১ নভেম্বর থেকে ভ্রমণ নিষেধাজ্ঞা তুলে নিচ্ছে অস্ট্রেলিয়া

55
অস্ট্রেলিয়া
Social Share

আগামী ১ নভেম্বর থেকে অস্ট্রেলিয়া তাদের নাগরিকদের জন্য ভ্রমণ নিষেধাজ্ঞা তুলে নিচ্ছে। করোনা সংক্রমণ ঠেকাতে এবং নিয়ন্ত্রণে রাখতে টানা ১৯ মাস কঠোর এই নিষেধাজ্ঞা দিয়েছিল দেশটির কর্তৃপক্ষ। এই সময়ে কোনো নাগরিক দেশের বাইরে ভ্রমণে গেলে অনুমতি নেওয়া লাগতো। আসছে সপ্তাহ থেকে এই অনুমতির আর দরকার হবে না। দেশটির সরকার বলছে, কেবলমাত্র অস্ট্রেলিয়ানরা এই নিষেধাজ্ঞার বাইরে থাকবে। তবে খুব শিগগিরই বিদেশিদের জন্যও ভ্রমণের নিয়ম-কানুন সহজ করবে।

অস্ট্রেলিয়ার স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী কারেন অ্যান্ড্রো এক বিবৃতিতে বলেন, চলতি বছর শেষ হওয়ার আগেই পুরো ডোজ টিকা নিয়েছেন এমন দক্ষ শ্রমিক ও শিক্ষার্থীদের আমরা স্বাগতম জানাতে পারবো বলে আশা করছি। এর আগে দেশটির প্রধানমন্ত্রী স্কট মরিসন নাগরিকদের জন্য সীমান্ত খুলে দেওয়ার আভাস দিয়েছিলেন। তিনি বলেছিলেন, অস্ট্রেলিয়ানদের তাদের জীবনে ফিরিয়ে দেওয়ার সময় এসেছে।

ভ্রমণ নিষেধাজ্ঞা তুলে নেওয়ার ঘোষণায় অস্ট্রেলিয়ান ও বিশ্বের বিভিন্ন দেশে আটকা পড়া লোকজন উচ্ছ্বাস প্রকাশ করেছেন। কারণ এই নিষেধাজ্ঞার কারণে অনেকে তাদের প্রিয়জনদের সঙ্গে দেখা করতে পারছিলেন না। বর্তমানে জরুরি কাজ বা মৃত্যু শয্যায় থাকায় কোনো স্বজনকে দেখতে যেতে কেবল ভ্রমণের অনুমতি দেওয়া হয়। দেশটিতে এখন পর্যন্ত এক লাখ ৬০ হাজারের বেশি মানুষ করোনায় আক্রান্ত হয়েছেন এবং এক হাজার ৬৫৩ জনের মৃত্যু হয়েছে।

এই সময়ে কোনো নাগরিক দেশের বাইরে ভ্রমণে গেলে অনুমতি নেওয়া লাগতো। আসছে সপ্তাহ থেকে এই অনুমতির আর দরকার হবে না। দেশটির সরকার বলছে, কেবলমাত্র অস্ট্রেলিয়ানরা এই নিষেধাজ্ঞার বাইরে থাকবে। তবে খুব শিগগিরই বিদেশিদের জন্যও ভ্রমণের নিয়ম-কানুন সহজ করবে।

অস্ট্রেলিয়ার স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী কারেন অ্যান্ড্রো এক বিবৃতিতে বলেন, চলতি বছর শেষ হওয়ার আগেই পুরো ডোজ টিকা নিয়েছেন এমন দক্ষ শ্রমিক ও শিক্ষার্থীদের আমরা স্বাগতম জানাতে পারবো বলে আশা করছি। এর আগে দেশটির প্রধানমন্ত্রী স্কট মরিসন নাগরিকদের জন্য সীমান্ত খুলে দেওয়ার আভাস দিয়েছিলেন। তিনি বলেছিলেন, অস্ট্রেলিয়ানদের তাদের জীবনে ফিরিয়ে দেওয়ার সময় এসেছে।

ভ্রমণ নিষেধাজ্ঞা তুলে নেওয়ার ঘোষণায় অস্ট্রেলিয়ান ও বিশ্বের বিভিন্ন দেশে আটকা পড়া লোকজন উচ্ছ্বাস প্রকাশ করেছেন। কারণ এই নিষেধাজ্ঞার কারণে অনেকে তাদের প্রিয়জনদের সঙ্গে দেখা করতে পারছিলেন না। বর্তমানে জরুরি কাজ বা মৃত্যু শয্যায় থাকায় কোনো স্বজনকে দেখতে যেতে কেবল ভ্রমণের অনুমতি দেওয়া হয়। দেশটিতে এখন পর্যন্ত এক লাখ ৬০ হাজারের বেশি মানুষ করোনায় আক্রান্ত হয়েছেন এবং এক হাজার ৬৫৩ জনের মৃত্যু হয়েছে।

সূত্র: বিবিসি।