আজকে এই সঙ্কটের পেছনে আমিও দায়ী: অলি আহমদ

79
সঙ্কটের
Social Share

১৯৯১ সালের সংসদে প্রধানমন্ত্রীর ক্ষমতা বাড়ানো ভুল ছিল, আজকে এই সঙ্কটের পেছনে আমিও দায়ী। এ জন্য জনগণের কাছে ক্ষমা চেয়েছেন ওই সংসদের সদস্য লিবারেল ডেমোক্রেটিক পার্টির (এলডিপি) প্রেসিডেন্ট কর্নেল (অব.) ড. অলি আহমদ।

বুধবার দুপুরে দলের কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে সংবাদ সম্মেলনে এসব কথা বলেন কর্নেল (অব.) ড. অলি আহমদ।

নিজের আত্মসমালোচনা করে কর্নেল অলি বলেন, আজকে এই সঙ্কটের পেছনে আমিও দায়ী। এ জন্য জনগণের কাছে ক্ষমা চাই। ১৯৯১ সালে তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়ার সময়ে প্রধানমন্ত্রীর ক্ষমতা বাড়াতে যে প্রক্রিয়া হয়েছে, তাতে আমারও অনেক ভূমিকা ছিল। তখন যদি আমি বুঝতাম তা হলে রাষ্ট্রপতি ও প্রধানমন্ত্রীর ক্ষমতার ভারসাম্য আনতাম।

অলি আহমদ আরও বলেন, সব সাংবিধানিক প্রতিষ্ঠান ধ্বংস হয়ে গেছে। অনেকে বলেন-কেয়ারটেকার সরকার চাচ্ছেন। ক্ষমতায় যেতে এত তাড়াহুড়ো কেন? সব প্রতিষ্ঠানে ভারসাম্য আনতে কাজ করতে হবে।

সাবেক এই মন্ত্রী বলেন, চা খেতে এবং জনগণের টাকা নষ্ট করতে বঙ্গভবনে যাব না।

……………………………………………………………………………………………………..

১৯৯১ সালের সংসদে প্রধানমন্ত্রীর ক্ষমতা বাড়ানো ভুল ছিল, আজকে এই সঙ্কটের পেছনে আমিও দায়ী। এ জন্য জনগণের কাছে ক্ষমা চেয়েছেন ওই সংসদের সদস্য লিবারেল ডেমোক্রেটিক পার্টির (এলডিপি) প্রেসিডেন্ট কর্নেল (অব.) ড. অলি আহমদ।

বুধবার দুপুরে দলের কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে সংবাদ সম্মেলনে এসব কথা বলেন কর্নেল (অব.) ড. অলি আহমদ।

নিজের আত্মসমালোচনা করে কর্নেল অলি বলেন, আজকে এই সঙ্কটের পেছনে আমিও দায়ী। এ জন্য জনগণের কাছে ক্ষমা চাই। ১৯৯১ সালে তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়ার সময়ে প্রধানমন্ত্রীর ক্ষমতা বাড়াতে যে প্রক্রিয়া হয়েছে, তাতে আমারও অনেক ভূমিকা ছিল। তখন যদি আমি বুঝতাম তা হলে রাষ্ট্রপতি ও প্রধানমন্ত্রীর ক্ষমতার ভারসাম্য আনতাম।

অলি আহমদ আরও বলেন, সব সাংবিধানিক প্রতিষ্ঠান ধ্বংস হয়ে গেছে। অনেকে বলেন-কেয়ারটেকার সরকার চাচ্ছেন। ক্ষমতায় যেতে এত তাড়াহুড়ো কেন? সব প্রতিষ্ঠানে ভারসাম্য আনতে কাজ করতে হবে।

সাবেক এই মন্ত্রী বলেন, চা খেতে এবং জনগণের টাকা নষ্ট করতে বঙ্গভবনে যাব না।

অলি আহমদ আরও বলেন, সব সাংবিধানিক প্রতিষ্ঠান ধ্বংস হয়ে গেছে। অনেকে বলেন-কেয়ারটেকার সরকার চাচ্ছেন। ক্ষমতায় যেতে এত তাড়াহুড়ো কেন? সব প্রতিষ্ঠানে ভারসাম্য আনতে কাজ করতে হবে।

সাবেক এই মন্ত্রী বলেন, চা খেতে এবং জনগণের টাকা নষ্ট করতে বঙ্গভবনে যাব না।