আমন সংগ্রহ অভিযান জোরদারের আহবান জানিয়েছেন খাদ্যমন্ত্রী

68
আমন সংগ্রহ
Social Share

আমন সংগ্রহ অভিযান জোরদারের আহবান জানিয়ে খাদ্যমন্ত্রী সাধন চন্দ্র মজুমদার বলেছেন, কৃষকের আমন ফসল উৎপাদন ভালো হয়েছে। সরকার আমন ধান ও চালের যৌক্তিক দামও নির্ধারণ করেছে। এসময় সুনির্দিষ্ট পরিকল্পনা নিয়ে আমন সংগ্রহ অভিযান সফল করতে খাদ্য বিভাগের মাঠ কর্মকর্তাগণকে আরো মনোযোগী হতে হবে।

আজ মঙ্গলবার ‘অভ্যন্তরীণ আমন সংগ্রহ অভিযান ২০২১-২২, রাজশাহী ও রংপুর বিভাগের অগ্রগতি পর্যালোচনা’ সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন। খাদ্য সচিব ড. মোছাম্মৎ নাজমানারা খানুমের সভাপতিত্বে সভায় বক্তৃতা করেন খাদ্য অধিদপ্তরের অতিরিক্ত মহাপরিচালক আব্দুল্লাহ আল মামুন, অতিরিক্ত সচিব খাজা আব্দুল হান্নান ও রাজশাহী বিভাগীয় কমিশনার ড. মোহাম্মদ হুমায়ুন কবীর।

সচিবালয়ে তাঁর অফিস থেকে ভার্চুয়ালি যুক্ত হয়ে সভায় মন্ত্রী বলেন, যে সকল জেলায় নির্ধারিত সময়ের আগেই প্রকিউরমেন্ট শতভাগ অর্জিত হবে, প্রয়োজনে তাদের আরো বরাদ্দ দেওয়া হবে। যে সকল জেলায় লমাত্রা অর্জন হবেনা তাদের জবাবদিহি করতে হবে। উত্তরাঞ্চলকে শষ্যভান্ডার উল্লেখ করে সাধন চন্দ্র মজুমদার বলেন, এ অঞ্চল থেকে বেশি ধান সংগ্রহের চেষ্টা করতে হবে। ধান-চাল সংগ্রহকালে কোন কৃষক কিংবা মিল মালিক যেন হয়রানির শিকার না হয় সেটিও নিশ্চিত করতে হবে।

মিল মালিকদের উদ্দেশ্যে খাদ্যমন্ত্রী বলেন, দেশে ধান চালের অভাব নেই। বিগত সময়ে ২৯ লাখ মেট্রিক টন আমদানির অনুমতি দিলেও আমদানি হয়েছে ৮ লাখ মেট্রিক টন। এই সময়ে দেশে চালের অভাব হয়নি। চালের যথেষ্ঠ মজুত থাকা সত্ত্বেও কেউ কেউ চালের মজুদ নিয়ে বিভ্রান্তি ছড়িয়েছে বলে তিনি উল্লেখ করেন।

সচিবালয়ে তাঁর অফিস থেকে ভার্চুয়ালি যুক্ত হয়ে সভায় মন্ত্রী বলেন, যে সকল জেলায় নির্ধারিত সময়ের আগেই প্রকিউরমেন্ট শতভাগ অর্জিত হবে, প্রয়োজনে তাদের আরো বরাদ্দ দেওয়া হবে। যে সকল জেলায় লমাত্রা অর্জন হবেনা তাদের জবাবদিহি করতে হবে। উত্তরাঞ্চলকে শষ্যভান্ডার উল্লেখ করে সাধন চন্দ্র মজুমদার বলেন, এ অঞ্চল থেকে বেশি ধান সংগ্রহের চেষ্টা করতে হবে। ধান-চাল সংগ্রহকালে কোন কৃষক কিংবা মিল মালিক যেন হয়রানির শিকার না হয় সেটিও নিশ্চিত করতে হবে।

মিল মালিকদের উদ্দেশ্যে খাদ্যমন্ত্রী বলেন, দেশে ধান চালের অভাব নেই। বিগত সময়ে ২৯ লাখ মেট্রিক টন আমদানির অনুমতি দিলেও আমদানি হয়েছে ৮ লাখ মেট্রিক টন। এই সময়ে দেশে চালের অভাব হয়নি। চালের যথেষ্ঠ মজুত থাকা সত্ত্বেও কেউ কেউ চালের মজুদ নিয়ে বিভ্রান্তি ছড়িয়েছে বলে তিনি উল্লেখ করেন।