আগামী অর্থবছরে অর্থনীতির আকার হবে ৫০০ বিলিয়ন মার্কিন ডলার : অর্থমন্ত্রী

90
অর্থনীতির
Social Share

অর্থমন্ত্রী আ হ ম মুস্তফা কামাল বলেছেন, ‌‘আমাদের অর্থনীতি ১০০ বিলিয়ন ডলার হতে ১৯ বছর লেগেছে। এখন আমাদের অর্থনীতির আকার ৪১১ বিলিয়ন মার্কিন ডলার এবং মাথাপিছু আয় বেড়ে ২ হাজার ৫৫৪ ডলার হয়েছে। আগামী অর্থবছরে আমাদের অর্থনীতির আকার ৫০০ বিলিয়ন ডলার হবে।’

আজ রবিবার বাংলাদেশের উন্নয়নশীল দেশে উত্তরণ উদযাপন উপলক্ষে এক অনুষ্ঠানে এসব কথা বলেন তিনি। রাজধানীতে বঙ্গবন্ধু আন্তর্জাতিক সম্মেলন কেন্দ্রে এ অনুষ্ঠানের আয়োজন করে অর্থনৈতিক সম্পর্ক বিভাগ। অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে ভার্চুয়ালি যুক্ত ছিলেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।

অর্থমন্ত্রী বলেন, ‘বর্তমানে বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ ৪৫ থেকে ৪৬ বিলিয়ন ডলারের কাছাকাছি। আমি বিশ্বাস করি, ইনশাআল্লাহ চলতি বছরের শেষ নাগাদ রিজার্ভ ৫০ বিলিয়ন ডলারে নিয়ে যেতে পারব। দেশে শিক্ষার হার বেড়েছে, কমেছে দারিদ্র্য। আমাদের বার্ষিক উন্নয়ন কর্মসূচির আকার বেড়েছে। কোভিডের মধ্যে বিশ্ব অর্থনীতির অবস্থা ভালো নয়, তারপরও বাংলাদেশ ভালো করছে। ২০৩০ সালের মধ্যে ক্ষুধামুক্ত উচ্চ আয়ের দেশে রূপান্তর করব।’

…………………………………………………………………………………………….

অর্থমন্ত্রী আ হ ম মুস্তফা কামাল বলেছেন, ‌‘আমাদের অর্থনীতি ১০০ বিলিয়ন ডলার হতে ১৯ বছর লেগেছে। এখন আমাদের অর্থনীতির আকার ৪১১ বিলিয়ন মার্কিন ডলার এবং মাথাপিছু আয় বেড়ে ২ হাজার ৫৫৪ ডলার হয়েছে। আগামী অর্থবছরে আমাদের অর্থনীতির আকার ৫০০ বিলিয়ন ডলার হবে।’

আজ রবিবার বাংলাদেশের উন্নয়নশীল দেশে উত্তরণ উদযাপন উপলক্ষে এক অনুষ্ঠানে এসব কথা বলেন তিনি। রাজধানীতে বঙ্গবন্ধু আন্তর্জাতিক সম্মেলন কেন্দ্রে এ অনুষ্ঠানের আয়োজন করে অর্থনৈতিক সম্পর্ক বিভাগ। অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে ভার্চুয়ালি যুক্ত ছিলেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।

অর্থমন্ত্রী বলেন, ‘বর্তমানে বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ ৪৫ থেকে ৪৬ বিলিয়ন ডলারের কাছাকাছি। আমি বিশ্বাস করি, ইনশাআল্লাহ চলতি বছরের শেষ নাগাদ রিজার্ভ ৫০ বিলিয়ন ডলারে নিয়ে যেতে পারব। দেশে শিক্ষার হার বেড়েছে, কমেছে দারিদ্র্য। আমাদের বার্ষিক উন্নয়ন কর্মসূচির আকার বেড়েছে। কোভিডের মধ্যে বিশ্ব অর্থনীতির অবস্থা ভালো নয়, তারপরও বাংলাদেশ ভালো করছে। ২০৩০ সালের মধ্যে ক্ষুধামুক্ত উচ্চ আয়ের দেশে রূপান্তর করব।’

অর্থমন্ত্রী বলেন, ‘বর্তমানে বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ ৪৫ থেকে ৪৬ বিলিয়ন ডলারের কাছাকাছি। আমি বিশ্বাস করি, ইনশাআল্লাহ চলতি বছরের শেষ নাগাদ রিজার্ভ ৫০ বিলিয়ন ডলারে নিয়ে যেতে পারব। দেশে শিক্ষার হার বেড়েছে, কমেছে দারিদ্র্য। আমাদের বার্ষিক উন্নয়ন কর্মসূচির আকার বেড়েছে। কোভিডের মধ্যে বিশ্ব অর্থনীতির অবস্থা ভালো নয়, তারপরও বাংলাদেশ ভালো করছে। ২০৩০ সালের মধ্যে ক্ষুধামুক্ত উচ্চ আয়ের দেশে রূপান্তর করব।’