অযত্নে অবহেলায় নষ্ট হচ্ছে বরুড়ায় জমিদার বাড়ি

48
Social Share

জেলার বরুড়ার গালীমপুরে বৃটিশ আমলের নান্দনিক জমিদার বাড়িটি অযত্নে অবহেলায় নষ্ট হচ্ছে। খসে পড়ছে ভবনের ভেতর ও বাহিরের দেওয়ালের পলেস্তর। বিশাল বাড়িটির পাশেই রয়েছে ছোট একটি ঘর।  তৎকালীন সময়ে জমিদারের কর আদায় কর হতো এ ছোট ঘরটিতে।
বর্তমানে জমিদার বাড়িটির ছোট ঘরটিতে তৎকালীন জমিদারের বংশধর ওয়ারিশ দাবিদার জাহাঙ্গীর আলম ভূঁইয়া বসবাস করছেন।
জানা গেছে, বৃটিশ শাসনে আমলের সময় গালীমপুরে জমিদারদের বসবাস ছিলো। জমিদারদের বসবাসের জন্য দুই নান্দনিক ভবন রয়েছে। তৎকালীন সময়ে প্রায় ৪৭ কানি জমির উপর এ জমিদার বাড়ি নির্মাণ করা হয়েছিলো। ১৯৫০ সালের দিকে জমিদার প্রথা বিলপ্তি হয়ে যায়। পরবর্তীতে জমিদারের বংশধরা ভারতের সোনামুড়ায় চলে যান। ভবন দুইটি নির্মাণে ইট, বালি ও লোহার পাত ব্যবহার করা হয়েছিলো। দরজা জানালাগুলো কাঠের। এখনো এসব জিনিস কালের স্বাক্ষী হয়ে দাঁড়িয়ে আছে। দিন দিন অযত্ন অবহেলায় নান্দনিক কারুকাজের নির্মাণ শৈলিক বাড়িটি ধংস হয়ে যাচ্ছে।
এ ব্যপারে ঐ বাড়িতে বর্তমানে বসবাসকারী ওয়ারিশ দাবিদার জাহাঙ্গীর আলম ভূইয়া বাসসকে জানান, তারা আহসান মঞ্জিল এর বংশধর। সে এ জমিদার বাড়ির মালিক। তাই সে এখানে বসবাস করছেন।
এ ব্যাপারে স্থানীয় মুক্তিযোদ্ধা আবুল বাশার জানান, দেশ স্বাধীনের পরে আসাদ আলী ভূঁইয়া ভারতের সোনামুড়া থেকে জমিদারের বংশধরের সাথে সম্পত্তি রেজবদল করে এখানে বসবাস করতেন বলে জানান। এখন জাহাঙ্গীর আলম ভূইয়াসহ যারা বসবাস করেন তারা আসাদ আলী ভূইয়ার ওয়ারিশ।
এ বিষয়ে গালিমপুর ইউপি চেয়ারম্যান রবিউল আলম জানান, জমিদার বাড়িটি দিন দিন অযতœ অবহেলায় নান্দনিক কারুকাজের নির্মাণ বাড়িটি ধংস হয়ে যাচ্ছে। তাছাড়া কিছু জমি বেদল হয়ে গেছে বলে তিনি জানান।
এ বিষয়ে বরুড়া উপজেলা নিবার্হী কর্মকর্তা মো. আনিসুল ইসলাম বলেন, জমিদার বাড়িটি পরিদর্শন করেছি। ঐতিহাসিক জমিদার বাড়িটি রক্ষা করার জন্য উদ্যোগ গ্রহণ করবেন বলে জানান।