রমণ মুক্ত রাখতে প্রশংসনীয় উদ্যোগ নিয়েছেন। মনিরামপুরে সরকারি ত্রান সহায়তা সুষম বন্টনে নিয়েছেন কার্যকর পদক্ষেপ। ব্যক্তিগত ভাবে করোনার হতে রক্ষা পেতে সুরক্ষা সামগ্রী বিতরণ করেছেন। অসহায় মানুষকে খাদ্য সহায়তা দিয়েছে প্রতিটি ইউনিয়নে। চিকিৎসক ও নার্সদের সুরক্ষায়ও নিয়েছে পদক্ষেপ।
মোঃ আব্দুল হাই, ঝিনাইদহ-১ (শৈলকুপা): ঝিনাইদহ-১ আসনের সংসদ সদস্য মো. আব্দুল হাই। তিনি আওয়ামী লীগের সভানেত্রী প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নির্দেশনায় বৈশ্বিক মহামারি করোনা সংক্রমণ রোধ করতে সাধারণ মানুষের স্বাস্থ্যবিধি নিশ্চিত করার পাশাপাশি নিজেই জীবনের ঝুঁকি নিয়ে বাড়ি বাড়ি বিভিন্ন ত্রাণ সামগ্রী পৌঁছে দিয়েছেন। যা আগামীতে আওয়ামী লীগের নৌকা প্রতীকের ভোট ব্যাংক হিসাবে কাজ করবে। জানতে চাইলে তিনি বলেন, বঙ্গবন্ধুকন্যা প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার যে সকল উদ্যোগ ছিলো তা সম্পূর্ণভাবে বাস্তবায়ন করা হয়েছে।
তাহজীব আলম সিদ্দিকী, ঝিনাইদহ-২ ( সদর ও হরিণাকুন্ড): নিজ নির্বাচনী এলাকার সাধারণ মানুষকে করোনার সংক্রমণ থেকে রক্ষা করতে প্রসংশনীয় উদ্যোগ গ্রহণ এবং বাস্তবায়ন করেছেন ঝিনাইদহ-২ আসনের সংসদ সদস্য তাহজীব আলম সিদ্দিকী। তিনি করোনায় সংক্রমণের শুরুতে মানুষের মাঝে জনসচেতনতা বৃদ্ধি করতে নিজের ব্যবহূত মাইক্রোবাসে মাইক লাগিয়ে বিভিন্ন হাট-বাজারে প্রচার-প্রচারণা করেছেন। এছাড়া করোনার আক্রমণ থেকে সুরক্ষার জন্য বিভিন্ন এলাকায় মাস্ক-হ্যান্ড স্যানিটাইজার ও সচেতনতামূলক প্রচারপত্র বিতরণ করেছে। একই সাথে অসহায়, দরিদ্র, শ্রমজীবী, নিম্ন এবং মধ্যবিত্ত পরিবারের মানুষের বাড়ি বাড়ি চাল, ডাল, তেলসহ বিভিন্ন খাদ্যসামগ্রী পৌঁছে দিয়েছেন। জানতে চাইলে তিনি আমার সংবাদকে বলেন, দেশের যে কোনো দুর্যোগময় পরিস্থিতিতে সাধারণ মানুষের পাশে থাকাই আমার দায়িত্ব। আমি শুধু আমার দায়িত্ব পালন করেছি।
শফিকুল আজম খান চঞ্চল, ঝিনাইদহ-৩ ( কোর্টচাঁদপুর এবং মহেশপুর উপজেলা): করোনা সংকট মোকাবেলায় নির্বাচনী এলাকায় একজন করোনা যোদ্ধা হিসেবে নিজেকে মেলে ধরেছেন ঝিনাইদহ-৩ আসনের সংসদ সদস্য শফিকুল আজম খান চঞ্চল। গত ১৫ মার্চ থেকে নির্বাচনি এলাকায় গত ৭ জুলাই পর্যন্ত অবস্থান করছেন এ সাংসদ। মাঝে দু’বার সংসদ অধিবেশনে যোগ দিতে ঢাকা আসলেও ছিলেন মাত্র দু’দিন। তিনি বলেন,  করোনার সংক্রমণ শুরুর পরপরই এলাকায় অবস্থান নেই। প্রথমে মানুষকে সচেতন করতে মাইকিং, লিফলেট বিতরণ, বিভিন্ন স্থানে হাত ধোয়ার ব্যবস্থা, মাস্ক, স্যানিটাইজার, সাবান বিতরণ করেছি। এরপর সাধারণ ছুটি শুরু হলে সরকারের পাশাপাশি নিজ উদ্যোগে প্রায় ১২ হাজার মানুষকে খাদ্য সহায়তা দিয়েছি। সরকারি সহায়তা সত্যিকার অর্থে অসহায়দের মাঝে তুলে দিতে নিজে উপস্থিত থেকে বিতরণ করেছি। প্রধানমন্ত্রীর দেয়া আড়াই হাজার টাকার যথাযথ বিতরণ নিশ্চিত করেছি। এছাড়া শ্রমিক শ্রেনী এবং ক্ষুদ্র ব্যবসায়ী ও দোকানের কর্মচারীদের নগদ সহায়তা দিয়েছি। পরিস্থিতি স্বাভাবিক না হওয়া পর্যন্ত কার্যক্রম অব্যাহত থাকবে বলে জানান এ সংসদ সদস্য।
মো. আনোয়ারুল আজীম (আনার), ঝিনাইদহ-৪ (ডাংগা, ঘোড়াশাল, ফুরসুন্ধি ও মহারাজপুর ইউনিয়ন এবং কালিগগঞ্জ উপজেলা): করোনা কালীন সময়ে নিজ নির্বাচনী এলাকায় ডোর টু ডোর ত্রাণ সামগ্রী পৌঁছে দিয়েছেন ঝিনাইদহ-৪ আসনের সংসদ সদস্য মো. আনোয়ারুল আজীম (আনার)। স্থানীয় প্রশাসন এবং দলীয় নেতাকর্মীদের সাথে নিয়ে করোনার আক্রমণ থেকে সুরক্ষার জন্য মানুষের মাঝে মাস্ক-হ্যান্ড স্যানিটাইজার ও সচেতনতামূলক প্রচারপত্র বিতরণ করেন। করোনায় মৃত্যুবরণ ব্যাক্তিকে হাসপাতালের রেখে পালিয়ে যাওয়ার ঘটনাও বাংলাদেশে ঘটেছে অনেক। এমন অবস্থায় করোনা আক্রান্ত ব্যাক্তির লাশ দাফনের জন্য দলীয় নেতাকর্মীদের নিয়ে টিম গঠন করেছেন আনোয়ারুল আজীম। গঠিত এই টিমের মাধ্যমে লাশ দাফন করার ব্যবস্থা করেছেন তিনি। জানতে চাইলে তিনি আমার সংবাদকে বলেন, আওয়ামী লীগের সভানেত্রী প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা করোনায় যে সকল উদ্যোগ গ্রহন করেছেন। তা সম্পূর্ণ বাস্তবায়ন করা হয়েছে। করোনা এই পরিস্থিতি ভালো না হওয়া পর্যন্ত আমার মাঠে আছি এবং থাকবো।
ফরহাদ হোসেন , মেহেরপুর-১ (সদর-মুজিবনগর): করোনা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের পরই সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখছে জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়। ভাইরাসটির সংক্রমণ শুরুর আগে থেকেই পূর্ব প্রস্তুতি মোতাবেক কার্যক্রম শুরু করেছে মন্ত্রণালয়টি। গোটা প্রশাসন ব্যবস্থায় শৃঙ্খলা, সরকারি সেবা জনগণের দোরগোড়ায় পৌঁছাতে সার্বক্ষনিক একজন করোনা যোদ্ধা হিসেবে আবির্ভূত হয়েছেন জনপ্রশাসন প্রতিমন্ত্রী ফরহাদ হোসেন এমপি। প্রধানমন্ত্রী কার্যালয়, সরকারের সব মন্ত্রণালয়, বিভাগ, অধিদপ্তরের সঙ্গে সমন্বয় করে প্রশাসনের কেন্দ্র হতে তৃণমূল পর্যন্ত প্রতিটি কর্মকর্তাকে পরিস্থিতি মোকাবিলায় মাঠে নামাতে দিন-রাত কাজ করছেন মেহেরপুর-১ আসনের এ সাংসদ। গত ৮ মার্চের করোনা ভাইরাস সনাক্ত হবার পর মাঠ প্রশাসনকে সময়ে সময়ে প্রয়োজনীয় সব নির্দেশনা দিয়েছেন। জুম অ্যাপ ব্যবহার করে প্রতিনিয়ত মাঠ প্রশাসনকে এলাকা ভিত্তিক সমস্যা নিরুপন ও সমাধানের উদ্যোগ নিচ্ছেন। ভাইরাসে আক্রান্ত সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারীদের উন্নত চিকিৎসা এবং প্রণোদনার ব্যবস্থাও করেছেন। ডেঙ্গুর প্রকোপ বাড়ার শঙ্কায় সরকারি সব অফিস ও প্রতিষ্ঠান পরিস্কার-পরিচ্ছন্ন রাখার নির্দেশনা দিয়েছেন। শত ব্যস্ততার মাঝেও নিজ নির্বাচনী এলাকা ভুলে যাননি ফরহাদ হোসেন। জাতীয় স্বার্থে এলাকায় যেতে না পারলেও তার নির্দেশনায় দলীয় নেতাকর্মী ও প্রশাসনের কর্মকর্তাদের মাধ্যমে নিয়মিত খাদ্য সামগ্রী, সুরক্ষা সামগ্রী বিতরণ করেছেন। শ্রমজীবী ও অসহায় প্রতিটি বাড়িতে পৌছে দিয়েছেন খাদ্য সামগ্রী। এক লক্ষ মাক্স বিতরণের নিয়েছেন উদ্যাগ।
অ্যাডভোকেট সাইফুজ্জামান শিখর, মাগুরা-১ (শ্রীপুর উপজেলা, মাগুরা সদর উপজেলা): আওয়ামী লীগের সভানেত্রী প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নির্দেশনায় নিজ নির্বাচনী এলাকার করোনায় কর্মহীন পরিবারের মাঝে খাদ্য সামগ্রী, হ্যান্ড স্যানিটাইজার ও মাস্ক বিতরণ করেছেন মাগুরা-১ আসনের সংসদ সদস্য অ্যাডভোকেট সাইফুজ্জামান শিখর। এছাড়াও ভাইরাসটির সংক্রমণ রোধে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স, ইউনিয়ন স্বাস্থ্যকেন্দ্র, ডায়াবেটিক ও চক্ষু হাসপাতাল, মাঠ পর্যায়ের স্বাস্থ্যকর্মী ও স্থানীয় সাংবাদিকসহ করোনার সম্মুখযোদ্ধাদের প্রয়োজনীয় পিপিই বিতরণ করেন তিনি। তরুণ এই সংসদের করোনা কালীন উদ্যোগ এবং নিজ নির্বাচনী এলাকায় ভূমিকা সারাদেশেই প্রশংসা কুড়িয়েছে।
শ্রী বীরেন শিকদার, মাগুরা-২ (মাগুরা সদর উপজেলার চার ইউনিয়ন ও মহম্মদপুর এবং শালিখা উপজেলা): বিশ্বের অন্যান্য দেশের মতোই গত ৮ মার্চ বাংলাদেশে প্রথম আঘাত করে বৈশ্বিক মহামারি করোনা ভাইরাস। ভাইরাসটির আঘাতের পর থেকেই নিজ নির্বাচনী এলাকায় মানুষের সামাজিক দূরত্ব নিশ্চিত, ঢাকা বা বিদেশ ফেরত মানুষের হোমকোরেন্টাইন নিশ্চিত এবং সরকারের অঘোষিত লকডাউন বাস্তবায়নে কঠোর ছিলেন মাগুরা-২ আসনের সংসদ সদস্য শ্রী বীরেন শিকদার। এছাড়া নিজ উদ্যোগে করোনায় কর্মহীন মানুষের বাড়ি বাড়ি ত্রাণসামগ্রী পৌঁছে দিয়েছেন তিনি। জানতে চাইলে তিনি আমার সংবাদকে বলেন, করোনা কালীন সময়ে সরকার যে সকল উদ্যোগ গ্রহন করেছিলেন। তা অক্ষরে অক্ষরে পালন করেছি। এছাড়া নিজ উদ্যোগে অসহায়, দরিদ্র. শ্রমজীবী, নিম্ন এবং মধ্যবিত্ত পরিবারের মানুষের বাড়ি বাড়ি চাল, ডাল, তৈলসহ নিত্য প্রয়োজনীয় খাদ্যসামগ্রী পৌঁছে দিয়েছি।
মো.কবিরুল হক মুক্তি, নড়াইল- ১ (কালোড়া, বিচালি, ভদ্রবিলা, সিঙ্গাশোপুর, শেখ হাটি ইউনিয়ন এবং কালিয়া উপজেলা): দেশের অন্যান্য জেলার মতোই বৈশ্বিক মহামারি করোনা ভাইরাস নড়াইল জেলাতেও আঘাত করেছে। ভাইরাসটি আঘাতের শুরু থেকেই অসহায়, দরিদ্র, শ্রমজীবী, দিনমুজুর, নিম্ন এবং মধ্যবিত্ত পরিবারের মানুষের জন্য জীবনের ঝুঁকি নিয়ে কাজ করছেন স্থানীয় সংসদ সদস্য মো. কবিরুল হক। জানতে চাইলে তিনি আমার সংবাদকে বলেন, করোনা কালে সাধারণ মানুষের জন্য প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার যে সকল উদ্যোগ গ্রহন করেছেন। তা সবগুলো অক্ষরে অক্ষরে পালন করা হয়েছে। এজন্য স্থানীয় প্রসাশন এবং আওয়ামী লীগের প্রতিটি ইউনিটির নেতাকর্মীরা প্রস্তুত আছে।
মাশরাফি বিন মুর্তজা, নড়াইল-২: করোনা মোকাবিলায় নিজের নির্বাচনী এলাকায় শুরু থেকেই ব্যতিক্রমী কাজ করে আসছেন নড়াইল-২ আসনের সংসদ সদস্য মাশরাফি বিন মুর্তজা। জীবাণুনাশক কক্ষ স্থাপন, চিকিৎসকদের সুরক্ষায় ‘ডক্টরস সেফটি চেম্বার’ স্থাপন, চিকিৎসক, সেবিকা, স্বাস্থ্যকর্মী, গণমাধ্যমকর্মী ও স্বেচ্ছাসেবকদের জন্য পিপিই প্রদান, এমনকি ভ্রাম্যমাণ মেডিকেল টিম তৈরি করেছেন। এছাড়া করোনা সংক্রমণের শুরু থেকেই অসহায়, দুস্থ মানুষের পাশে দাঁড়িয়েছেন নড়াইল-২ আসনের এই সাংসদ। নড়াইলে করোনা ভাইরাসের নমুনা সংগ্রহ সরবরাহকারী স্বল্পতায় সৃষ্ট সংকটের সমাধান করেছেন তিনি। মাশরাফির প্রতিষ্ঠিত ‘নড়াইল এক্সপ্রেস ফাউন্ডেশন’-এর আর্থিক সহায়তায় জেলার তিন উপজেলায় দুইজন করে মোট ৬জন টেকনিশিয়ানকে চুক্তিভিত্তিক নিয়োগ দেয়া হয়েছে। এছাড়া করোনা ভাইরাসের নমুনা সংগ্রহ এবং ল্যাবে পাঠানোর কাজে গতিশীলতা আনতে ‘নড়াইল এক্সপ্রেস ফাউন্ডেশন’ তাদের নিজস্ব অ্যাম্বুলেন্সটি ড্রাইভারসহ প্রদানের সিদ্ধান্ত নেন। করোনায় মাশরাফির বিভিন্ন উদ্যোগের প্রশংসা করেছেন স্বয়ং প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। তবে বর্তমানে করোনা ভাইরাসে আক্রান্ত মাশরাফি বিন মুর্তজা। ফলে তার সাথে কথা বলা সম্ভব হয়নি।
শেখ তন্ময়, বাগেরহাট-২ (কচুয়া ও সদর উপজেলা): বৈশ্বিক মহামারি করোনা ভাইরাস সংক্রমণের শুরু থেকে কর্মহীন ও অসহায় মানুষের বাড়ি বাড়ি ত্রাণ ও খাদ্যসামগ্রী পৌঁছে দেয়ার পাশাপাশি সাধারণ মানুষের চিকিৎসা সেবা নিশ্চিত করেছেন বাগেরহাট-২ আসনের সংসদ সদস্য শেখ সারহান নাসের তন্ময়। করোনার এই কান্ত্রিলগ্নে মানুষ যখন চিকিৎসা সেবা নিয়ে হিমশিম খাচ্ছে ঠিক তখন তিনি ভ্রাম্যমাণ মেডিকেল টিম গঠন করেন। এখন পর্যন্ত পায় পাঁচ হাজারের অধিক রোগী সেবা নিয়ে সুস্থ হয়েছেন। হটলাইনের মাধ্যমে ‘ডাক্তারের কাছে রোগী নয় রোগীর কাছে ডাক্তার’ স্লোগানে নিজের সংসদীয় আসনে চিকিৎসাসেবা চালু করেন তিনি। এছাড়াও করোনার শুরু থেকেই নানা ব্যতিক্রমধর্মী উদ্যোগ নিয়ে সারাদেশে আলোরণ সৃষ্টি করেন  এ সংসদ সদস্য।
বেগম হাবিবুন নাহার, বাগেরহাট-৩ (রামপাল ও মোংলা): সরকারের মন্ত্রীসভায় দায়িত্ব থাকায় করোনাকালীন সময়ে নিজ নির্বাচনী এলাকায় যেতে না পারলেও স্থানীয় প্রশাসন, জনপ্রতিনিধি এবং আওয়ামী লীগের নেতাকর্মীদের সাথে সার্বক্ষনিক যোগাযোগ রাখছেন বাগেরহাট-৩ (রামপাল ও মোংলা) আসনের সংসদ সদস্য ও পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন মন্ত্রণালয়ের উপমন্ত্রী বেগম হাবিবুন নাহার। জানতে চাইলে তিনি আমার সংবাদকে বলেন, করোনার কারণে অসহায় ও দরিদ্র মানুষ কী কী সমস্যার সম্মুখীন হচ্ছেন। স্থানীয় প্রশাসন, জনপ্রতিনিধি ও আওয়ামী লীগের নেতাকর্মীদের মাধ্যমে প্রতিমুহুর্তে খোঁজখবর নিচ্ছি। এবং তা সমাধানের জন্য উদ্যোগ নেয়া এবং বাস্তাবায়ন করা হচ্ছে। করোনার এই মুহুর্তে প্রতিটি অসহায় পরিবারের মাঝে ত্রাণ সামগ্রী পৌঁছে দেয়া হয়েছে বলে দাবি করেন তিনি।
এ্যাড. আমিরুল আলম মিলন, বাগেরহাট-৪ (মোরেলগঞ্জ ও শরণখোলা): গত ৮ মার্চ বাংলাদেশে প্রথম আঘাত করে বৈশ্বিক মহামারি করোনা ভাইরাস। ভাইরাসটির সংক্রমণ রোধে ২৬ মার্চ থেকে সারাদেশে অঘোষিত লকডাউন ঘোষণা করে সরকার। এমন পরিস্থতিতে বেশি সমস্যায় পড়ে দেশের শ্রমজীবী ও নিম্ন এবং মধ্যবিত্ত পরিবারের মানুষ। করোনার এমন পরিস্থিতিতে নিজ নির্বাচনী এলাকার ওই সকল মানুষের পাশে দাঁড়ান বাগেরহাট-৪ (মোরেলগঞ্জ-শরণখোলা) আসনের নবনির্বাচিত সংসদ সদস্য এ্যাড. আমিরুল আলম মিলন। তিনি সরকারি এবং ব্যক্তি উদ্যোগে কর্মহীন মানুষের বাড়িতে বাড়িতে চাল, ডাল, তেল, লবণ, আলুসহ বিভিন্ন খাদ্য সামগ্রী পৌঁছে দেন। তিনি বলেন, মাননীয় প্রধানমন্ত্রী সব সময় সাধারণ মানুষদের জন্য চিন্তা করেন। দেশের করোনা পরিস্থিতিতে দেশের সাধারণ মানুষকে শেখ হাসিনার সরকার সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিয়েছে। আমি আমার এলাকার মানুষদের পাশে সব সময় রয়েছি। কর্মহীন মানুষদের বিভিন্নভাবে সহযোগিতা করছি। পরিস্থিতি স্বাভাবিক না হলে, এই সহযোগীতা অব্যাহত থাকবে।
মুস্তফা লুৎফুল্লাহ, সাতক্ষীরা -১ (তালা ও কলারোয়া): করোনা সংক্রমণের প্রথম থেকেই দেশ ও দেশের মানুষের স্বার্থে জীবনের ঝুঁকি নিয়ে ফ্রন্টলাইনে কাজ করছেন প্রশাসন, বাংলাদেশ পুলিশ, আর্মি, ডাক্তার, নার্স এবং জনপ্রতিনিধিরা। তাই নিজ নির্বাচনী এলাকায় ওই সকল দপ্তরে করোনা ভাইরাস সংক্রমণ রোধে পিপিই (পারসোনাল প্রোটেকটিভ ইকুইপমেন্ট) এবং সুরক্ষা সামগ্রী বিতরণ করেন সাতক্ষীরা-১ (তালা-কলারোয়া) আসনের সংসদ সদস্য মুস্তফা লুৎফুল্লাহ। এছাড়া করোনায় মৃতব্যক্তির লাশ দাফনের ব্যবস্থা করে দিয়েছেন তিনি। করোনায় কর্মহীন, অসহায়, দরিদ্র পরিবারের জন্য সরকারের বরাদ্দ ত্রাণসামগ্রীর পাশাপাশি নিজ উদ্যোগে স্থানীয় নেতাকর্মীদের সাথে নিয়ে মানুষের বাড়ি বাড়ি ত্রাণ সামগ্রী পৌঁছে দিয়েছেন। জানতে চাইলে তিনি আমার সংবাদকে বলেন, করোনা সংক্রমণ রোধে সব থেকে বেশি প্রয়োজন জনসচেতনতা। তাই প্রথম থেকেই স্থানীয় প্রশাসন এবং জনপ্রতিনিধিদের সাথে নিয়ে বিভিন্নভাবে প্রচার-প্রচারণা করা হয়েছে। একই সাথে একটি মানুষ যেন খাদ্যসমস্যা না থাকে। সেজন্য বাড়ি বাড়ি গিয়ে তালিকা তৈরি করে ত্রাণ সামগ্রী পৌঁছে দেয়া হয়েছে।
মীর মোস্তাক আহমেদ রবি, সাতক্ষীরা-২ (সদর) : প্রাণঘাতী করোনা ভাইরাসের ভয়াল থাবায় নাকাল দেশের দুস্থ, অসহায়, দিন মজুর এবং খেটে খাওয়া পরিবারগুলো। বৈশ্বিক মহামারি করোনা সংক্রমণের শুরু থেকেই ওই সকল পরিবারের পাশে দাঁড়িয়েছে সাতক্ষীরা-২ (সদর) আসনের সংসদ সদস্য বীর মুক্তিযোদ্ধা মীর মোস্তাক আহমেদ রবি। প্রতিটি মানুষকে সংক্রমণ থেকে রক্ষা করতে বিতরণ করেছেন সুরক্ষা সামগ্রী। একই সাথে দুস্থ, অসহায়, দিন মজুরদের বাড়ি বাড়ি চাল, ডাল, তেলসহ নিত্যপ্রয়োজনীয় খাদ্যসামগ্রী বিতরণ করেছেন। জানতে চাইলে তিনি বলেন, দেশের যে কোনো দুর্যোগে সাধারণ মানুষের পাশে দাঁড়ানো আমার দায়িত্ব। আগামীতেও এই ধারাবাহিকতা অব্যহত থাকবে।
আ, ফ, ম, রুহুল হক, সাতক্ষীরা-৩: বৈশ্বিক মহামারি করোনা ভাইরাসের সংক্রমণ রোধে মার্চের শেষের দিকে কার্যত সারাদেশে লকডাউন ঘোষণা করেন সরকার। সে সময় সরকার প্রধান ও আওয়ামী লীগের সভানেত্রী প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার ঘোষণা ছিলো- আপনারা বাড়ি থাকুন, আপনার ঘরে খাবার পৌঁছে দেয়া হবে। নেত্রীর সেই ঘোষণা বাস্তবায়ন করার জন্য দরিদ্র, অসহায় ও দুস্থ পরিবার খুঁজে বের করে তাদের বাড়িতে খাদ্য সামগ্রী পৌঁছে দিয়েছেন সাতক্ষীরা-৩ আসনের সংসদ সদস্য আ, ফ, ম, রুহুল হক। জানতে চাইলে তিনি আমার সংবাদকে বলেন, আওয়ামী লীগের সভানেত্রী প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার করোনা কালীয় সময়ে দেশ ও দেশের মানুষের জন্য যে সকল উদ্যোগ গ্রহন করেছেন। স্থানীয় প্রশাসন এবং দলীয় নেতার্কমীদের সাথে নিয়ে তা সম্পূর্ণভাবে বাস্তবায়ন করা হয়েছে। তিনি আরও বলেন, করোনার এই পরিস্থিতি ভালো না হওয়া পর্যন্ত এই ধারাবাহিকতা অব্যহত থাকবে।
আসীম কুমার উকিল (নেত্রকেনা-৩):
নেত্রকোনা -৩ আসনের সংসদ সদস্য ও আওয়ামী লীগের সাংস্কৃতি বিষয়ক  অসীম  কুমার উকিল নিজ নির্বাচনী এলাকায়  অবস্থান করে বর্তমান করোনা পরিস্থিতে শ্রমজীবী অসহায় মানুষের মাঝে ত্রান সামগ্রী বিতরন করছেন। ছুটে চলছেন প্রতিটি ইউনিয়নে। তার সাথে এলাকায় অবস্থান করেছেন সহধর্মীনী যুব মহিলা লীগের সাধারণ সম্পাদিকা অপু উকিল। ত্রান বিতরন সময় উপস্থিত থাকছেন স্থানীয় জন প্রতিনিধি ও আওয়ামী লীগ নেতৃবৃন্দ। অপু উকিল ভিনিউজকে বলেন , আমরা এলাকায় অবস্থান করে ত্রান কার্যক্রম পরিচালনা করছি। জনগণের স্বাস্থ্য ব্যবস্থাপনা দেখছি প্রধামন্ত্রী জননেত্রী শেখ হাসিনার নির্দেশ মত।
সামছুল আলম দুদু  (জয়পুরহাট -১)
জয়পুরহাট -১ অসনের সংসদ সদস্য সামছুল আলম দুদু তার নির্বাচনী এলাকায় প্রায় ৪০ হাজার পরিবারের মধ্যে খাদ্য সামগ্রী বিতরন করেছেন। লক ডাউন শুরু হওয়ার পর  ২৫ মার্চ থেকে তিনি নিজে উপস্থিত থেকে পৌরসভা ও ১৫টি ইউনিয়নে এ খাদ্য সামগ্রী পৌছে দেন।
খাদ্য সামগ্রীর মধ্যে রয়েছে চাল, ডাল, তেল, লবন, পিঁয়াজ, মসলা স্বাস্থ্য সামগ্রী  ইত্যাদি। নিজ বাড়ি ও গাড়ি বিক্রি করা দেড় কোটি টাকার ত্রান সামগ্রী  তিনি নির্বাচনী  এলাকায় দিয়েছেন।
তিনি ভিনিউজকে বলেন, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নির্দেশে  এ কার্যক্রম পরিচালনা করছেন।
বর্তমান পরিস্থিতির উন্নতি না হওয়া পর্যন্ত তিনি জনগনের পাশে থাকবেন।