আইনের থেকে ধর্মকে বড়ো মনে করে: উইঘুর মুসলিমদের আতঙ্কবাদী আখ্যা দিয়ে বার্তা চীনের

Social Share

চীনের প্রশাসন উইঘুর মুসলিমদের উপর অত্যাচার তীব্র করে দিয়েছে। যার জন্য আমেরিকা সহ বেশকিছু দেশের মানবাধিকার সংগঠনের লোকজন চীনের নিন্দা জানিয়েছে। চীন উইঘুর মুসলিমদের ধরে ধরে বন্দি বানাচ্ছে এবং তাদের ধর্ম পরিবর্তন করানোর চেষ্টা করছে বলে অভিযোগ উঠেছে। চীন মূলত উইঘুর মুসলিমদের ইসলাম ত্যাগ করানোর চেষ্টায় লেগেছে বলে ধারণা করা হচ্ছে।

তবে লাগাতার প্রশ্ন উঠার পর চীনের কমিউনিস্ট পার্টির তরফ থেকে এই ইস্যুতে পতিক্রিয়া সামনে এসেছে। উইঘুর সম্প্রদায়ের লোকজনের সাথে এমন ব্যাবহার করা হচ্ছে এর জন্য স্বয়ং উইগুররা দায়ী বলে দাবি করা হয়েছে। চীনের স্টেট কাউন্সিলের ইনফরমেশন অফিস থেকে প্রকাশিত হোয়াইট পেপারে ইঙ্গিত করা হয়েছে, উইগুর মুসলিমরা নাকি ঐরকম আচরণ পাওয়ার যোগ্য।

হোয়াইট পেপারে দাবি করা হয়েছে, উইঘুর মুসলীমরা আতঙ্কবাদী এবং তারা পরবর্তী জন্ম সম্পর্কে অদ্ভুত ধারণা মনের মধ্যে পোষণ করে। এক রিপোর্ট অনুযায়ী, চীন ২০১৪ সাল থেকে ২০১৯ পর্যন্ত কমপক্ষে ১০.৩০ লক্ষ উইঘুর সম্প্রদায়ের লোকজনকে বন্দি বানিয়েছে। এই সমস্ত লোকজনকে বন্দি বানিয়ে তাদেরকে ক্যাম্পে রাখা হয়েছে।

চীনের মতে উইঘুর মুসলীমরা মোটেও আধুনিক বিজ্ঞানে বিশ্বাস করে না। একই সাথে ধার্মিক কট্টরতাকে প্রশ্রয় দেয় বলেও অভিযোগ উঠেছে। এছাড়াও এরা চাইনিজ ভাষাকে গুরুত্ব দেয় না বলে অভিযোগ তোলা হয়েছে হোয়াইট পেপারে। উইগুর সম্প্রদায় নিজের আর্থিক উন্নতির জন্য কাজ করতে চাই না বলেও অভিযোগ তোলা হয়েছে। চীনের দাবি, উইঘুর মুসলিমরস নিজের মানসিকতার জন্য পিছিয়ে রয়েছে।