অভিমান করেছে প্রেমিক ,পুলিশের সাহায্য চাইলেন তরুণী!

83
প্রেমিক
Social Share

এক যুবকের সঙ্গে মন দেওয়া নেওয়া হয়ে গিয়েছিল তরুণীর। তবে পরিবারের কেউই জানতেন না। তাই রোজ রোজ সকলের নজর এড়িয়ে প্রেমিক এর (Boyfriend)সঙ্গে দেখা করা কার্যত অসম্ভব। তাই যোগাযোগের জন্য মোবাইলই ভরসা। অথচ সামান্য মন কষাকষির জন্য ফোনই ধরছেন না প্রেমিক। মনখারাপ হওয়ায় ওই তরুণী যা করলেন, তাতে অবাক প্রায় সকলেই।

ওই তরুণী মধ্যপ্রদেশের (Madhya Pradesh) ছিন্দওয়াড়ার বাসিন্দা। সরণির বাসিন্দা এক যুবকের সঙ্গে বেশ কয়েক বছর ধরেই প্রেমের সম্পর্ক রয়েছে তাঁর। তবে সম্পর্কের ব্যাপারে আত্মীয় পরিজনকে ঘুণাক্ষরেও কিছু জানাননি তরুণী। সম্প্রতি ওই যুবকের জন্মদিন ছিল। তবে প্রেমিককে জন্মদিনের শুভেচ্ছা জানাননি তরুণী। তিনি বিশেষ দিনটির কথা ভুলে গিয়েছিলেন নাকি অন্য কোনও কারণ রয়েছে, সে বিষয়টি এখনও স্পষ্ট নয়।

তবে জন্মদিনে বিশেষ মানুষের কাছ থেকে শুভেচ্ছা না পেয়ে বেশ খানিকটা চমকেই যান যুবক। বিরক্তও হন তিনি। রেগে আগুন হয়ে যান। অভিমানে প্রেমিকার সঙ্গে ঝগড়াঝাটি হয় তাঁর। সে কারণেই প্রেমিকার সঙ্গে দেখা করা বন্ধ করে দেন। ফোনেও কথা বলবেন না বলেই জানিয়ে দেন। বেশ কয়েকবার চেষ্টা করেও ব্যর্থ হওয়ায় মনখারাপ হয়ে যায় তরুণীর।

প্রেমিকার অভিমান ভাঙাতে কী করবেন তা বুঝতে পারছিলেন না তরুণী। সোজা পুলিশের দ্বারস্থ হন তিনি। পুলিশ যদিও প্রথমে তরুণীর কথা শুনে কিছুটা হতচকিত হয়ে যায়। পরে যুবকের মান ভাঙানোর দায়িত্ব কাঁধে তুলে দেন ঊর্দিধারীরা। থানায় যুগলের কাউন্সেলিং করা হয়। তাঁদের বিয়ে করে নেওয়ার পরামর্শ দেন কাউন্সেলার। এরপর অভিভাবকদের সঙ্গে কথা বলার পর চার হাত এক হয় তাঁদের। এখন আর কোনও ঝগড়াঝাটি নয় পরিবর্তে প্রেমের জোয়ারে ভাসছেন দু’জনে।

এক যুবকের সঙ্গে মন দেওয়া নেওয়া হয়ে গিয়েছিল তরুণীর। তবে পরিবারের কেউই জানতেন না। তাই রোজ রোজ সকলের নজর এড়িয়ে প্রেমিক এর (Boyfriend)সঙ্গে দেখা করা কার্যত অসম্ভব। তাই যোগাযোগের জন্য মোবাইলই ভরসা। অথচ সামান্য মন কষাকষির জন্য ফোনই ধরছেন না প্রেমিক। মনখারাপ হওয়ায় ওই তরুণী যা করলেন, তাতে অবাক প্রায় সকলেই।

ওই তরুণী মধ্যপ্রদেশের (Madhya Pradesh) ছিন্দওয়াড়ার বাসিন্দা। সরণির বাসিন্দা এক যুবকের সঙ্গে বেশ কয়েক বছর ধরেই প্রেমের সম্পর্ক রয়েছে তাঁর। তবে সম্পর্কের ব্যাপারে আত্মীয় পরিজনকে ঘুণাক্ষরেও কিছু জানাননি তরুণী। সম্প্রতি ওই যুবকের জন্মদিন ছিল। তবে প্রেমিককে জন্মদিনের শুভেচ্ছা জানাননি তরুণী। তিনি বিশেষ দিনটির কথা ভুলে গিয়েছিলেন নাকি অন্য কোনও কারণ রয়েছে, সে বিষয়টি এখনও স্পষ্ট নয়।

তবে জন্মদিনে বিশেষ মানুষের কাছ থেকে শুভেচ্ছা না পেয়ে বেশ খানিকটা চমকেই যান যুবক। বিরক্তও হন তিনি। রেগে আগুন হয়ে যান। অভিমানে প্রেমিকার সঙ্গে ঝগড়াঝাটি হয় তাঁর। সে কারণেই প্রেমিকার সঙ্গে দেখা করা বন্ধ করে দেন। তাই রোজ রোজ সকলের নজর এড়িয়ে প্রেমিক এর (Boyfriend)সঙ্গে দেখা করা কার্যত অসম্ভব। ফোনেও কথা বলবেন না বলেই জানিয়ে দেন। বেশ কয়েকবার চেষ্টা করেও ব্যর্থ হওয়ায় মনখারাপ হয়ে যায় তরুণীর।

প্রেমিকার অভিমান ভাঙাতে কী করবেন তা বুঝতে পারছিলেন না তরুণী। সোজা পুলিশের দ্বারস্থ হন তিনি। পুলিশ যদিও প্রথমে তরুণীর কথা শুনে কিছুটা হতচকিত হয়ে যায়। পরে যুবকের মান ভাঙানোর দায়িত্ব কাঁধে তুলে দেন ঊর্দিধারীরা। থানায় যুগলের কাউন্সেলিং করা হয়। তাঁদের বিয়ে করে নেওয়ার পরামর্শ দেন কাউন্সেলার। এরপর অভিভাবকদের সঙ্গে কথা বলার পর চার হাত এক হয় তাঁদের। এখন আর কোনও ঝগড়াঝাটি নয় পরিবর্তে প্রেমের জোয়ারে ভাসছেন দু’জনে।