ময়মনসিংহের আনন্দমোহন কলেজ ছাত্রাবাস অনির্দিষ্টকালের জন্য বন্ধ

ময়মনসিংহ প্রতিনিধিঃ

52
আনন্দমোহন কলেজ
Social Share
ময়মনসিংহের আনন্দমোহন কলেজ ছাত্রলীগের সাথে জেলা ছাত্রলীগের সংঘর্ষের পর পরিস্থিতি স্বাভাবিক করতে অনির্দিষ্টকালের জন্য হল বন্ধের ঘোষণা দিয়েছে কলেজ কর্তৃপক্ষ।
শনিবার (৪ ডিসেম্বর) রাতে বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন কলেজটির অধ্যক্ষ প্রফেসর মো: আমান উল্লাহ। রোববার (৫ ডিসেম্বর) সকাল ৮টার মধ্যে ছাত্রাবাস ছেড়ে দিয়েছে ছাত্রীরা।
জানা যায়, বাংলাদেশ ছাত্রলীগের কেন্দ্রীয় কমিটি শুক্রবার রাত ১১ টা ৪৩ মিনিটে আনন্দমোহন কলেজ ছাত্রলীগকে মহানগর ছাত্রলীগের ইউনিট থেকে জেলা ছাত্রলীগে অন্তর্ভূক্ত করে ছাত্রলীগের ভেরিফাইড ফেসবুক পেজে একটি প্রেস বিজ্ঞপ্তি আপলোড করে। এ খবর ছড়িয়ে পড়লে রাতেই আনন্দমোহন কলেজ ছাত্রলীগ প্রতিবাদ জানিয়ে কলেজ গেইটের সামনে প্রতিবাদ করে। পরে শনিবার সকালে আবারও কলেজ প্রাঙ্গনে কলেজ ছাত্রলীগের নেতাকর্মীরা বিক্ষোভ করলে জেলা ছাত্রলীগের বেশ কয়েকজন নেতাকর্মী বহিরাগতদের নিয়ে আনন্দ মোহন কলেজে প্রবেশ করে ককটেল বিস্ফোরণ এক পর্যায়ে গুলি বিনিময় করে। এতে করে সাধারণ ছাত্রছাত্রীদের মধ্যে উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে। অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনা এড়াতে শনিবার সন্ধায় কলেজের সব হল বন্ধ ঘোষণা করা হয়েছে।
ময়মনসিংহ মহানগর ছাত্রলীগের আহবায়ক নওশেল আহম্মেদ অনি বলেন, দীর্ঘদিন ধরে আনন্দমোহন কলেজের ছাত্ররা মহানগর ছাত্রলীগের সঙ্গে একত্রে করছে। কেন্দ্রীয় ছাত্রলীগের যে সিদ্ধান্ত দিয়েছে তাতে ছাত্ররা হতাশ হয়ে আন্দোলন করছে। তবে এই আন্দোলনের সাথে মহানগর ছাত্রলীগ জড়িত না। কেন্দ্রীয় ছাত্রলীগ অবশ্যই সিদ্ধান্তটি পুণ:বিবেচনা করবে বলেও মনে করেন তিনি।
জেলা ছাত্রলীগের সভাপতি আল আমিন হোসেন বলেন, ময়মনসিংহ শহরে ছাত্রলীগের বসার মতো কোন জায়গা নেই। বিষয়টি অনুধাবন করতে পেরে কেন্দ্রীয় ছাত্রলীগ আমাদের আওতায় আনন্দ মোহন কলেজ ছাত্রলীগের ইউনিটটি দিয়েছে। তবে এই বিষয়টাকে কেন্দ্র করে একটি পক্ষ উত্তেজনা ছড়াচ্ছে। বিশৃঙ্খলা করার চেষ্টা করছে। ককটেল ফাটানোসহ অনেকের উপর তারা হামলাও করেছে।
জেলা ছাত্রলীগের সভাপতি আল আমিন হোসেন বলেন, ময়মনসিংহ শহরে ছাত্রলীগের বসার মতো কোন জায়গা নেই। বিষয়টি অনুধাবন করতে পেরে কেন্দ্রীয় ছাত্রলীগ আমাদের আওতায় আনন্দ মোহন কলেজ ছাত্রলীগের ইউনিটটি দিয়েছে। তবে এই বিষয়টাকে কেন্দ্র করে একটি পক্ষ উত্তেজনা ছড়াচ্ছে। বিশৃঙ্খলা করার চেষ্টা করছে। ককটেল ফাটানোসহ অনেকের উপর তারা হামলাও করেছে।
কোতোয়ালী মডেল থানার ওসি শাহ কামাল আকন্দ বলেন, নেতৃত্ব নিয়ে ছাত্রলীগের দুই গ্রুপের উত্তেজনার ঘটনা ঘটেছে। এ ঘটনায় দুইজন শিক্ষকসহ কয়েকজন আহত হয়েছে। তবে বর্তমানে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রয়েছে।