উদ্বাস্তু সমস্যার মূল কেন্দ্রবিন্দু বাংলা, কেন্দ্র বাংলার কথাও ভাবুক: শান্তনু ঠাকুর

43
Social Share

শুক্রবার ভারতের কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রক দেশের পাঁচ রাজ্যের ১৩ টি জেলায় বসবাসরত অ-মুসলিম উদ্বাস্তুদের নাগরিকত্ব দেওয়ার জন্য বিজ্ঞপ্তি জারি করেছে। রাজ্য গুলি হল- গুজরাট, ছত্রিশগড়, হরিয়ানা, পাঞ্জাব এবং রাজস্থান। তৎপর্য ভাবে বিজ্ঞপ্তিতে নাম নেই পশ্চিমবঙ্গের। স্বরাষ্ট্রমন্ত্রকের এই ঘোষণার পরে বিজেপি সাংসদ শান্তনু ঠাকুর তাঁর মতামত জানালেন।

শনিবার শান্তনু ঠাকুর বলেন, স্বরাষ্ট্রমন্ত্রকের জারি করা বিজ্ঞপ্তিটি দেখেছি। পাঁচ রাজ্যের জেলাশাসকদের বলা হয়েছে সিএএ নিয়ে তত্ত্বাবধান করতে। যাইহোক, মুসলিম প্রধান দেশ থেকে ভারতে আশ্রয় নেওয়া অমুসলিম শরণার্থীদের নাগরিকত্ব দেওয়ার প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে এর জন্য সাধুবাদ জানাই কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীকে।

শান্তনু ঠাকুর আরও বলেন, তবে পশ্চিমবঙ্গে আশ্রয় নেওয়া অমুসলিম শরণার্থীদের নাগরিকত্ব দেওয়ার প্রক্রিয়া শুরু হলে ভালো হতো। কারণ উদ্বাস্তু সমস্যার মূল কেন্দ্রবিন্দু হল পশ্চিমবঙ্গ। তাই এখানে এই আইন কার্যকর করা হবে হলে বা বিধি প্রণয়ন হলে ভালো হত। আমরা আশা রাখি, কেন্দ্রীয় নেতৃত্ব এটা নিয়ে ভাবনাচিন্তা করবে এবং সে দিকে এগোবে।

শান্তনু ঠাকুর জানান, অমুসলিম শরণার্থীদের নাগরিকত্ব দেওয়ার কাজ শুরু করে দিয়েছে কেন্দ্রীয় সরকার। আমরা মৌখিক ভাবে জানিয়েছি। মুসলিম প্রধান দেশ থেকে ভারতে আশ্রয় নেওয়া অমুসলিমরা ভারতীয় নাগরিত্ব পাবেন। তাঁর প্রশ্ন, পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় কেন এই বিধি প্রণয়ন করতে দিচ্ছেন না? কেন মানবিক দিক দিয়ে দেখছেন না তিনি?

শান্তনু ঠাকুর বলেন, মুখ্যমন্ত্রী ক্লিনচিট দিলেই আমরা পশ্চিমবঙ্গে আশ্রয় নেওয়া অমুসলিম শরণার্থীদের নাগরিকত্ব দেওয়ার প্রক্রিয়া শুরু করে দেব। তাঁর অভিযোগ, তৃণমূল সরকার সিএএ কার্যকর করতে কোনওরকম সহায়তা করছে না। বরং উল্টে রাষ্ট্রীয় সম্পত্তি ধ্বংস করা হচ্ছে। হিংসার পরিবেশ তৈরি করা হচ্ছে।

এদিকে, মমতা বালা ঠাকুর বলেছেন, একমাত্র ছত্রিশগঢ় বাদে আর কোথাও উদ্বাস্তু সমস্যা নেই। হঠাৎই এই বিজ্ঞপ্তি জারি করা হল। এর মানে হল গোটা দেশের যেখানে যেখানে উদ্বাস্তুরা বসবাস করছেন, সেখানে আতঙ্কের পরিবেশ তৈরি করা।