করোনায় বেকাদায় ভিক্ষুকরা

453
Social Share
কাজল আর্য, স্টাফ রিপোর্টার: করনায় তো ম্যানসে ভিক্ষাও দ্যায় না। অহন দোকানপাট খোলে না ভিক্ষাও পাই না। আমরা অহনও ব্যকায়দায় আছি। টাঙ্গাইলের মির্জাপুর বাজার কেন্দ্রীয় জামে মসজিদের সামনে ভিক্ষার জন্য অপেক্ষায় থাকা অন্ধ অনোয়ারের কথাগুলো সত্যি মর্মান্তিক।  দুধের বাচ্চা কুলে স্ত্রী নাছিমাও পাশে বসে ভিক্ষা করছেন। মসজিদে প্রবেশের মূল ফটকের দুই পাশে আনোয়ার ও  নাছিমার মতো অন্ধ হেলালও স্ত্রী মমতাজকে নিয়ে ভিক্ষা করছেন। তাদের সংসারে রয়েছে দুই ছেলে ও এক মেয়ে।
তারা বলেন, হাটবারের দিনে উপজেলার বিভিন্ন বাজারে তারা ভিক্ষা করে থাকেন। এছাড়া বিভিন্ন গ্রামে ও বাসা বাড়িতে যান। কিন্ত লকডাউন থাকায় দোকানপাটও বন্ধ। গ্রামে ও বাসা বাড়িতেও ঢুকতে দেয় না। এতে তাদের আয় রোজগার একেবারেই বন্ধ হয়ে গেছে।
দেশে করোনার প্রথম ঢেউয়ের প্রভাব কাটতে না কাটতেই শুরু হয়েছে দ্বিতীয় ঢেউ। এতে দৈনিক আয়ের ওপর নির্ভরশীল মানুষের টিকে থাকার সংগ্রাম আরও কঠিন হয়ে পরেছে। মির্জাপুরে ভিক্ষাবৃত্তির উপর নির্ভশীল পরিবারগুলো খেয়ে না খেয়ে অতিকষ্টে দিনাতিপাত করছেন।
উপজেলা সমাজসেবা অফিসার খাইরুল ইসলাম জানিয়েছেন এ উপজেলায় প্রায় তিনশর মত ভিক্ষুক রয়েছে। তার ভিক্ষবৃত্তি করেই জীবিকা নির্বাহ করে থাকেন।
মির্জাপুর উপজেলা নির্বাহী অফিসার  হাফিজুর রহমান জানান ভিক্ষুকরা সরকারি সহায়তা অগ্রাধিকার বৃত্তিতে পাবেন। প্রত্যোক ইউনিয়ন চেয়ারম্যান মেম্বারদের সেইভাবেই নির্দেশনা দেয়া আছে।