বরিশালে শিশু শিক্ষার্থীকে অপহরনের অভিযোগে মামলা

স্টাফ রিপোর্টার, বরিশাল:

102
অপহরনের
Social Share

ধর্ষণের উদ্দেশ্যে পঞ্চম শ্রেনীর এক ছাত্রীকে অপহরনের ঘটনায় অবশেষে বৃহস্পতিবার সকালে থানায় মামলা দায়ের করা হয়েছে। ঘটনাটি জেলার গৌরনদী উপজেলার বাটাজোর ইউনিয়নের দক্ষিণ বাহাদুরপুর গ্রামের।
এজাহারে জানা গেছে, ওই গ্রামের কুদ্দুস মোল্লার ছেলে আরিফ মোল্লা (২৮) একইবাড়ির সামচুল হক সরদারের স্ত্রী হেনা বেগমের সহায়তায় প্রতিবেশী বাড়ির বাসিন্দা পঞ্চম শ্রেনীর এক ছাত্রীকে (১২) ধর্ষণের উদ্দেশ্যে অপহরণ করে।

গত ৬ ডিসেম্বর সকালে অপহরনের পর আরিফ তার নিজকক্ষে অপহৃতাকে আটক করে রাখে। ছাত্রীর পরিবারের সদস্যরা ওইদিন দিবাগত রাত নয়টার দিকে খবর পেয়ে স্থানীয় কতিপয় ব্যক্তির সহায়তায় আরিফের শয়নকক্ষ থেকে অপহৃতা ছাত্রীকে উদ্ধার করে। বিষয়টি মীমাংসার জন্য স্থানীয় কয়েকজন প্রভাবশালী ওই ছাত্রীর পরিবারকে চাঁপ প্রয়োগসহ নিজ বাড়িতে জিম্মি করে রাখে। খবর পেয়ে বুধবার দিবাগত রাতে থানা পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে অভিযোগের সত্যতা পান। পরবর্তীতে থানা পুলিশের সহযোগীতায় ওই ছাত্রীর মা বাদি হয়ে বৃহস্পতিবার সকালে আরিফ ও তার সহযোগী হেনা বেগমকে আসামি করে থানায় মামলা দায়ের করেছেন।

মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা গৌরনদী মডেল থানার এসআই কামাল হোসেন বলেন, আসামিদের গ্রেফতারের জন্য অভিযান চলছে।

ধর্ষণের উদ্দেশ্যে পঞ্চম শ্রেনীর এক ছাত্রীকে অপহরনের ঘটনায় অবশেষে বৃহস্পতিবার সকালে থানায় মামলা দায়ের করা হয়েছে। ঘটনাটি জেলার গৌরনদী উপজেলার বাটাজোর ইউনিয়নের দক্ষিণ বাহাদুরপুর গ্রামের।
এজাহারে জানা গেছে, ওই গ্রামের কুদ্দুস মোল্লার ছেলে আরিফ মোল্লা (২৮) একইবাড়ির সামচুল হক সরদারের স্ত্রী হেনা বেগমের সহায়তায় প্রতিবেশী বাড়ির বাসিন্দা পঞ্চম শ্রেনীর এক ছাত্রীকে (১২) ধর্ষণের উদ্দেশ্যে অপহরণ করে।

গত ৬ ডিসেম্বর সকালে অপহরনের পর আরিফ তার নিজকক্ষে অপহৃতাকে আটক করে রাখে। ছাত্রীর পরিবারের সদস্যরা ওইদিন দিবাগত রাত নয়টার দিকে খবর পেয়ে স্থানীয় কতিপয় ব্যক্তির সহায়তায় আরিফের শয়নকক্ষ থেকে অপহৃতা ছাত্রীকে উদ্ধার করে। বিষয়টি মীমাংসার জন্য স্থানীয় কয়েকজন প্রভাবশালী ওই ছাত্রীর পরিবারকে চাঁপ প্রয়োগসহ নিজ বাড়িতে জিম্মি করে রাখে। খবর পেয়ে বুধবার দিবাগত রাতে থানা পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে অভিযোগের সত্যতা পান। পরবর্তীতে থানা পুলিশের সহযোগীতায় ওই ছাত্রীর মা বাদি হয়ে বৃহস্পতিবার সকালে আরিফ ও তার সহযোগী হেনা বেগমকে আসামি করে থানায় মামলা দায়ের করেছেন।

মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা গৌরনদী মডেল থানার এসআই কামাল হোসেন বলেন, আসামিদের গ্রেফতারের জন্য অভিযান চলছে।