‘ ইউরোপ এর মতো উন্নয়ন চাই না, যেখানে বাবা-মাকে বৃদ্ধাশ্রমে যেতে হয়’

48
ইউরোপ
Social Share

‘ ইউরোপ এর অন্ধ অনুকরণে এমন বস্তুগত উন্নয়ন চাই না, যেখানে বাবা-মাকে বৃদ্ধাশ্রমে যেতে হয় বলে মন্তব্য করেছেন তথ্য ও সম্প্রচারমন্ত্রী ড. হাছান মাহমুদ। তিনি বলেছেন, ইউরোপ এ দুর্ঘটনা ঘটলে শত শত গাড়ি পাশ কাটিয়ে চলে যায়। কেউ খবর রাখে না। সেখানে বিয়ে হয়, আবার ৫০ শতাংশ বিয়ে ভেঙেও যায়, সেই উন্নয়ন চাই না।’

আজ বৃহস্পতিবার স্বাধীনতার সুবর্ণজয়ন্তী উপলক্ষে জাতীয় সংসদে বিশেষ আলোচনায় অংশ নিয়ে তিনি এ কথা বলেন। তথ্যমন্ত্রী আরও বলেন, ‘আজকে বাংলাদেশ পাকিস্তানকে মাথাপিছু আয়, শিক্ষা, স্বাস্থ্য, অর্থনীতি, মানব উন্নয়নসহসহ সব সূচকে পেছনে ফেলে দিয়েছে। এটাই বঙ্গবন্ধুর বাংলাদেশ রচনার স্বার্থকতা। আজকে পাকিস্তান আমাদের দিকে তাকিয়ে হা-হুতাশ করে। পাকিস্তানের আলোচনার ঝড় ওঠে। সেদেশের প্রধানমন্ত্রী অকপটে স্বীকার করে সব সূচকে বাংলাদেশ তাদের পেছনে ফেলে গেছে।

তিনি বলেন, ‘স্বাধীনতার আগে তৎকালীন পূর্ব পাকিস্তানের মানুষের মাথাপিছু আয় পশ্চিম পাকিস্তানের প্রায় অর্ধেক ছিল। বঙ্গবন্ধুর শাসনামলে ১৯৭৩ সালে বাংলাদেশের মাথাপিছু আয় পাকিস্তানকে ছাড়িয়ে যায়। ওই সময় পাকিস্তানের মাথাপিছু আয় ছিল ১০০ ডলার এবং বাংলাদেশের মাথাপিছু আয় ছিল ১২০ ডলার।’

মন্ত্রী আরও বলেন, ‘প্রধানমন্ত্রী সংকটে, সংগ্রামে দেশকে এগিয়ে নেওয়ার উদাহরণ সৃষ্টি করেছেন। তিনি সব প্রতিকূলতাকে পেছনে ফেলে বঙ্গবন্ধুর স্বপ্নপূরণের পথে এগিয়ে যাচ্ছেন। পৃথিবীর সামনে উন্নয়নের রোল মডেল হিসেবে নিজেকে উপস্থাপন করতে পেরেছেন। বিশ্বের উন্নত দেশগুলো এই বিষয়টি এখন অকপেটে স্বীকার করছে।’

আজ বৃহস্পতিবার স্বাধীনতার সুবর্ণজয়ন্তী উপলক্ষে জাতীয় সংসদে বিশেষ আলোচনায় অংশ নিয়ে তিনি এ কথা বলেন। তথ্যমন্ত্রী আরও বলেন, ‘আজকে বাংলাদেশ পাকিস্তানকে মাথাপিছু আয়, শিক্ষা, স্বাস্থ্য, অর্থনীতি, মানব উন্নয়নসহসহ সব সূচকে পেছনে ফেলে দিয়েছে। এটাই বঙ্গবন্ধুর বাংলাদেশ রচনার স্বার্থকতা। আজকে পাকিস্তান আমাদের দিকে তাকিয়ে হা-হুতাশ করে। পাকিস্তানের আলোচনার ঝড় ওঠে। সেদেশের প্রধানমন্ত্রী অকপটে স্বীকার করে সব সূচকে বাংলাদেশ তাদের পেছনে ফেলে গেছে।

তিনি বলেন, ‘স্বাধীনতার আগে তৎকালীন পূর্ব পাকিস্তানের মানুষের মাথাপিছু আয় পশ্চিম পাকিস্তানের প্রায় অর্ধেক ছিল। বঙ্গবন্ধুর শাসনামলে ১৯৭৩ সালে বাংলাদেশের মাথাপিছু আয় পাকিস্তানকে ছাড়িয়ে যায়। ওই সময় পাকিস্তানের মাথাপিছু আয় ছিল ১০০ ডলার এবং বাংলাদেশের মাথাপিছু আয় ছিল ১২০ ডলার।’

মন্ত্রী আরও বলেন, ‘প্রধানমন্ত্রী সংকটে, সংগ্রামে দেশকে এগিয়ে নেওয়ার উদাহরণ সৃষ্টি করেছেন। তিনি সব প্রতিকূলতাকে পেছনে ফেলে বঙ্গবন্ধুর স্বপ্নপূরণের পথে এগিয়ে যাচ্ছেন। পৃথিবীর সামনে উন্নয়নের রোল মডেল হিসেবে নিজেকে উপস্থাপন করতে পেরেছেন। বিশ্বের উন্নত দেশগুলো এই বিষয়টি এখন অকপেটে স্বীকার করছে।’