অবশেষে জেল থেকে মুক্তি আরিয়ানের ২ সঙ্গি মুনমুন ধামেচা, আরবাজ মার্চেন্টের

90
অবশেষে
Social Share

অবশেষে , আজ রবিবার জেল থেকে ছাড়া পেলেন মুনমুন ধামেচা এবং আরবাদ মার্চেন্ট। আরিয়ানের দুই সঙ্গে। মুনমুন ছিলেন মুম্বইয়ের মহিলা জেল বাইকুল্লাতে। আর আরবাজ আরিয়ানের সঙ্গেই ছিলেন আর্থার রোড জেলে।
৩ অক্টোবর আরিয়ানের সঙ্গেই গ্রেপ্তার হন মডেল মুনমুন এবং আরবাজ। আরবাজের জুতো থেকে ২.‌৬ গ্রাম চরস মিলেছিল। তিন জনেরই একই দিনে জামিন হয়। তবে আরিয়ান শনিবার জেল থেকে বাড়ি গেলেও বাকি দু’‌জনের সরকারি নিয়ম সারতে আরও সময় লেগে যায়। আরিয়ানের মতোই এই দু’‌জনকেও ১ লক্ষ টাকা বন্ড এবং ১৪টি শর্তের বিনিময়ে জামিন দিয়েছে বম্বে হাইকোর্ট।
শর্তে বলা হয়েছে শহর ছাড়তে পারবেন না অভিযুক্তরা। মুনমুনের আইনজীবী আলি কাশফ খান জানিয়েছেন, তাঁর মক্কেল মধ্যপ্রদেশের বাসিন্দা। এখন তাই এনসিবি–র কাছে আবেদন জানানো হবে, তাঁকে যেন মধ্যপ্রদেশে যাওয়ার অনুমতি দেওয়া হয়। ওদিকে আরবাজের বাবা আসলাম মার্চেন্ট জানিয়েছেন, ‘‌আমি দারুণ খুশি। ওঁর মা আরও খুশি, ছেলে আজ বাড়ি ফিরছে। আমাদের প্রার্থনা, আশীর্বাদ সফল হল। আমরা জামিনের নিয়ম মেনে চলব।’‌

Drugs-on-cruise ship case | Arbaz Merchant released from Arthur Road Jail in Mumbai. pic.twitter.com/swDpCC6uVd

— ANI (@ANI) October 31, 2021

সরকারি নিয়মের ফাঁসে আরিয়ানের জেলমুক্তিও এক দিন পিছিয়ে যায়। বিকেল সাড়ে ৫টার মধ্যে রিলিজ লেটার জেলের বাইরে ঝুলতে থাকা ‘‌বেল বক্স’‌–এ জমা পড়ার কথা ছিল। কিন্তু এনসিবি–র বিশেষ আদালত থেকে তা আসতে দেরি হয় বলে মুক্তি আটকে যায়। প্রশ্ন ওঠে, হোয়াটস্‌অ্যাপ চ্যাটের ভিত্তিতে আরিয়ানদের গ্রেপ্তার করা হলেও জামিনের ক্ষেত্রে এত পুরনো পন্থা কেন।

শর্তে বলা হয়েছে শহর ছাড়তে পারবেন না অভিযুক্তরা। মুনমুনের আইনজীবী আলি কাশফ খান জানিয়েছেন, তাঁর মক্কেল মধ্যপ্রদেশের বাসিন্দা। এখন তাই এনসিবি–র কাছে আবেদন জানানো হবে, তাঁকে যেন মধ্যপ্রদেশে যাওয়ার অনুমতি দেওয়া হয়। ওদিকে আরবাজের বাবা আসলাম মার্চেন্ট জানিয়েছেন, ‘‌আমি দারুণ খুশি। ওঁর মা আরও খুশি, ছেলে আজ বাড়ি ফিরছে। আমাদের প্রার্থনা, আশীর্বাদ সফল হল। আমরা জামিনের নিয়ম মেনে চলব।’‌

সরকারি নিয়মের ফাঁসে আরিয়ানের জেলমুক্তিও এক দিন পিছিয়ে যায়। বিকেল সাড়ে ৫টার মধ্যে রিলিজ লেটার জেলের বাইরে ঝুলতে থাকা ‘‌বেল বক্স’‌–এ জমা পড়ার কথা ছিল। কিন্তু এনসিবি–র বিশেষ আদালত থেকে তা আসতে দেরি হয় বলে মুক্তি আটকে যায়। প্রশ্ন ওঠে, হোয়াটস্‌অ্যাপ চ্যাটের ভিত্তিতে আরিয়ানদের গ্রেপ্তার করা হলেও জামিনের ক্ষেত্রে এত পুরনো পন্থা কেন।