আ. লীগ চেয়েছিলো বিএনপি নির্বাচনে না আসুক : রিজভী

3
Social Share

স্টার্ফ রিপোর্টার: সোমবার (২৮ ডিসেম্বর) নয়াপল্টনে দলের কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে এক সংবাদ সম্মেলনে বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব অ্যাডভোকেট রুহুল কবীর রিজভী বলেন, নির্বাচনে বিএনপি অংশগ্রহণ করলেই আওয়ামী লীগকে জিততে ভোটকেন্দ্র দখল করতে হয়।ওবায়দুল কাদের সাহেব মনঃপীড়ায় ভুগছেন। ওবায়দুল কাদের সাহেবের কথায়ই বোঝা যায় যে তারা চেয়েছিলেন নির্বাচনে বিএনপি না আসুক।

রুহুল কবীর রিজভী বলেন, ‘বিএনপি নির্বাচনে অংশগ্রহণ করলেই তারা প্রশ্নবিদ্ধ হচ্ছেন। কারণ বিএনপির অংশগ্রহণের কারণে তাদেরকে বিজয়ী হতে ভোটকেন্দ্র দখল করতে হয়, নিশিরাতে নৌকায় সিল মেরে ব্যালট বাক্স ভরতে হয়, নির্বাচনে সহিংসতা করতে হয়, ভোটারদের ভয় দেখাতে হয়। ফলে তাদের স্বরূপ জনগণের সামনে উন্মোচিত হয়ে প্রশ্নবিদ্ধ হয়ে পড়ে।’

তিনি বলেন, এ কারণেই ওবায়দুল কাদের সাহেবের বাকশালী চেতনা জাহির হয়ে পড়ে যে- বিএনপি কেন নির্বাচনে অংশগ্রহণ করে। কারণ একতরফা নির্বাচনই হচ্ছে তাদের চেতনা। বন্দুকের জোরে গণতন্ত্রকে হত্যা করে দেশ থেকে সুষ্ঠু নির্বাচনব্যবস্থাকে ধ্বংস করে ওবায়দুল কাদের সাহেবরা এখন বাকশালী গণতন্ত্রের চর্চা করছেন।

বিচার বিভাগের স্বাধীনতা নিয়ে প্রশ্ন তুলে রিজভী বলেন, ওবায়দুল কাদের সাহেব বিচার বিভাগের স্বাধীনতার কথা বলেছেন। তার নমুনা আপনারা দেখেছেন। গতকাল শত শত কোটি টাকার দুর্নীতি আর পাচারের সঙ্গে জড়িত এমপি পাপুলের স্ত্রী ও কন্যা জামিন পেয়েছেন। অথচ মিথ্যা অভিযোগে খালেদা জিয়াকে জামিন দেওয়া হয় না। হত্যাকাণ্ডের আসামিদের জামিন হয়, ক্যাসিনো কাণ্ডের হোতাদের জামিন হয়, টাকাপাচার কাণ্ডের হোতাদের জামিন হয়, অথচ জামিন হয় না গণতন্ত্রকামী নেতাকর্মীদের।

দেশে এখন আওয়ামী গণতন্ত্র চলছে দাবি করে রিজভী বলেন, আজ দেশব্যাপী ২৪টি পৌরসভায় নির্বাচন অনুষ্ঠিত হচ্ছে। এই নির্বাচনগুলোও আগের অবস্থার মতোই রক্তপাত ও ডাকাতির নির্বাচন। এখন পর্যন্ত প্রাপ্ত তথ্য মতে, প্রশাসনের সহায়তায় আওয়ামী সন্ত্রাসীরা অধিকাংশ পৌর নির্বাচনী এলাকায় তাণ্ডবলীলা চালাচ্ছে। সরকারের ‘হার্ড হিটিং’ ইমেজ বজায় রাখতে ভোটারসহ বিএনপি নেতাকর্মীদের ওপর আক্রমণ চলছে বেপরোয়াভাবে।