যুক্তরাষ্ট্রে হামলা চালাতে পারে আইএস: পেন্টাগন

53
আইএস
Social Share

তালেবান আফগানিস্তানের ক্ষমতা দখলের পরপরই মাথাচাড়া দিয়ে উঠেছে আইএস (ইসলামিক স্টেট) । সংগঠনটি আগামী ছয় মাসের মধ্যে যুক্তরাষ্ট্রে হামলা চালানোর সক্ষমতা অর্জন করতে পারে বলে মনে করছেন যুক্তরাষ্ট্রের গোয়েন্দা কর্মকর্তারা। গতকাল মঙ্গলবার দেশটির কংগ্রেসকে এসব তথ্য জানিয়েছেন যুক্তরাষ্ট্রের প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় পেন্টাগনের জ্যেষ্ঠ একজন কর্মকর্তা।

কংগ্রেসকে দেওয়া তথ্যে পেন্টাগনের আন্ডার সেক্রেটারি কলিন কাহল বলেন, গত আগস্টে শেষ হওয়া দুই দশকের যুদ্ধ শেষ হলেও আফগানিস্তান এখনও যুক্তরাষ্ট্রের গুরুতর জাতীয় নিরাপত্তা উদ্বেগ তৈরি করতে পারে। আফগানিস্তানের ক্ষমতায় আসা তালেবানের অন্যতম শত্রু এখন ইসলামিক স্টেট (আইএস) সংগঠনটি। মার্কিন সৈন্য প্রত্যাহারের পর তারা আত্মঘাতী বোমা হামলা এবং অন্যান্য হামলা চালিয়ে দেশটিতে আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির অবনতির চেষ্টা করছে। বেশ কয়েকটি হামলার দায়ও স্বীকার করেছে আফগান অনুসারী ইসলামিক স্টেট ইন খোরাসান প্রদেশ, আইএসকেপি (আইএসআইএস-কে)।

কাহল বলেন, গত আগস্টে মার্কিন সৈন্য প্রত্যাহারের পর ইসলামিক স্টেটের বিরুদ্ধে তালেবান আদৌ সফলভাবে লড়তে পারবে কি-না তা এখনও পরিষ্কার নয়। তালেবান ছাড়াও ইসলামিক স্টেট এবং আল-কায়েদার মতো হামলাকারী গোষ্ঠীগুলোর বিরুদ্ধে লড়াই করে চলেছে যুক্তরাষ্ট্র।

তালেবান আফগানিস্তানের ক্ষমতা দখলের পরপরই মাথাচাড়া দিয়ে উঠেছে ইসলামিক স্টেট (আইএস)। সংগঠনটি আগামী ছয় মাসের মধ্যে যুক্তরাষ্ট্রে হামলা চালানোর সক্ষমতা অর্জন করতে পারে বলে মনে করছেন যুক্তরাষ্ট্রের গোয়েন্দা কর্মকর্তারা। গতকাল মঙ্গলবার দেশটির কংগ্রেসকে এসব তথ্য জানিয়েছেন যুক্তরাষ্ট্রের প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় পেন্টাগনের জ্যেষ্ঠ একজন কর্মকর্তা।

কংগ্রেসকে দেওয়া তথ্যে পেন্টাগনের আন্ডার সেক্রেটারি কলিন কাহল বলেন, গত আগস্টে শেষ হওয়া দুই দশকের যুদ্ধ শেষ হলেও আফগানিস্তান এখনও যুক্তরাষ্ট্রের গুরুতর জাতীয় নিরাপত্তা উদ্বেগ তৈরি করতে পারে। আফগানিস্তানের ক্ষমতায় আসা তালেবানের অন্যতম শত্রু এখন ইসলামিক স্টেট (আইএস) সংগঠনটি। মার্কিন সৈন্য প্রত্যাহারের পর তারা আত্মঘাতী বোমা হামলা এবং অন্যান্য হামলা চালিয়ে দেশটিতে আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির অবনতির চেষ্টা করছে। বেশ কয়েকটি হামলার দায়ও স্বীকার করেছে আফগান অনুসারী ইসলামিক স্টেট ইন খোরাসান প্রদেশ, আইএসকেপি (আইএসআইএস-কে)।

কাহল বলেন, গত আগস্টে মার্কিন সৈন্য প্রত্যাহারের পর ইসলামিক স্টেটের বিরুদ্ধে তালেবান আদৌ সফলভাবে লড়তে পারবে কি-না তা এখনও পরিষ্কার নয়। তালেবান ছাড়াও ইসলামিক স্টেট এবং আল-কায়েদার মতো হামলাকারী গোষ্ঠীগুলোর বিরুদ্ধে লড়াই করে চলেছে যুক্তরাষ্ট্র।

সূত্র: ইনডিপেন্ডেন্ট।