ওমিক্রন প্রতিরোধে ক্লিনিক্যাল গাইডলাইন চূড়ান্ত : স্বাস্থ্য অধিদপ্তর

73
প্রতিরোধে
Social Share

করোনাভাইরাসের নতুন ধরন ওমিক্রনের কারণেই সংক্রমণ বাড়ছে। এটি প্রতিরোধে ইতোমধ্যে ক্লিনিক্যাল গাইডলাইন করা হয়েছে বলে জানিয়েছেন স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের মুখপাত্র অধ্যাপক ডা. নাজমুল ইসলাম।

করোনা পরিস্থিতি নিয়ে বুধবার দুপুরে ভার্চুয়াল বুলেটিনে স্বাস্থ্য অধিদপ্তর আয়োজিত অধিদপ্তরের মুখপাত্র এ তথ্য জানান

ঊর্ধ্বমুখী সংক্রমণের বিষয়ে সবাইকে সতর্ক করে নাজমুল ইসলাম বলেন, করোনার নতুন ধরন ওমিক্রণের কারণেই ক্রমাগত সংক্রমণ বৃদ্ধি পাচ্ছে। এই সংক্রমণ প্রতিরোধে ক্লিনিক্যাল গাইডলাইন তৈরি করা হয়েছে। এরইমধ্যে চূড়ান্ত হয়ে গেছে। স্বাস্থ্য সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানকে ইতোমধ্যে আমরা পাঠিয়ে দিয়েছি। ক্লিনিক্যাল গাইডলাইনটি আপনাদের সাথে শেয়ার করব। নতুন নতুন তথ্য দিয়েই গাইডলাইন সাজানো হয়েছে।

 

তিনি বলেন, ওমিক্রনের যে উপসর্গ আছে সেই উপসর্গগুলো এতে (ক্লিনিক্যাল গাইডলাইন) যোগ করা হয়েছে। এর বাইরে অন্য কোনো উপসর্গ রয়েছে কিনা সেটি খুঁজে দেখা হচ্ছে। তবে যাই হোক না কেন, রোগ নিয়ন্ত্রণের স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলাটাই সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ।
 
তিনি আরও বলেন, সংক্রমণ প্রতিরোধে স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলা। সামাজিক দূরত্ব নিশ্চিত করা। সঠিক নিয়মে মাস্ক পরা, সাবান-পানি দিয়ে হাত পরিষ্কার করা। আমরা যদি স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলি তাহলে এই অতিমারি নিয়ন্ত্রণ করা সম্ভব বলেও জানান এই বিশেষজ্ঞ।

………………………………………………………………………………………………….

করোনাভাইরাসের নতুন ধরন ওমিক্রনের কারণেই সংক্রমণ বাড়ছে। এটি প্রতিরোধে ইতোমধ্যে ক্লিনিক্যাল গাইডলাইন করা হয়েছে বলে জানিয়েছেন স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের মুখপাত্র অধ্যাপক ডা. নাজমুল ইসলাম।

করোনা পরিস্থিতি নিয়ে বুধবার দুপুরে ভার্চুয়াল বুলেটিনে স্বাস্থ্য অধিদপ্তর আয়োজিত অধিদপ্তরের মুখপাত্র এ তথ্য জানান।

ঊর্ধ্বমুখী সংক্রমণের বিষয়ে সবাইকে সতর্ক করে নাজমুল ইসলাম বলেন, করোনার নতুন ধরন ওমিক্রণের কারণেই ক্রমাগত সংক্রমণ বৃদ্ধি পাচ্ছে। এই সংক্রমণ প্রতিরোধে ক্লিনিক্যাল গাইডলাইন তৈরি করা হয়েছে। এরইমধ্যে চূড়ান্ত হয়ে গেছে। স্বাস্থ্য সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানকে ইতোমধ্যে আমরা পাঠিয়ে দিয়েছি। ক্লিনিক্যাল গাইডলাইনটি আপনাদের সাথে শেয়ার করব। নতুন নতুন তথ্য দিয়েই গাইডলাইন সাজানো হয়েছে।

তিনি বলেন, ওমিক্রনের যে উপসর্গ আছে সেই উপসর্গগুলো এতে (ক্লিনিক্যাল গাইডলাইন) যোগ করা হয়েছে। এর বাইরে অন্য কোনো উপসর্গ রয়েছে কিনা সেটি খুঁজে দেখা হচ্ছে। তবে যাই হোক না কেন, রোগ নিয়ন্ত্রণের স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলাটাই সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ।
 
তিনি আরও বলেন, সংক্রমণ প্রতিরোধে স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলা। সামাজিক দূরত্ব নিশ্চিত করা। সঠিক নিয়মে মাস্ক পরা, সাবান-পানি দিয়ে হাত পরিষ্কার করা। আমরা যদি স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলি তাহলে এই অতিমারি নিয়ন্ত্রণ করা সম্ভব বলেও জানান এই বিশেষজ্ঞ।