এ দায় কার   

Social Share

গাজী জহিরুল ইসলামের ফেসবুক থেকে

আমাদের চাকরির বাজার নষ্ট করছে আমাদের নির্বাচিত নেতাদের লোভ লালসা। একটি পত্রিকা যখন মিডিয়া তালিকা ভুক্ত হয় তখন তাকে অনেক ষ্টাফ দেখানো লাগে। অথচ নেতাদের নৈতি কতার কারনে পত্রিকাগুলো দুইশত কপি না ছাপিয়ে লোকবল না নিয়ে মিথ্যা ঘোষণা দিয়ে দিনের পর দিন অষ্টম ও নবম ওয়েজবোর্ডের সকল সুযোগ সুবিধা নিচ্ছে। তাদের সহযোগিতা করছে আমাদের বিএফইউজের নেতৃত্ব। পত্রিকায় ” রেটকার্ড ” দেওয়ার আগে ট্রেড ইউনিয়নের মনোনিত প্রতিনিধির মতামত নিয়ে সরকার দিয়ে থাকে। ট্রেড ইউনিয়নের মনোনিত নেতারা অফিস ভিজিট করেন এবং সংশ্লিষ্ট পত্রিকার সকল তথ‍্য দেখে শুনে ওয়েজবোর্ড অনুযায়ী রেট কার্ড দেওয়ার সুপারিশ করেন। নেতাদের অফিস ভিজিটের পর নাম না জানা বহু পত্রিকা  তাদের কাঙ্ক্ষিত প্রচার সংখ‍্যা বাড়িয়ে ওয়েজ নিয়ে সরকারি বিজ্ঞাপনের রম রমা ব‍্যবসা করছে। অথচ এই নেতারা চাইলেই পারতো একটি পত্রিকায় কমপক্ষে দশজন বেকার সাংবাদিকের কর্মসংস্থান তৈরি করার সুযোগ তৈরি করে দিতে। ইংরেজি বাংলা মিলে এমন শতাধিক পত্রিকা  আছে যেখানে কাগজে কলমে দেখানো আছে অসংখ্য সংবাদ কর্মী কাজ করছে বাস্তবে অফিসে কোন সংবাদ কর্মী পাওয়া যায় না। নেতাদের নৈতিকতা আমাদের সাংবাদিক সমাজের অগ্রগতিকে বাঁধাগ্রস্থ করছে। এই নেতারা নির্বাচিত হয়ে তার দল ভারী করতে অসাংবাদিককে ইউনিয়নের সদস্য পদ দিয়ে আজীবন নেতা নির্বাচিত হওয়ার চেষ্টা করছে। কোনদিন সাংবাদিক পেশার সাথে ছিলো না এমন বহু লোক গত আট বছর সাংবাদিক  ইউনিয়নের সদস্য হয়েছে।  এসব দায় কার!